-1778649707790-742590197.jpg&w=1920&q=75)
প্রায় এক দশক পর চীন সফরে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৩ মে) তিনি বেইজিং পৌঁছান। ইরান ও তাইওয়ান ইস্যুতে উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে এ সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ইরান প্রসঙ্গে তার দীর্ঘ আলোচনা হবে। কারণ, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইরানি তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা চীন।
তবে ইরান ইস্যুতে নিজের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হলেও বেইজিং শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে ফোনালাপে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখতে গঠনমূলক ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছেন।
এই সফরে তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির বিষয়টিও আলোচনায় আসবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অবস্থান থেকে কিছুটা ভিন্ন বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে ট্রাম্পের দাবি, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক তাইওয়ান ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত এড়াতে সহায়ক হবে।
চীন সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে রয়েছেন ইলন মাস্ক ও টিম কুকের মতো শীর্ষ মার্কিন ব্যবসায়ী নেতারা। দুই দেশের মধ্যে শুল্ক যুদ্ধ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকলেও বিরল মৃত্তিকা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ও বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চীনের ধীরগতির অর্থনীতি ও ঋণ সংকটের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক দুই পরাশক্তির অর্থনৈতিক সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করতে পারে।
ট্রাম্পের সফর ঘিরে বেইজিংজুড়ে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মেট্রো স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক, রাষ্ট্রীয় ভোজসভা ও বিশেষ অভ্যর্থনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: এএফপি
-1778649707790-742590197.jpg&w=1920&q=75)
প্রায় এক দশক পর চীন সফরে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৩ মে) তিনি বেইজিং পৌঁছান। ইরান ও তাইওয়ান ইস্যুতে উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে এ সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ইরান প্রসঙ্গে তার দীর্ঘ আলোচনা হবে। কারণ, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইরানি তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা চীন।
তবে ইরান ইস্যুতে নিজের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হলেও বেইজিং শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে ফোনালাপে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখতে গঠনমূলক ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছেন।
এই সফরে তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির বিষয়টিও আলোচনায় আসবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অবস্থান থেকে কিছুটা ভিন্ন বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে ট্রাম্পের দাবি, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক তাইওয়ান ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত এড়াতে সহায়ক হবে।
চীন সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে রয়েছেন ইলন মাস্ক ও টিম কুকের মতো শীর্ষ মার্কিন ব্যবসায়ী নেতারা। দুই দেশের মধ্যে শুল্ক যুদ্ধ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকলেও বিরল মৃত্তিকা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ও বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চীনের ধীরগতির অর্থনীতি ও ঋণ সংকটের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক দুই পরাশক্তির অর্থনৈতিক সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করতে পারে।
ট্রাম্পের সফর ঘিরে বেইজিংজুড়ে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মেট্রো স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক, রাষ্ট্রীয় ভোজসভা ও বিশেষ অভ্যর্থনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: এএফপি
-1778649707790-742590197.jpg&w=1920&q=75)
প্রায় এক দশক পর চীন সফরে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৩ মে) তিনি বেইজিং পৌঁছান। ইরান ও তাইওয়ান ইস্যুতে উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে এ সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ইরান প্রসঙ্গে তার দীর্ঘ আলোচনা হবে। কারণ, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইরানি তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা চীন।
তবে ইরান ইস্যুতে নিজের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হলেও বেইজিং শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে ফোনালাপে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখতে গঠনমূলক ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছেন।
এই সফরে তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির বিষয়টিও আলোচনায় আসবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অবস্থান থেকে কিছুটা ভিন্ন বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে ট্রাম্পের দাবি, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক তাইওয়ান ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত এড়াতে সহায়ক হবে।
চীন সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে রয়েছেন ইলন মাস্ক ও টিম কুকের মতো শীর্ষ মার্কিন ব্যবসায়ী নেতারা। দুই দেশের মধ্যে শুল্ক যুদ্ধ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকলেও বিরল মৃত্তিকা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ও বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চীনের ধীরগতির অর্থনীতি ও ঋণ সংকটের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক দুই পরাশক্তির অর্থনৈতিক সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করতে পারে।
ট্রাম্পের সফর ঘিরে বেইজিংজুড়ে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মেট্রো স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক, রাষ্ট্রীয় ভোজসভা ও বিশেষ অভ্যর্থনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: এএফপি
-1778649707790-742590197.jpg&w=1920&q=75)
প্রায় এক দশক পর চীন সফরে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৩ মে) তিনি বেইজিং পৌঁছান। ইরান ও তাইওয়ান ইস্যুতে উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে এ সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ইরান প্রসঙ্গে তার দীর্ঘ আলোচনা হবে। কারণ, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইরানি তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা চীন।
তবে ইরান ইস্যুতে নিজের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হলেও বেইজিং শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে ফোনালাপে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখতে গঠনমূলক ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছেন।
এই সফরে তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির বিষয়টিও আলোচনায় আসবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অবস্থান থেকে কিছুটা ভিন্ন বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে ট্রাম্পের দাবি, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক তাইওয়ান ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত এড়াতে সহায়ক হবে।
চীন সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে রয়েছেন ইলন মাস্ক ও টিম কুকের মতো শীর্ষ মার্কিন ব্যবসায়ী নেতারা। দুই দেশের মধ্যে শুল্ক যুদ্ধ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকলেও বিরল মৃত্তিকা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ও বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চীনের ধীরগতির অর্থনীতি ও ঋণ সংকটের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক দুই পরাশক্তির অর্থনৈতিক সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করতে পারে।
ট্রাম্পের সফর ঘিরে বেইজিংজুড়ে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মেট্রো স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক, রাষ্ট্রীয় ভোজসভা ও বিশেষ অভ্যর্থনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: এএফপি
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!