বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে রাজধানীর রমনা বটমূলে ঐতিহ্যবাহী প্রভাতী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ছায়ানট। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর কবিতার পঙক্তি—‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৬টায় সম্মেলক কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রভাতী অনুষ্ঠান। এতে সংগীত ও আবৃত্তি মিলিয়ে মোট ২৪টি পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়, যার মধ্যে আটটি ছিল সম্মেলক সংগীত এবং বাকিগুলো একক পরিবেশনা।
একক সংগীতের পর্বে মাকসুদা আক্তার অন্তরা ‘এ কি সুন্দর শোভায় ভরা’, আজিজুর রহমান তুহিন ‘তোমার হলো শুরু, আমার হলো সারা’ পরিবেশন করেন। এছাড়া সেমন্তী মঞ্জরী, বিটু কুমার শীল ও শ্রাবন্তী ধরের পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে নাসিমা শাহীন ফ্যান্সি ‘জাগো আনন্দ যোগে’ এবং খায়রুল আনাম শাকিল ‘শিকল ভাঙার গান’ পরিবেশন করেন। পাশাপাশি শারমিন সাথী ইসলাম ময়না, তানিয়া মান্নান, লাইসা আহমদ লিসা, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস ও চন্দনা মজুমদারসহ একাধিক শিল্পী অংশ নেন।
একটি বিশেষ পর্বে সলিল চৌধুরী-এর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা, গীতিকার ও সুরকার মতলুব আলীর গানও পরিবেশিত হয়।
ছায়ানটের বিভিন্ন দলের সম্মিলিত পরিবেশনার পাশাপাশি শিশুদের দলীয় গান ও আবৃত্তিও ছিল আয়োজনের অংশ। ছাত্র, শিক্ষক ও জ্যেষ্ঠ শিল্পীসহ প্রায় ২০০ জন শিল্পী দুই ঘণ্টাব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ছয় দশকের বেশি সময় ধরে চলে আসা এই আয়োজন বাঙালির অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। সবশেষে ডা. সারওয়ার আলীর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে রাজধানীর রমনা বটমূলে ঐতিহ্যবাহী প্রভাতী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ছায়ানট। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর কবিতার পঙক্তি—‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৬টায় সম্মেলক কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রভাতী অনুষ্ঠান। এতে সংগীত ও আবৃত্তি মিলিয়ে মোট ২৪টি পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়, যার মধ্যে আটটি ছিল সম্মেলক সংগীত এবং বাকিগুলো একক পরিবেশনা।
একক সংগীতের পর্বে মাকসুদা আক্তার অন্তরা ‘এ কি সুন্দর শোভায় ভরা’, আজিজুর রহমান তুহিন ‘তোমার হলো শুরু, আমার হলো সারা’ পরিবেশন করেন। এছাড়া সেমন্তী মঞ্জরী, বিটু কুমার শীল ও শ্রাবন্তী ধরের পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে নাসিমা শাহীন ফ্যান্সি ‘জাগো আনন্দ যোগে’ এবং খায়রুল আনাম শাকিল ‘শিকল ভাঙার গান’ পরিবেশন করেন। পাশাপাশি শারমিন সাথী ইসলাম ময়না, তানিয়া মান্নান, লাইসা আহমদ লিসা, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস ও চন্দনা মজুমদারসহ একাধিক শিল্পী অংশ নেন।
একটি বিশেষ পর্বে সলিল চৌধুরী-এর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা, গীতিকার ও সুরকার মতলুব আলীর গানও পরিবেশিত হয়।
