কষ্টে অর্জিত জুলাই জাতীয় সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ যুক্ত করে তা কলুষিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি দাবি করেন, ঐকমত্য কমিশনের ওপর চাপ প্রয়োগ করে সনদের পাশে এ নোট সংযোজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার অভিযোগ, বর্তমান গভর্নর বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন। টিআইবি-এর একটি প্রতিবেদন তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের ৫৯.৪১ শতাংশ সদস্য ঋণগ্রস্ত, যার বড় অংশ সরকারি দলের। সংসদ সদস্যদের মোট ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার কোটি টাকারও বেশি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এসব ঋণ পুনঃতফসিলের সুবিধা দিতে রাজনৈতিকভাবে গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির বক্তব্য আমি শুনিও নাই, পড়িও নাই।” তিনি রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বলেন, তার এ পদে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংককে এস আলম গ্রুপের কাছে হস্তান্তরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যার ফলে বিপুল সংখ্যক আমানতকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির অধীনে শপথ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সে সময়ের প্রেক্ষাপট ও এখনকার প্রেক্ষাপট ভিন্ন। তখন আমরা বলেছিলাম জাতীয় সরকার গঠনের কথা। সে সময় বিএনপি সেটা নাকচ করে দিয়েছিলো। আমাদের কাছে আরেকটি অপশন ছিলো ক্ষমতা আর্মির কাছে তুলে দেওয়া। আমরা যদি সেদিকে আগাতাম বিএনপি আজকে সংসদে বসতে পারতো কিনা সন্দেহ। দেশের স্বার্থে, দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা সেদিন সরকারে গিয়েছিলাম।
ভারত প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, শেখ হাসিনা ও ওসমান হাদীর খুনিদের ভারত আশ্রয় দিয়েছে। তাদের সাথে এ বিষয়গুলো নিয়ে বর্তমান সরকার কি কথা বলেছে আমরা জানতে চাই। ভারতের সাথে আমরা সম্পর্ক উন্নয়ন করতে চাই কিন্তু সেটা মর্য়াদার ভিত্তিতে। সাম্যের ভিত্তিতে। ভারত শুধু আওয়ামী লীগের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে এদেশকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। সেই দিনের কবর রচনা করতে হবে।
কষ্টে অর্জিত জুলাই জাতীয় সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ যুক্ত করে তা কলুষিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি দাবি করেন, ঐকমত্য কমিশনের ওপর চাপ প্রয়োগ করে সনদের পাশে এ নোট সংযোজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার অভিযোগ, বর্তমান গভর্নর বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন। টিআইবি-এর একটি প্রতিবেদন তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের ৫৯.৪১ শতাংশ সদস্য ঋণগ্রস্ত, যার বড় অংশ সরকারি দলের। সংসদ সদস্যদের মোট ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার কোটি টাকারও বেশি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এসব ঋণ পুনঃতফসিলের সুবিধা দিতে রাজনৈতিকভাবে গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির বক্তব্য আমি শুনিও নাই, পড়িও নাই।” তিনি রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বলেন, তার এ পদে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংককে এস আলম গ্রুপের কাছে হস্তান্তরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যার ফলে বিপুল সংখ্যক আমানতকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির অধীনে শপথ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সে সময়ের প্রেক্ষাপট ও এখনকার প্রেক্ষাপট ভিন্ন। তখন আমরা বলেছিলাম জাতীয় সরকার গঠনের কথা। সে সময় বিএনপি সেটা নাকচ করে দিয়েছিলো। আমাদের কাছে আরেকটি অপশন ছিলো ক্ষমতা আর্মির কাছে তুলে দেওয়া। আমরা যদি সেদিকে আগাতাম বিএনপি আজকে সংসদে বসতে পারতো কিনা সন্দেহ। দেশের স্বার্থে, দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা সেদিন সরকারে গিয়েছিলাম।
ভারত প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, শেখ হাসিনা ও ওসমান হাদীর খুনিদের ভারত আশ্রয় দিয়েছে। তাদের সাথে এ বিষয়গুলো নিয়ে বর্তমান সরকার কি কথা বলেছে আমরা জানতে চাই। ভারতের সাথে আমরা সম্পর্ক উন্নয়ন করতে চাই কিন্তু সেটা মর্য়াদার ভিত্তিতে। সাম্যের ভিত্তিতে। ভারত শুধু আওয়ামী লীগের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে এদেশকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। সেই দিনের কবর রচনা করতে হবে।
