
চার দিনের জমজমাট আয়োজন শেষে পর্দা নামল ডিজিটাল ডিভাইস ও ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬–এর। এই এক্সপোতে-হয়ে গেল দেশের সবচেয়ে বড় মেগা ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতা। ‘বিসিএস ই-চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্ট’ নামে মেলার হল অব ফেমে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রদর্শনী প্রাঙ্গনে আয়োজিত ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে শিরোপাসহ মোট চার লাখ টাকার পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান- ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে ‘ফিফা’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হয়েছেন সিফাত আহমেদ ও ইরফান ওয়াসিত খান। ‘ভ্যালোরেন্ট’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘অল স্টার’ এবং রানার্সআপ ‘রিউসেই ট্রাইডেন্টস’ দল। ‘ই-ফুটবল’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তানভীর শাহরিয়ার এবং রানার্সআপ হয়েছেন ইয়াসির পূর্ণ।
ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ উপলক্ষে গত তিন দিন ধরেই প্রযুক্তি ও গেমিংয়ের এক অনন্য মেলবন্ধনে মুখর হয়ে উঠেছিল ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রদর্শনী। ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের অনলাইন পর্বে এক হাজারের বেশি প্রতিযোগী অংশ নিলেও প্রাথমিকভাবে বিজয়ী গেমাররা সরাসরি মূল পর্বে অংশ নেন।
ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের বিষয়ে গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান বলেন, ‘আমাদের এ আয়োজনের মূল কেন্দ্রবিন্দু দেশের তরুণ প্রজন্ম। যারা ই-স্পোর্টস ভালোবাসেন, তাদের একটি সঠিক প্ল্যাটফর্ম দিতেই এ উদ্যোগ। গেমারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং দর্শকদের ভিড় প্রমাণ করে বাংলাদেশে ই-স্পোর্টসের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল।’
ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রদর্শনীর আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে প্রযুক্তিপ্রেমীদের ভিড় আর গেমারদের উন্মাদনা দেখা গেছে। তরুণদের এই ভিড় জানান দিচ্ছে, বাংলাদেশে নতুন সম্ভাবনার নাম হয়ে উঠেছে ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতা। আয়োজকদের মতে, এই ই-চ্যাম্পিয়নশিপের মাধ্যমে দেশের তরুণদের মধ্যে ই-স্পোর্টসের সম্ভাবনা তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতামূলক গেমিংয়ের জন্য প্রস্তুত করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
প্রসঙ্গত, দেশের সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’ শুরু হয় ২৮ জানুয়ারি। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ছিলো। ৩১ জানুয়ারি শেষ হয় এ প্রযুক্তি মেলা।
বিসিএস ই-চ্যাম্পিয়নশিপের সিলভার স্পন্সর হিসেবে রয়েছে গিগাবাইট, এসার, নেটিস, টিপি-লিংক ও ইউসিসি।

চার দিনের জমজমাট আয়োজন শেষে পর্দা নামল ডিজিটাল ডিভাইস ও ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬–এর। এই এক্সপোতে-হয়ে গেল দেশের সবচেয়ে বড় মেগা ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতা। ‘বিসিএস ই-চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্ট’ নামে মেলার হল অব ফেমে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রদর্শনী প্রাঙ্গনে আয়োজিত ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে শিরোপাসহ মোট চার লাখ টাকার পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান- ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে ‘ফিফা’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হয়েছেন সিফাত আহমেদ ও ইরফান ওয়াসিত খান। ‘ভ্যালোরেন্ট’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘অল স্টার’ এবং রানার্সআপ ‘রিউসেই ট্রাইডেন্টস’ দল। ‘ই-ফুটবল’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তানভীর শাহরিয়ার এবং রানার্সআপ হয়েছেন ইয়াসির পূর্ণ।
ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ উপলক্ষে গত তিন দিন ধরেই প্রযুক্তি ও গেমিংয়ের এক অনন্য মেলবন্ধনে মুখর হয়ে উঠেছিল ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রদর্শনী। ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের অনলাইন পর্বে এক হাজারের বেশি প্রতিযোগী অংশ নিলেও প্রাথমিকভাবে বিজয়ী গেমাররা সরাসরি মূল পর্বে অংশ নেন।
ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের বিষয়ে গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান বলেন, ‘আমাদের এ আয়োজনের মূল কেন্দ্রবিন্দু দেশের তরুণ প্রজন্ম। যারা ই-স্পোর্টস ভালোবাসেন, তাদের একটি সঠিক প্ল্যাটফর্ম দিতেই এ উদ্যোগ। গেমারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং দর্শকদের ভিড় প্রমাণ করে বাংলাদেশে ই-স্পোর্টসের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল।’
ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রদর্শনীর আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে প্রযুক্তিপ্রেমীদের ভিড় আর গেমারদের উন্মাদনা দেখা গেছে। তরুণদের এই ভিড় জানান দিচ্ছে, বাংলাদেশে নতুন সম্ভাবনার নাম হয়ে উঠেছে ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতা। আয়োজকদের মতে, এই ই-চ্যাম্পিয়নশিপের মাধ্যমে দেশের তরুণদের মধ্যে ই-স্পোর্টসের সম্ভাবনা তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতামূলক গেমিংয়ের জন্য প্রস্তুত করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
প্রসঙ্গত, দেশের সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’ শুরু হয় ২৮ জানুয়ারি। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ছিলো। ৩১ জানুয়ারি শেষ হয় এ প্রযুক্তি মেলা।
বিসিএস ই-চ্যাম্পিয়নশিপের সিলভার স্পন্সর হিসেবে রয়েছে গিগাবাইট, এসার, নেটিস, টিপি-লিংক ও ইউসিসি।

