দেশের বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে সুনামগঞ্জ জেলায়, যেখানে পৃথক ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলায় বজ্রপাতের এসব ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাওরে ধান কাটতে গিয়ে জামালগঞ্জে নূর জামাল নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। একই সময় ধর্মপাশায় ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কলেজশিক্ষার্থী হবিবুর রহমান নিহত হন। এছাড়া ধর্মপাশার আরেক ঘটনায় রহমত উল্লাহ নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে এবং দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাহিরপুরে মাটিয়ান হাওরে হাঁসের খামার দেখাশোনা করতে গিয়ে বজ্রপাতে আবুল কালাম নিহত হন এবং একজন গুরুতর আহত হন। অন্যদিকে দিরাই উপজেলার একটি বিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে লিটন মিয়া নিহত হন। জেলার বিভিন্ন স্থানে আহত অন্তত ৭ জনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিলেটসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় একটি মৎস্য খামারে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে মিলন মিয়া ও আবু তালেব নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলায় গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আলতু মিয়া নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহে পৃথক ঘটনায় দুইজন এবং হবিগঞ্জে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং সরকারিভাবে সহায়তা প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে। আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হঠাৎ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রপাতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষজ্ঞরা ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা মাঠ, হাওর ও জলাশয়ে অবস্থান না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
দেশের বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে সুনামগঞ্জ জেলায়, যেখানে পৃথক ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলায় বজ্রপাতের এসব ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাওরে ধান কাটতে গিয়ে জামালগঞ্জে নূর জামাল নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। একই সময় ধর্মপাশায় ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কলেজশিক্ষার্থী হবিবুর রহমান নিহত হন। এছাড়া ধর্মপাশার আরেক ঘটনায় রহমত উল্লাহ নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে এবং দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাহিরপুরে মাটিয়ান হাওরে হাঁসের খামার দেখাশোনা করতে গিয়ে বজ্রপাতে আবুল কালাম নিহত হন এবং একজন গুরুতর আহত হন। অন্যদিকে দিরাই উপজেলার একটি বিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে লিটন মিয়া নিহত হন। জেলার বিভিন্ন স্থানে আহত অন্তত ৭ জনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিলেটসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় একটি মৎস্য খামারে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে মিলন মিয়া ও আবু তালেব নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলায় গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আলতু মিয়া নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহে পৃথক ঘটনায় দুইজন এবং হবিগঞ্জে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং সরকারিভাবে সহায়তা প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে। আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হঠাৎ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রপাতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষজ্ঞরা ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা মাঠ, হাওর ও জলাশয়ে অবস্থান না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
দেশের বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে সুনামগঞ্জ জেলায়, যেখানে পৃথক ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলায় বজ্রপাতের এসব ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাওরে ধান কাটতে গিয়ে জামালগঞ্জে নূর জামাল নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। একই সময় ধর্মপাশায় ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কলেজশিক্ষার্থী হবিবুর রহমান নিহত হন। এছাড়া ধর্মপাশার আরেক ঘটনায় রহমত উল্লাহ নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে এবং দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাহিরপুরে মাটিয়ান হাওরে হাঁসের খামার দেখাশোনা করতে গিয়ে বজ্রপাতে আবুল কালাম নিহত হন এবং একজন গুরুতর আহত হন। অন্যদিকে দিরাই উপজেলার একটি বিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে লিটন মিয়া নিহত হন। জেলার বিভিন্ন স্থানে আহত অন্তত ৭ জনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিলেটসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় একটি মৎস্য খামারে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে মিলন মিয়া ও আবু তালেব নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলায় গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আলতু মিয়া নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহে পৃথক ঘটনায় দুইজন এবং হবিগঞ্জে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং সরকারিভাবে সহায়তা প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে। আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হঠাৎ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রপাতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষজ্ঞরা ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা মাঠ, হাওর ও জলাশয়ে অবস্থান না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
দেশের বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে সুনামগঞ্জ জেলায়, যেখানে পৃথক ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলায় বজ্রপাতের এসব ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাওরে ধান কাটতে গিয়ে জামালগঞ্জে নূর জামাল নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। একই সময় ধর্মপাশায় ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কলেজশিক্ষার্থী হবিবুর রহমান নিহত হন। এছাড়া ধর্মপাশার আরেক ঘটনায় রহমত উল্লাহ নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে এবং দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাহিরপুরে মাটিয়ান হাওরে হাঁসের খামার দেখাশোনা করতে গিয়ে বজ্রপাতে আবুল কালাম নিহত হন এবং একজন গুরুতর আহত হন। অন্যদিকে দিরাই উপজেলার একটি বিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে লিটন মিয়া নিহত হন। জেলার বিভিন্ন স্থানে আহত অন্তত ৭ জনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিলেটসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় একটি মৎস্য খামারে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে মিলন মিয়া ও আবু তালেব নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলায় গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আলতু মিয়া নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহে পৃথক ঘটনায় দুইজন এবং হবিগঞ্জে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং সরকারিভাবে সহায়তা প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে। আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হঠাৎ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রপাতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষজ্ঞরা ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা মাঠ, হাওর ও জলাশয়ে অবস্থান না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!