
সীমানা পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে ভোটের সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মহামান্য আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এই দুই আসনে আপাতত কোনো ধরনের নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।
তিনি বলেন, ‘আদালত আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন পাবনা-১ ও ২ আসনে ভোট সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম না করা হয়। সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এতে সাঁথিয়া উপজেলার পুরো অংশ নিয়ে পাবনা-১ এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা নিয়ে পাবনা-২ আসন নির্ধারণ করা হয়।
তবে এ পুনর্বিন্যাসের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম ও সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ১৭ সেপ্টেম্বর রুল জারি করা হয় এবং ১৮ ডিসেম্বর রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে পাবনা-১ ও ২ আসনের আগের সীমানা পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে আগের সীমানা বহাল রাখে। তবে এ সিদ্ধান্ত স্থগিত চেয়ে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (নাজিব মোমেন) ও নির্বাচন কমিশন পৃথকভাবে আপিল করেন।
চূড়ান্তভাবে চলতি মাসের ৫ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ইসির ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির অংশবিশেষ স্থগিত করেন। এর ফলে আইনি জটিলতা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত পাবনা-১ ও ২ আসনে ভোটের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর হলো।

সীমানা পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে ভোটের সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মহামান্য আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এই দুই আসনে আপাতত কোনো ধরনের নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।
তিনি বলেন, ‘আদালত আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন পাবনা-১ ও ২ আসনে ভোট সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম না করা হয়। সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এতে সাঁথিয়া উপজেলার পুরো অংশ নিয়ে পাবনা-১ এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা নিয়ে পাবনা-২ আসন নির্ধারণ করা হয়।
তবে এ পুনর্বিন্যাসের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম ও সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ১৭ সেপ্টেম্বর রুল জারি করা হয় এবং ১৮ ডিসেম্বর রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে পাবনা-১ ও ২ আসনের আগের সীমানা পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে আগের সীমানা বহাল রাখে। তবে এ সিদ্ধান্ত স্থগিত চেয়ে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (নাজিব মোমেন) ও নির্বাচন কমিশন পৃথকভাবে আপিল করেন।
চূড়ান্তভাবে চলতি মাসের ৫ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ইসির ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির অংশবিশেষ স্থগিত করেন। এর ফলে আইনি জটিলতা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত পাবনা-১ ও ২ আসনে ভোটের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর হলো।

সীমানা পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে ভোটের সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মহামান্য আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এই দুই আসনে আপাতত কোনো ধরনের নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।
তিনি বলেন, ‘আদালত আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন পাবনা-১ ও ২ আসনে ভোট সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম না করা হয়। সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এতে সাঁথিয়া উপজেলার পুরো অংশ নিয়ে পাবনা-১ এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা নিয়ে পাবনা-২ আসন নির্ধারণ করা হয়।
তবে এ পুনর্বিন্যাসের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম ও সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ১৭ সেপ্টেম্বর রুল জারি করা হয় এবং ১৮ ডিসেম্বর রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে পাবনা-১ ও ২ আসনের আগের সীমানা পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে আগের সীমানা বহাল রাখে। তবে এ সিদ্ধান্ত স্থগিত চেয়ে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (নাজিব মোমেন) ও নির্বাচন কমিশন পৃথকভাবে আপিল করেন।
চূড়ান্তভাবে চলতি মাসের ৫ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ইসির ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির অংশবিশেষ স্থগিত করেন। এর ফলে আইনি জটিলতা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত পাবনা-১ ও ২ আসনে ভোটের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর হলো।

সীমানা পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে ভোটের সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মহামান্য আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এই দুই আসনে আপাতত কোনো ধরনের নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।
তিনি বলেন, ‘আদালত আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন পাবনা-১ ও ২ আসনে ভোট সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম না করা হয়। সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এতে সাঁথিয়া উপজেলার পুরো অংশ নিয়ে পাবনা-১ এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা নিয়ে পাবনা-২ আসন নির্ধারণ করা হয়।
তবে এ পুনর্বিন্যাসের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম ও সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ১৭ সেপ্টেম্বর রুল জারি করা হয় এবং ১৮ ডিসেম্বর রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে পাবনা-১ ও ২ আসনের আগের সীমানা পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে আগের সীমানা বহাল রাখে। তবে এ সিদ্ধান্ত স্থগিত চেয়ে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (নাজিব মোমেন) ও নির্বাচন কমিশন পৃথকভাবে আপিল করেন।
চূড়ান্তভাবে চলতি মাসের ৫ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ইসির ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির অংশবিশেষ স্থগিত করেন। এর ফলে আইনি জটিলতা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত পাবনা-১ ও ২ আসনে ভোটের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর হলো।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!