চার দিনের জমজমাট আয়োজন শেষে পর্দা নামল ডিজিটাল ডিভাইস ও ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬–এর। এই এক্সপোতে-হয়ে গেল দেশের সবচেয়ে বড় মেগা ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতা। ‘বিসিএস ই-চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্ট’ নামে মেলার হল অব ফেমে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রদর্শনী প্রাঙ্গনে আয়োজিত ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে শিরোপাসহ মোট চার লাখ টাকার পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান- ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে ‘ফিফা’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হয়েছেন সিফাত আহমেদ ও ইরফান ওয়াসিত খান। ‘ভ্যালোরেন্ট’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘অল স্টার’ এবং রানার্সআপ ‘রিউসেই ট্রাইডেন্টস’ দল। ‘ই-ফুটবল’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তানভীর শাহরিয়ার এবং রানার্সআপ হয়েছেন ইয়াসির পূর্ণ।
ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ উপলক্ষে গত তিন দিন ধরেই প্রযুক্তি ও গেমিংয়ের এক অনন্য মেলবন্ধনে মুখর হয়ে উঠেছিল ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রদর্শনী। ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের অনলাইন পর্বে এক হাজারের বেশি প্রতিযোগী অংশ নিলেও প্রাথমিকভাবে বিজয়ী গেমাররা সরাসরি মূল পর্বে অংশ নেন।
ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের বিষয়ে গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান বলেন, ‘আমাদের এ আয়োজনের মূল কেন্দ্রবিন্দু দেশের তরুণ প্রজন্ম। যারা ই-স্পোর্টস ভালোবাসেন, তাদের একটি সঠিক প্ল্যাটফর্ম দিতেই এ উদ্যোগ। গেমারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং দর্শকদের ভিড় প্রমাণ করে বাংলাদেশে ই-স্পোর্টসের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল।’
ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রদর্শনীর আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে প্রযুক্তিপ্রেমীদের ভিড় আর গেমারদের উন্মাদনা দেখা গেছে। তরুণদের এই ভিড় জানান দিচ্ছে, বাংলাদেশে নতুন সম্ভাবনার নাম হয়ে উঠেছে ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতা। আয়োজকদের মতে, এই ই-চ্যাম্পিয়নশিপের মাধ্যমে দেশের তরুণদের মধ্যে ই-স্পোর্টসের সম্ভাবনা তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতামূলক গেমিংয়ের জন্য প্রস্তুত করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
প্রসঙ্গত, দেশের সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’ শুরু হয় ২৮ জানুয়ারি। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ছিলো। ৩১ জানুয়ারি শেষ হয় এ প্রযুক্তি মেলা।
বিসিএস ই-চ্যাম্পিয়নশিপের সিলভার স্পন্সর হিসেবে রয়েছে গিগাবাইট, এসার, নেটিস, টিপি-লিংক ও ইউসিসি।

চার দিনের জমজমাট আয়োজন শেষে পর্দা নামল ডিজিটাল ডিভাইস ও ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬–এর। এই এক্সপোতে-হয়ে গেল দেশের সবচেয়ে বড় মেগা ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতা। ‘বিসিএস ই-চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্ট’ নামে মেলার হল অব ফেমে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রদর্শনী প্রাঙ্গনে আয়োজিত ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে শিরোপাসহ মোট চার লাখ টাকার পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান- ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে ‘ফিফা’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হয়েছেন সিফাত আহমেদ ও ইরফান ওয়াসিত খান। ‘ভ্যালোরেন্ট’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘অল স্টার’ এবং রানার্সআপ ‘রিউসেই ট্রাইডেন্টস’ দল। ‘ই-ফুটবল’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তানভীর শাহরিয়ার এবং রানার্সআপ হয়েছেন ইয়াসির পূর্ণ।
ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ উপলক্ষে গত তিন দিন ধরেই প্রযুক্তি ও গেমিংয়ের এক অনন্য মেলবন্ধনে মুখর হয়ে উঠেছিল ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রদর্শনী। ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের অনলাইন পর্বে এক হাজারের বেশি প্রতিযোগী অংশ নিলেও প্রাথমিকভাবে বিজয়ী গেমাররা সরাসরি মূল পর্বে অংশ নেন।
ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের বিষয়ে গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান বলেন, ‘আমাদের এ আয়োজনের মূল কেন্দ্রবিন্দু দেশের তরুণ প্রজন্ম। যারা ই-স্পোর্টস ভালোবাসেন, তাদের একটি সঠিক প্ল্যাটফর্ম দিতেই এ উদ্যোগ। গেমারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং দর্শকদের ভিড় প্রমাণ করে বাংলাদেশে ই-স্পোর্টসের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল।’
ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রদর্শনীর আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ই-স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে প্রযুক্তিপ্রেমীদের ভিড় আর গেমারদের উন্মাদনা দেখা গেছে। তরুণদের এই ভিড় জানান দিচ্ছে, বাংলাদেশে নতুন সম্ভাবনার নাম হয়ে উঠেছে ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতা। আয়োজকদের মতে, এই ই-চ্যাম্পিয়নশিপের মাধ্যমে দেশের তরুণদের মধ্যে ই-স্পোর্টসের সম্ভাবনা তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতামূলক গেমিংয়ের জন্য প্রস্তুত করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
প্রসঙ্গত, দেশের সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’ শুরু হয় ২৮ জানুয়ারি। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ছিলো। ৩১ জানুয়ারি শেষ হয় এ প্রযুক্তি মেলা।
বিসিএস ই-চ্যাম্পিয়নশিপের সিলভার স্পন্সর হিসেবে রয়েছে গিগাবাইট, এসার, নেটিস, টিপি-লিংক ও ইউসিসি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!