
১৫ বছর ধরে জনগণের ভোটাধিকার হরণকারীদের দুঃশাসনের চিরস্থায়ী অবসান ঘটাতে ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নিয়ে রাজপথ ও ভোটকেন্দ্রে গণজাগরণ সৃষ্টি করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইলের দরুন-চরজানা বাইপাস সংলগ্ন বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কেবল একটি নির্বাচনের দিন নয়; এটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধারের চূড়ান্ত দিন।’ তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর জনগণ ফ্যাসিস্ট শাসনের নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এবার মানুষ নিজের ভোট নিজে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। এই সুযোগ কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।
জনসভায় টাঙ্গাইলের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, টাঙ্গাইল শাড়িকে জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে বিশ্ববাজারে সরাসরি রপ্তানির উদ্যোগ নেবে বিএনপি। পাশাপাশি টাঙ্গাইলকে পরিকল্পিত শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং তাঁতশিল্প ও আনারস চাষিদের জন্য আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
ক্ষমতায় গেলে জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের গৃহিণীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে মাসিক আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি বিনামূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক দেওয়া হবে। এছাড়া আলেম-ওলামা, ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য বিশেষ সরকারি সম্মানীর ব্যবস্থার কথাও জানান তিনি।
ভোটের দিন সম্ভাব্য জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক করে তারেক রহমান বলেন, ভোট দেওয়া শেষ হলেই দায়িত্ব শেষ নয়। ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে পারবে না।
বিশেষ করে নারী ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সকালে কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। ‘এই দেশ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়-এই রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক জনগণ’ বলেন তারেক রহমান।

১৫ বছর ধরে জনগণের ভোটাধিকার হরণকারীদের দুঃশাসনের চিরস্থায়ী অবসান ঘটাতে ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নিয়ে রাজপথ ও ভোটকেন্দ্রে গণজাগরণ সৃষ্টি করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইলের দরুন-চরজানা বাইপাস সংলগ্ন বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কেবল একটি নির্বাচনের দিন নয়; এটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধারের চূড়ান্ত দিন।’ তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর জনগণ ফ্যাসিস্ট শাসনের নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এবার মানুষ নিজের ভোট নিজে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। এই সুযোগ কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।
জনসভায় টাঙ্গাইলের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, টাঙ্গাইল শাড়িকে জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে বিশ্ববাজারে সরাসরি রপ্তানির উদ্যোগ নেবে বিএনপি। পাশাপাশি টাঙ্গাইলকে পরিকল্পিত শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং তাঁতশিল্প ও আনারস চাষিদের জন্য আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
ক্ষমতায় গেলে জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের গৃহিণীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে মাসিক আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি বিনামূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক দেওয়া হবে। এছাড়া আলেম-ওলামা, ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য বিশেষ সরকারি সম্মানীর ব্যবস্থার কথাও জানান তিনি।
ভোটের দিন সম্ভাব্য জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক করে তারেক রহমান বলেন, ভোট দেওয়া শেষ হলেই দায়িত্ব শেষ নয়। ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে পারবে না।
বিশেষ করে নারী ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সকালে কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। ‘এই দেশ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়-এই রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক জনগণ’ বলেন তারেক রহমান।

১৫ বছর ধরে জনগণের ভোটাধিকার হরণকারীদের দুঃশাসনের চিরস্থায়ী অবসান ঘটাতে ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নিয়ে রাজপথ ও ভোটকেন্দ্রে গণজাগরণ সৃষ্টি করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইলের দরুন-চরজানা বাইপাস সংলগ্ন বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কেবল একটি নির্বাচনের দিন নয়; এটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধারের চূড়ান্ত দিন।’ তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর জনগণ ফ্যাসিস্ট শাসনের নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এবার মানুষ নিজের ভোট নিজে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। এই সুযোগ কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।
জনসভায় টাঙ্গাইলের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, টাঙ্গাইল শাড়িকে জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে বিশ্ববাজারে সরাসরি রপ্তানির উদ্যোগ নেবে বিএনপি। পাশাপাশি টাঙ্গাইলকে পরিকল্পিত শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং তাঁতশিল্প ও আনারস চাষিদের জন্য আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
ক্ষমতায় গেলে জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের গৃহিণীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে মাসিক আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি বিনামূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক দেওয়া হবে। এছাড়া আলেম-ওলামা, ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য বিশেষ সরকারি সম্মানীর ব্যবস্থার কথাও জানান তিনি।
ভোটের দিন সম্ভাব্য জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক করে তারেক রহমান বলেন, ভোট দেওয়া শেষ হলেই দায়িত্ব শেষ নয়। ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে পারবে না।
বিশেষ করে নারী ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সকালে কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। ‘এই দেশ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়-এই রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক জনগণ’ বলেন তারেক রহমান।

১৫ বছর ধরে জনগণের ভোটাধিকার হরণকারীদের দুঃশাসনের চিরস্থায়ী অবসান ঘটাতে ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নিয়ে রাজপথ ও ভোটকেন্দ্রে গণজাগরণ সৃষ্টি করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইলের দরুন-চরজানা বাইপাস সংলগ্ন বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কেবল একটি নির্বাচনের দিন নয়; এটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধারের চূড়ান্ত দিন।’ তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর জনগণ ফ্যাসিস্ট শাসনের নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এবার মানুষ নিজের ভোট নিজে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। এই সুযোগ কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।
জনসভায় টাঙ্গাইলের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, টাঙ্গাইল শাড়িকে জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে বিশ্ববাজারে সরাসরি রপ্তানির উদ্যোগ নেবে বিএনপি। পাশাপাশি টাঙ্গাইলকে পরিকল্পিত শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং তাঁতশিল্প ও আনারস চাষিদের জন্য আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
ক্ষমতায় গেলে জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের গৃহিণীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে মাসিক আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি বিনামূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক দেওয়া হবে। এছাড়া আলেম-ওলামা, ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য বিশেষ সরকারি সম্মানীর ব্যবস্থার কথাও জানান তিনি।
ভোটের দিন সম্ভাব্য জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক করে তারেক রহমান বলেন, ভোট দেওয়া শেষ হলেই দায়িত্ব শেষ নয়। ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে পারবে না।
বিশেষ করে নারী ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সকালে কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। ‘এই দেশ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়-এই রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক জনগণ’ বলেন তারেক রহমান।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!