
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ওমর ফারুক খানকে দেড় মাসের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল সোমবার (১৩ এপ্রিল) থেকে ৩০ মে পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নির্দেশেই তাকে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়েছে। সাধারণত কোনো এমডিকে অপসারণের ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নেয়। তবে এ ক্ষেত্রে আগেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে তাকে সরানোর বিষয়ে ইঙ্গিত ছিল বলে জানা গেছে।
এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এমডি ওমর ফারুক খান শারীরিক অসুস্থতার কারণে ১৫ দিনের ছুটি চেয়েছিলেন, যা ২৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই ছুটির সঙ্গে অতিরিক্ত সময় যুক্ত করে ১৩ এপ্রিল থেকে ৩০ মে পর্যন্ত বাধ্যতামূলক ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, এমন সময়ে তাকে ছুটিতে পাঠানো হলো, যখন তার নেতৃত্বে ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়ানোর পথে ছিল। গ্রাহকের আস্থা, রেমিট্যান্স ও আমানতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ব্যাংকের প্রতি আস্থা কমে গেলেও ইসলামী ব্যাংকের প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধারে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
রোববার ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের সভায় সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম জুবায়দুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। এতে এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক এস এম আব্দুল হামিদ, এমডি ওমর ফারুক খান এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ওমর ফারুক খানকে দেড় মাসের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল সোমবার (১৩ এপ্রিল) থেকে ৩০ মে পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নির্দেশেই তাকে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়েছে। সাধারণত কোনো এমডিকে অপসারণের ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নেয়। তবে এ ক্ষেত্রে আগেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে তাকে সরানোর বিষয়ে ইঙ্গিত ছিল বলে জানা গেছে।
এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এমডি ওমর ফারুক খান শারীরিক অসুস্থতার কারণে ১৫ দিনের ছুটি চেয়েছিলেন, যা ২৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই ছুটির সঙ্গে অতিরিক্ত সময় যুক্ত করে ১৩ এপ্রিল থেকে ৩০ মে পর্যন্ত বাধ্যতামূলক ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, এমন সময়ে তাকে ছুটিতে পাঠানো হলো, যখন তার নেতৃত্বে ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়ানোর পথে ছিল। গ্রাহকের আস্থা, রেমিট্যান্স ও আমানতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ব্যাংকের প্রতি আস্থা কমে গেলেও ইসলামী ব্যাংকের প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধারে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
রোববার ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের সভায় সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম জুবায়দুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। এতে এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক এস এম আব্দুল হামিদ, এমডি ওমর ফারুক খান এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ওমর ফারুক খানকে দেড় মাসের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল সোমবার (১৩ এপ্রিল) থেকে ৩০ মে পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নির্দেশেই তাকে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়েছে। সাধারণত কোনো এমডিকে অপসারণের ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নেয়। তবে এ ক্ষেত্রে আগেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে তাকে সরানোর বিষয়ে ইঙ্গিত ছিল বলে জানা গেছে।
এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এমডি ওমর ফারুক খান শারীরিক অসুস্থতার কারণে ১৫ দিনের ছুটি চেয়েছিলেন, যা ২৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই ছুটির সঙ্গে অতিরিক্ত সময় যুক্ত করে ১৩ এপ্রিল থেকে ৩০ মে পর্যন্ত বাধ্যতামূলক ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, এমন সময়ে তাকে ছুটিতে পাঠানো হলো, যখন তার নেতৃত্বে ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়ানোর পথে ছিল। গ্রাহকের আস্থা, রেমিট্যান্স ও আমানতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ব্যাংকের প্রতি আস্থা কমে গেলেও ইসলামী ব্যাংকের প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধারে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
রোববার ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের সভায় সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম জুবায়দুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। এতে এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক এস এম আব্দুল হামিদ, এমডি ওমর ফারুক খান এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ওমর ফারুক খানকে দেড় মাসের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল সোমবার (১৩ এপ্রিল) থেকে ৩০ মে পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নির্দেশেই তাকে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়েছে। সাধারণত কোনো এমডিকে অপসারণের ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নেয়। তবে এ ক্ষেত্রে আগেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে তাকে সরানোর বিষয়ে ইঙ্গিত ছিল বলে জানা গেছে।
এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এমডি ওমর ফারুক খান শারীরিক অসুস্থতার কারণে ১৫ দিনের ছুটি চেয়েছিলেন, যা ২৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই ছুটির সঙ্গে অতিরিক্ত সময় যুক্ত করে ১৩ এপ্রিল থেকে ৩০ মে পর্যন্ত বাধ্যতামূলক ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, এমন সময়ে তাকে ছুটিতে পাঠানো হলো, যখন তার নেতৃত্বে ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়ানোর পথে ছিল। গ্রাহকের আস্থা, রেমিট্যান্স ও আমানতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ব্যাংকের প্রতি আস্থা কমে গেলেও ইসলামী ব্যাংকের প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধারে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
রোববার ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের সভায় সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম জুবায়দুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। এতে এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক এস এম আব্দুল হামিদ, এমডি ওমর ফারুক খান এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!