
শেয়ারবাজারে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে তথ্য প্রকাশকারীদের (হুইসেল ব্লোয়ার) জন্য সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক প্রণোদনার খসড়া বিধিমালা প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
খসড়া অনুযায়ী, কোনো তথ্যের ভিত্তিতে জরিমানা বা অর্থদণ্ড আরোপ করা হলে সেই আদায়কৃত অর্থের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা দেওয়া যাবে। তবে এক্ষেত্রে প্রণোদনার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ কোটি টাকা।
বিধিমালায় তথ্য প্রকাশকারীদের পরিচয় গোপন রাখার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তথ্যদাতার সম্মতি ছাড়া তার পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না। তিনি চাকরিজীবী হলে তার বিরুদ্ধে পদাবনতি, বদলি, চাকরিচ্যুতি বা অন্য কোনো বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না। এছাড়া মামলায় তাকে সাক্ষী করাও বাধ্যতামূলক নয় এবং প্রয়োজন হলে আদালতে তার পরিচয় গোপন রাখার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
খসড়ায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত ফরম পূরণ করে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য জমা দিতে হবে। তথ্য প্রদানকারীকে যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস করতে হবে যে প্রদত্ত তথ্য সত্য বা সম্ভাব্যভাবে সঠিক।
প্রকাশযোগ্য তথ্যের মধ্যে রয়েছে শেয়ারবাজার আইন লঙ্ঘন, প্রতারণামূলক কার্যক্রম, বাজার কারসাজি, অর্থ আত্মসাৎ বা অপব্যবহার, অর্থ পাচার এবং ক্যাশ বা লভ্যাংশ সংক্রান্ত অনিয়ম।
বিএসইসি জানিয়েছে, শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও অনিয়ম রোধে তথ্য প্রকাশকারীদের আইনি সুরক্ষা দেওয়াই এ বিধিমালা প্রণয়নের উদ্দেশ্য। জনমত যাচাই শেষে কমিশনের বোর্ড অনুমোদনের মাধ্যমে বিধিমালাটি গেজেট আকারে প্রকাশ করে চূড়ান্তভাবে কার্যকর করা হবে।

শেয়ারবাজারে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে তথ্য প্রকাশকারীদের (হুইসেল ব্লোয়ার) জন্য সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক প্রণোদনার খসড়া বিধিমালা প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
খসড়া অনুযায়ী, কোনো তথ্যের ভিত্তিতে জরিমানা বা অর্থদণ্ড আরোপ করা হলে সেই আদায়কৃত অর্থের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা দেওয়া যাবে। তবে এক্ষেত্রে প্রণোদনার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ কোটি টাকা।
বিধিমালায় তথ্য প্রকাশকারীদের পরিচয় গোপন রাখার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তথ্যদাতার সম্মতি ছাড়া তার পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না। তিনি চাকরিজীবী হলে তার বিরুদ্ধে পদাবনতি, বদলি, চাকরিচ্যুতি বা অন্য কোনো বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না। এছাড়া মামলায় তাকে সাক্ষী করাও বাধ্যতামূলক নয় এবং প্রয়োজন হলে আদালতে তার পরিচয় গোপন রাখার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
খসড়ায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত ফরম পূরণ করে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য জমা দিতে হবে। তথ্য প্রদানকারীকে যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস করতে হবে যে প্রদত্ত তথ্য সত্য বা সম্ভাব্যভাবে সঠিক।
প্রকাশযোগ্য তথ্যের মধ্যে রয়েছে শেয়ারবাজার আইন লঙ্ঘন, প্রতারণামূলক কার্যক্রম, বাজার কারসাজি, অর্থ আত্মসাৎ বা অপব্যবহার, অর্থ পাচার এবং ক্যাশ বা লভ্যাংশ সংক্রান্ত অনিয়ম।
বিএসইসি জানিয়েছে, শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও অনিয়ম রোধে তথ্য প্রকাশকারীদের আইনি সুরক্ষা দেওয়াই এ বিধিমালা প্রণয়নের উদ্দেশ্য। জনমত যাচাই শেষে কমিশনের বোর্ড অনুমোদনের মাধ্যমে বিধিমালাটি গেজেট আকারে প্রকাশ করে চূড়ান্তভাবে কার্যকর করা হবে।

