১৪টি আধুনিক উড়োজাহাজ কেনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। চুক্তির আওতায় ১০টি ওয়াইড-বডি ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি ন্যারো-বডি ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজ যুক্ত হবে জাতীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সের বহরে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে এ চুক্তি সই অনুষ্ঠিত হয়।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ বলেন, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এই উড়োজাহাজগুলো বিমানের বহর আধুনিকায়ন, আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ এবং সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার ফলে বৈশ্বিক এভিয়েশন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই চুক্তি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৈশ্বিক সংযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতের উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি স্থানান্তর ও দক্ষ জনবল উন্নয়নের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই উড়োজাহাজ সংযোজনের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আন্তর্জাতিক ভ্রমণ আরও সহজ, নিরাপদ ও আরামদায়ক হবে। পাশাপাশি দেশের এভিয়েশন খাতে এটি একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
১৪টি আধুনিক উড়োজাহাজ কেনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। চুক্তির আওতায় ১০টি ওয়াইড-বডি ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি ন্যারো-বডি ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজ যুক্ত হবে জাতীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সের বহরে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে এ চুক্তি সই অনুষ্ঠিত হয়।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ বলেন, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এই উড়োজাহাজগুলো বিমানের বহর আধুনিকায়ন, আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ এবং সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার ফলে বৈশ্বিক এভিয়েশন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই চুক্তি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৈশ্বিক সংযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতের উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি স্থানান্তর ও দক্ষ জনবল উন্নয়নের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই উড়োজাহাজ সংযোজনের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আন্তর্জাতিক ভ্রমণ আরও সহজ, নিরাপদ ও আরামদায়ক হবে। পাশাপাশি দেশের এভিয়েশন খাতে এটি একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
১৪টি আধুনিক উড়োজাহাজ কেনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। চুক্তির আওতায় ১০টি ওয়াইড-বডি ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি ন্যারো-বডি ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজ যুক্ত হবে জাতীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সের বহরে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে এ চুক্তি সই অনুষ্ঠিত হয়।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ বলেন, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এই উড়োজাহাজগুলো বিমানের বহর আধুনিকায়ন, আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ এবং সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার ফলে বৈশ্বিক এভিয়েশন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই চুক্তি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৈশ্বিক সংযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতের উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি স্থানান্তর ও দক্ষ জনবল উন্নয়নের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই উড়োজাহাজ সংযোজনের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আন্তর্জাতিক ভ্রমণ আরও সহজ, নিরাপদ ও আরামদায়ক হবে। পাশাপাশি দেশের এভিয়েশন খাতে এটি একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
১৪টি আধুনিক উড়োজাহাজ কেনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। চুক্তির আওতায় ১০টি ওয়াইড-বডি ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি ন্যারো-বডি ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজ যুক্ত হবে জাতীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সের বহরে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে এ চুক্তি সই অনুষ্ঠিত হয়।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ বলেন, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এই উড়োজাহাজগুলো বিমানের বহর আধুনিকায়ন, আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ এবং সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার ফলে বৈশ্বিক এভিয়েশন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই চুক্তি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৈশ্বিক সংযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতের উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি স্থানান্তর ও দক্ষ জনবল উন্নয়নের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই উড়োজাহাজ সংযোজনের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আন্তর্জাতিক ভ্রমণ আরও সহজ, নিরাপদ ও আরামদায়ক হবে। পাশাপাশি দেশের এভিয়েশন খাতে এটি একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!