
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত যুবকের নাম নুর কামাল (২৫)। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) মধ্যরাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া ২৬ নম্বর নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আই-ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নুর কামাল ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (এডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদার জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নুর কামালের সঙ্গে প্রতিপক্ষ গ্রুপের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এরই জেরে শুক্রবার মধ্যরাতে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষ হয়।
পুলিশ জানায়, নিহত নুর কামাল একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ছিলেন। তিনি নিজের নামে একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকায় ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সংঘর্ষের সময় তার সঙ্গে ডাকাত সাদ্দাম গ্রুপের গোলাগুলি হয়।
এডিআইজি কাউছার সিকদার বলেন, সংঘর্ষের একপর্যায়ে নুর কামাল গুলিবিদ্ধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ক্যাম্পের একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে এপিবিএনের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও ততক্ষণে সংঘর্ষে জড়িত দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনা বলে ধারণা করা হলেও তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত যুবকের নাম নুর কামাল (২৫)। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) মধ্যরাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া ২৬ নম্বর নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আই-ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নুর কামাল ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (এডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদার জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নুর কামালের সঙ্গে প্রতিপক্ষ গ্রুপের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এরই জেরে শুক্রবার মধ্যরাতে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষ হয়।
পুলিশ জানায়, নিহত নুর কামাল একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ছিলেন। তিনি নিজের নামে একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকায় ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সংঘর্ষের সময় তার সঙ্গে ডাকাত সাদ্দাম গ্রুপের গোলাগুলি হয়।
এডিআইজি কাউছার সিকদার বলেন, সংঘর্ষের একপর্যায়ে নুর কামাল গুলিবিদ্ধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ক্যাম্পের একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে এপিবিএনের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও ততক্ষণে সংঘর্ষে জড়িত দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনা বলে ধারণা করা হলেও তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত যুবকের নাম নুর কামাল (২৫)। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) মধ্যরাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া ২৬ নম্বর নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আই-ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নুর কামাল ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (এডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদার জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নুর কামালের সঙ্গে প্রতিপক্ষ গ্রুপের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এরই জেরে শুক্রবার মধ্যরাতে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষ হয়।
পুলিশ জানায়, নিহত নুর কামাল একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ছিলেন। তিনি নিজের নামে একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকায় ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সংঘর্ষের সময় তার সঙ্গে ডাকাত সাদ্দাম গ্রুপের গোলাগুলি হয়।
এডিআইজি কাউছার সিকদার বলেন, সংঘর্ষের একপর্যায়ে নুর কামাল গুলিবিদ্ধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ক্যাম্পের একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে এপিবিএনের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও ততক্ষণে সংঘর্ষে জড়িত দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনা বলে ধারণা করা হলেও তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত যুবকের নাম নুর কামাল (২৫)। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) মধ্যরাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া ২৬ নম্বর নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আই-ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নুর কামাল ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (এডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদার জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নুর কামালের সঙ্গে প্রতিপক্ষ গ্রুপের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এরই জেরে শুক্রবার মধ্যরাতে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষ হয়।
পুলিশ জানায়, নিহত নুর কামাল একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ছিলেন। তিনি নিজের নামে একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকায় ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সংঘর্ষের সময় তার সঙ্গে ডাকাত সাদ্দাম গ্রুপের গোলাগুলি হয়।
এডিআইজি কাউছার সিকদার বলেন, সংঘর্ষের একপর্যায়ে নুর কামাল গুলিবিদ্ধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ক্যাম্পের একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে এপিবিএনের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও ততক্ষণে সংঘর্ষে জড়িত দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনা বলে ধারণা করা হলেও তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!