ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের মন্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে চলছে তীব্র সমালোচনা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও ক্ষোভ যেন থামছেই না।
এবার এই প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক এজিএস মহিউদ্দীন খান।
তিনি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা একাডেমিক নয়, সমস্যা মূলত আপনাদের রাজনৈতিক নষ্টামিতে।’
মহিউদ্দীন খান প্রতিমন্ত্রীর দ্বিমুখী নীতির সমালোচনা করে লেখেন, ‘শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলছেন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা (স্টেট সাবসিডাইজড) পাওয়া সত্ত্বেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় ভালো করতে পারছে না। অথচ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চলমান দলীয় সন্ত্রাস আর ক্যাম্পাসের ভেতরের অমানবিক জীবনাচরণ তিনি সযত্নে এড়িয়ে যাচ্ছেন। কারণ, এসব সত্যি কথা বললে তো আর তার চাকরি থাকবে না।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ববি হাজ্জাজরা এমন একটি দল ও সরকারের প্রতিনিধিত্ব করছেন, যারা দীর্ঘ দিন ধরে সারাদেশেই ঢালাওভাবে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে; যার বাইরে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও নয়। বর্তমান বা বিগত কোনো সরকারই এ দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মৌলিক প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে পারেনি। প্রতিমন্ত্রীর এই ধরণের কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্যই প্রমাণ করে যে তার মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন বা সংস্কারে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে না।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘কোচিং সেন্টার’ হিসেবে অভিহিত করার পর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার, বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন এবং ছাত্রসমাজ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়, যার ধারাবাহিকতায় ডাকসুর এই সাবেক ছাত্রনেতা নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের মন্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে চলছে তীব্র সমালোচনা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও ক্ষোভ যেন থামছেই না।
এবার এই প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক এজিএস মহিউদ্দীন খান।
তিনি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা একাডেমিক নয়, সমস্যা মূলত আপনাদের রাজনৈতিক নষ্টামিতে।’
মহিউদ্দীন খান প্রতিমন্ত্রীর দ্বিমুখী নীতির সমালোচনা করে লেখেন, ‘শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলছেন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা (স্টেট সাবসিডাইজড) পাওয়া সত্ত্বেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় ভালো করতে পারছে না। অথচ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চলমান দলীয় সন্ত্রাস আর ক্যাম্পাসের ভেতরের অমানবিক জীবনাচরণ তিনি সযত্নে এড়িয়ে যাচ্ছেন। কারণ, এসব সত্যি কথা বললে তো আর তার চাকরি থাকবে না।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ববি হাজ্জাজরা এমন একটি দল ও সরকারের প্রতিনিধিত্ব করছেন, যারা দীর্ঘ দিন ধরে সারাদেশেই ঢালাওভাবে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে; যার বাইরে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও নয়। বর্তমান বা বিগত কোনো সরকারই এ দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মৌলিক প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে পারেনি। প্রতিমন্ত্রীর এই ধরণের কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্যই প্রমাণ করে যে তার মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন বা সংস্কারে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে না।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘কোচিং সেন্টার’ হিসেবে অভিহিত করার পর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার, বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন এবং ছাত্রসমাজ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়, যার ধারাবাহিকতায় ডাকসুর এই সাবেক ছাত্রনেতা নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের মন্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে চলছে তীব্র সমালোচনা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও ক্ষোভ যেন থামছেই না।
এবার এই প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক এজিএস মহিউদ্দীন খান।
তিনি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা একাডেমিক নয়, সমস্যা মূলত আপনাদের রাজনৈতিক নষ্টামিতে।’
মহিউদ্দীন খান প্রতিমন্ত্রীর দ্বিমুখী নীতির সমালোচনা করে লেখেন, ‘শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলছেন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা (স্টেট সাবসিডাইজড) পাওয়া সত্ত্বেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় ভালো করতে পারছে না। অথচ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চলমান দলীয় সন্ত্রাস আর ক্যাম্পাসের ভেতরের অমানবিক জীবনাচরণ তিনি সযত্নে এড়িয়ে যাচ্ছেন। কারণ, এসব সত্যি কথা বললে তো আর তার চাকরি থাকবে না।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ববি হাজ্জাজরা এমন একটি দল ও সরকারের প্রতিনিধিত্ব করছেন, যারা দীর্ঘ দিন ধরে সারাদেশেই ঢালাওভাবে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে; যার বাইরে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও নয়। বর্তমান বা বিগত কোনো সরকারই এ দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মৌলিক প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে পারেনি। প্রতিমন্ত্রীর এই ধরণের কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্যই প্রমাণ করে যে তার মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন বা সংস্কারে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে না।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘কোচিং সেন্টার’ হিসেবে অভিহিত করার পর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার, বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন এবং ছাত্রসমাজ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়, যার ধারাবাহিকতায় ডাকসুর এই সাবেক ছাত্রনেতা নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের মন্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে চলছে তীব্র সমালোচনা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও ক্ষোভ যেন থামছেই না।
এবার এই প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক এজিএস মহিউদ্দীন খান।
তিনি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা একাডেমিক নয়, সমস্যা মূলত আপনাদের রাজনৈতিক নষ্টামিতে।’
মহিউদ্দীন খান প্রতিমন্ত্রীর দ্বিমুখী নীতির সমালোচনা করে লেখেন, ‘শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলছেন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা (স্টেট সাবসিডাইজড) পাওয়া সত্ত্বেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় ভালো করতে পারছে না। অথচ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চলমান দলীয় সন্ত্রাস আর ক্যাম্পাসের ভেতরের অমানবিক জীবনাচরণ তিনি সযত্নে এড়িয়ে যাচ্ছেন। কারণ, এসব সত্যি কথা বললে তো আর তার চাকরি থাকবে না।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ববি হাজ্জাজরা এমন একটি দল ও সরকারের প্রতিনিধিত্ব করছেন, যারা দীর্ঘ দিন ধরে সারাদেশেই ঢালাওভাবে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে; যার বাইরে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও নয়। বর্তমান বা বিগত কোনো সরকারই এ দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মৌলিক প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে পারেনি। প্রতিমন্ত্রীর এই ধরণের কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্যই প্রমাণ করে যে তার মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন বা সংস্কারে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে না।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘কোচিং সেন্টার’ হিসেবে অভিহিত করার পর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার, বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন এবং ছাত্রসমাজ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়, যার ধারাবাহিকতায় ডাকসুর এই সাবেক ছাত্রনেতা নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!