কষ্টে অর্জিত জুলাই জাতীয় সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ যুক্ত করে তা কলুষিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি দাবি করেন, ঐকমত্য কমিশনের ওপর চাপ প্রয়োগ করে সনদের পাশে এ নোট সংযোজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার অভিযোগ, বর্তমান গভর্নর বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন। টিআইবি-এর একটি প্রতিবেদন তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের ৫৯.৪১ শতাংশ সদস্য ঋণগ্রস্ত, যার বড় অংশ সরকারি দলের। সংসদ সদস্যদের মোট ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার কোটি টাকারও বেশি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এসব ঋণ পুনঃতফসিলের সুবিধা দিতে রাজনৈতিকভাবে গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির বক্তব্য আমি শুনিও নাই, পড়িও নাই।” তিনি রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বলেন, তার এ পদে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংককে এস আলম গ্রুপের কাছে হস্তান্তরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যার ফলে বিপুল সংখ্যক আমানতকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির অধীনে শপথ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সে সময়ের প্রেক্ষাপট ও এখনকার প্রেক্ষাপট ভিন্ন। তখন আমরা বলেছিলাম জাতীয় সরকার গঠনের কথা। সে সময় বিএনপি সেটা নাকচ করে দিয়েছিলো। আমাদের কাছে আরেকটি অপশন ছিলো ক্ষমতা আর্মির কাছে তুলে দেওয়া। আমরা যদি সেদিকে আগাতাম বিএনপি আজকে সংসদে বসতে পারতো কিনা সন্দেহ। দেশের স্বার্থে, দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা সেদিন সরকারে গিয়েছিলাম।
ভারত প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, শেখ হাসিনা ও ওসমান হাদীর খুনিদের ভারত আশ্রয় দিয়েছে। তাদের সাথে এ বিষয়গুলো নিয়ে বর্তমান সরকার কি কথা বলেছে আমরা জানতে চাই। ভারতের সাথে আমরা সম্পর্ক উন্নয়ন করতে চাই কিন্তু সেটা মর্য়াদার ভিত্তিতে। সাম্যের ভিত্তিতে। ভারত শুধু আওয়ামী লীগের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে এদেশকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। সেই দিনের কবর রচনা করতে হবে।
কষ্টে অর্জিত জুলাই জাতীয় সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ যুক্ত করে তা কলুষিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি দাবি করেন, ঐকমত্য কমিশনের ওপর চাপ প্রয়োগ করে সনদের পাশে এ নোট সংযোজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার অভিযোগ, বর্তমান গভর্নর বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন। টিআইবি-এর একটি প্রতিবেদন তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের ৫৯.৪১ শতাংশ সদস্য ঋণগ্রস্ত, যার বড় অংশ সরকারি দলের। সংসদ সদস্যদের মোট ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার কোটি টাকারও বেশি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এসব ঋণ পুনঃতফসিলের সুবিধা দিতে রাজনৈতিকভাবে গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির বক্তব্য আমি শুনিও নাই, পড়িও নাই।” তিনি রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বলেন, তার এ পদে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংককে এস আলম গ্রুপের কাছে হস্তান্তরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যার ফলে বিপুল সংখ্যক আমানতকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির অধীনে শপথ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সে সময়ের প্রেক্ষাপট ও এখনকার প্রেক্ষাপট ভিন্ন। তখন আমরা বলেছিলাম জাতীয় সরকার গঠনের কথা। সে সময় বিএনপি সেটা নাকচ করে দিয়েছিলো। আমাদের কাছে আরেকটি অপশন ছিলো ক্ষমতা আর্মির কাছে তুলে দেওয়া। আমরা যদি সেদিকে আগাতাম বিএনপি আজকে সংসদে বসতে পারতো কিনা সন্দেহ। দেশের স্বার্থে, দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা সেদিন সরকারে গিয়েছিলাম।
ভারত প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, শেখ হাসিনা ও ওসমান হাদীর খুনিদের ভারত আশ্রয় দিয়েছে। তাদের সাথে এ বিষয়গুলো নিয়ে বর্তমান সরকার কি কথা বলেছে আমরা জানতে চাই। ভারতের সাথে আমরা সম্পর্ক উন্নয়ন করতে চাই কিন্তু সেটা মর্য়াদার ভিত্তিতে। সাম্যের ভিত্তিতে। ভারত শুধু আওয়ামী লীগের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে এদেশকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। সেই দিনের কবর রচনা করতে হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!