ছায়ানটের বিভিন্ন দলের সম্মিলিত পরিবেশনার পাশাপাশি শিশুদের দলীয় গান ও আবৃত্তিও ছিল আয়োজনের অংশ। ছাত্র, শিক্ষক ও জ্যেষ্ঠ শিল্পীসহ প্রায় ২০০ জন শিল্পী দুই ঘণ্টাব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ছয় দশকের বেশি সময় ধরে চলে আসা এই আয়োজন বাঙালির অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। সবশেষে ডা. সারওয়ার আলীর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে রাজধানীর রমনা বটমূলে ঐতিহ্যবাহী প্রভাতী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ছায়ানট। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর কবিতার পঙক্তি—‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৬টায় সম্মেলক কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রভাতী অনুষ্ঠান। এতে সংগীত ও আবৃত্তি মিলিয়ে মোট ২৪টি পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়, যার মধ্যে আটটি ছিল সম্মেলক সংগীত এবং বাকিগুলো একক পরিবেশনা।
একক সংগীতের পর্বে মাকসুদা আক্তার অন্তরা ‘এ কি সুন্দর শোভায় ভরা’, আজিজুর রহমান তুহিন ‘তোমার হলো শুরু, আমার হলো সারা’ পরিবেশন করেন। এছাড়া সেমন্তী মঞ্জরী, বিটু কুমার শীল ও শ্রাবন্তী ধরের পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে নাসিমা শাহীন ফ্যান্সি ‘জাগো আনন্দ যোগে’ এবং খায়রুল আনাম শাকিল ‘শিকল ভাঙার গান’ পরিবেশন করেন। পাশাপাশি শারমিন সাথী ইসলাম ময়না, তানিয়া মান্নান, লাইসা আহমদ লিসা, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস ও চন্দনা মজুমদারসহ একাধিক শিল্পী অংশ নেন।
একটি বিশেষ পর্বে সলিল চৌধুরী-এর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা, গীতিকার ও সুরকার মতলুব আলীর গানও পরিবেশিত হয়।
ছায়ানটের বিভিন্ন দলের সম্মিলিত পরিবেশনার পাশাপাশি শিশুদের দলীয় গান ও আবৃত্তিও ছিল আয়োজনের অংশ। ছাত্র, শিক্ষক ও জ্যেষ্ঠ শিল্পীসহ প্রায় ২০০ জন শিল্পী দুই ঘণ্টাব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ছয় দশকের বেশি সময় ধরে চলে আসা এই আয়োজন বাঙালির অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। সবশেষে ডা. সারওয়ার আলীর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে রাজধানীর রমনা বটমূলে ঐতিহ্যবাহী প্রভাতী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ছায়ানট। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর কবিতার পঙক্তি—‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৬টায় সম্মেলক কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রভাতী অনুষ্ঠান। এতে সংগীত ও আবৃত্তি মিলিয়ে মোট ২৪টি পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়, যার মধ্যে আটটি ছিল সম্মেলক সংগীত এবং বাকিগুলো একক পরিবেশনা।
একক সংগীতের পর্বে মাকসুদা আক্তার অন্তরা ‘এ কি সুন্দর শোভায় ভরা’, আজিজুর রহমান তুহিন ‘তোমার হলো শুরু, আমার হলো সারা’ পরিবেশন করেন। এছাড়া সেমন্তী মঞ্জরী, বিটু কুমার শীল ও শ্রাবন্তী ধরের পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে নাসিমা শাহীন ফ্যান্সি ‘জাগো আনন্দ যোগে’ এবং খায়রুল আনাম শাকিল ‘শিকল ভাঙার গান’ পরিবেশন করেন। পাশাপাশি শারমিন সাথী ইসলাম ময়না, তানিয়া মান্নান, লাইসা আহমদ লিসা, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস ও চন্দনা মজুমদারসহ একাধিক শিল্পী অংশ নেন।
একটি বিশেষ পর্বে সলিল চৌধুরী-এর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা, গীতিকার ও সুরকার মতলুব আলীর গানও পরিবেশিত হয়।
ছায়ানটের বিভিন্ন দলের সম্মিলিত পরিবেশনার পাশাপাশি শিশুদের দলীয় গান ও আবৃত্তিও ছিল আয়োজনের অংশ। ছাত্র, শিক্ষক ও জ্যেষ্ঠ শিল্পীসহ প্রায় ২০০ জন শিল্পী দুই ঘণ্টাব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ছয় দশকের বেশি সময় ধরে চলে আসা এই আয়োজন বাঙালির অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। সবশেষে ডা. সারওয়ার আলীর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!