শেয়ারবাজারে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে তথ্য প্রকাশকারীদের (হুইসেল ব্লোয়ার) জন্য সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক প্রণোদনার খসড়া বিধিমালা প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
খসড়া অনুযায়ী, কোনো তথ্যের ভিত্তিতে জরিমানা বা অর্থদণ্ড আরোপ করা হলে সেই আদায়কৃত অর্থের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা দেওয়া যাবে। তবে এক্ষেত্রে প্রণোদনার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ কোটি টাকা।
বিধিমালায় তথ্য প্রকাশকারীদের পরিচয় গোপন রাখার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তথ্যদাতার সম্মতি ছাড়া তার পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না। তিনি চাকরিজীবী হলে তার বিরুদ্ধে পদাবনতি, বদলি, চাকরিচ্যুতি বা অন্য কোনো বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না। এছাড়া মামলায় তাকে সাক্ষী করাও বাধ্যতামূলক নয় এবং প্রয়োজন হলে আদালতে তার পরিচয় গোপন রাখার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
খসড়ায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত ফরম পূরণ করে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য জমা দিতে হবে। তথ্য প্রদানকারীকে যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস করতে হবে যে প্রদত্ত তথ্য সত্য বা সম্ভাব্যভাবে সঠিক।
প্রকাশযোগ্য তথ্যের মধ্যে রয়েছে শেয়ারবাজার আইন লঙ্ঘন, প্রতারণামূলক কার্যক্রম, বাজার কারসাজি, অর্থ আত্মসাৎ বা অপব্যবহার, অর্থ পাচার এবং ক্যাশ বা লভ্যাংশ সংক্রান্ত অনিয়ম।
বিএসইসি জানিয়েছে, শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও অনিয়ম রোধে তথ্য প্রকাশকারীদের আইনি সুরক্ষা দেওয়াই এ বিধিমালা প্রণয়নের উদ্দেশ্য। জনমত যাচাই শেষে কমিশনের বোর্ড অনুমোদনের মাধ্যমে বিধিমালাটি গেজেট আকারে প্রকাশ করে চূড়ান্তভাবে কার্যকর করা হবে।

শেয়ারবাজারে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে তথ্য প্রকাশকারীদের (হুইসেল ব্লোয়ার) জন্য সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক প্রণোদনার খসড়া বিধিমালা প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
খসড়া অনুযায়ী, কোনো তথ্যের ভিত্তিতে জরিমানা বা অর্থদণ্ড আরোপ করা হলে সেই আদায়কৃত অর্থের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা দেওয়া যাবে। তবে এক্ষেত্রে প্রণোদনার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ কোটি টাকা।
বিধিমালায় তথ্য প্রকাশকারীদের পরিচয় গোপন রাখার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তথ্যদাতার সম্মতি ছাড়া তার পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না। তিনি চাকরিজীবী হলে তার বিরুদ্ধে পদাবনতি, বদলি, চাকরিচ্যুতি বা অন্য কোনো বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না। এছাড়া মামলায় তাকে সাক্ষী করাও বাধ্যতামূলক নয় এবং প্রয়োজন হলে আদালতে তার পরিচয় গোপন রাখার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
খসড়ায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত ফরম পূরণ করে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য জমা দিতে হবে। তথ্য প্রদানকারীকে যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস করতে হবে যে প্রদত্ত তথ্য সত্য বা সম্ভাব্যভাবে সঠিক।
প্রকাশযোগ্য তথ্যের মধ্যে রয়েছে শেয়ারবাজার আইন লঙ্ঘন, প্রতারণামূলক কার্যক্রম, বাজার কারসাজি, অর্থ আত্মসাৎ বা অপব্যবহার, অর্থ পাচার এবং ক্যাশ বা লভ্যাংশ সংক্রান্ত অনিয়ম।
বিএসইসি জানিয়েছে, শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও অনিয়ম রোধে তথ্য প্রকাশকারীদের আইনি সুরক্ষা দেওয়াই এ বিধিমালা প্রণয়নের উদ্দেশ্য। জনমত যাচাই শেষে কমিশনের বোর্ড অনুমোদনের মাধ্যমে বিধিমালাটি গেজেট আকারে প্রকাশ করে চূড়ান্তভাবে কার্যকর করা হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!