
কুষ্টিয়া জেলাজুড়ে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র এমনকি বেসরকারি ফার্মেসিতেও দীর্ঘদিন ধরে এই ভ্যাকসিন মিলছে না। ফলে কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর কামড়ে আক্রান্ত রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২১ নভেম্বর হাসপাতালের জলাতঙ্ক বিভাগে ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায়। বর্তমানে প্রতিদিন শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিতে এলেও সবাইকে বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে আনতে হচ্ছে।
ভ্যাকসিন সংকটে অনেক রোগী ঝিনাইদহ, রাজশাহী এমনকি ঢাকা থেকেও আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করছেন। এতে একদিকে সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয় ও ঝুঁকি।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম জানান, প্রায় ছয় মাস ধরে সরকারি পর্যায়ে র্যাবিস ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি ওষুধ কোম্পানিগুলোও নিয়মিত ভ্যাকসিন দিতে পারছে না। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
তিনি বলেন, জলাতঙ্ক একটি মারাত্মক রোগ। সময়মতো ভ্যাকসিন না নিলে মৃত্যু অনিবার্য। সংকট নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ভ্যাকসিন সংকট দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা।

কুষ্টিয়া জেলাজুড়ে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র এমনকি বেসরকারি ফার্মেসিতেও দীর্ঘদিন ধরে এই ভ্যাকসিন মিলছে না। ফলে কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর কামড়ে আক্রান্ত রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২১ নভেম্বর হাসপাতালের জলাতঙ্ক বিভাগে ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায়। বর্তমানে প্রতিদিন শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিতে এলেও সবাইকে বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে আনতে হচ্ছে।
ভ্যাকসিন সংকটে অনেক রোগী ঝিনাইদহ, রাজশাহী এমনকি ঢাকা থেকেও আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করছেন। এতে একদিকে সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয় ও ঝুঁকি।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম জানান, প্রায় ছয় মাস ধরে সরকারি পর্যায়ে র্যাবিস ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি ওষুধ কোম্পানিগুলোও নিয়মিত ভ্যাকসিন দিতে পারছে না। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
তিনি বলেন, জলাতঙ্ক একটি মারাত্মক রোগ। সময়মতো ভ্যাকসিন না নিলে মৃত্যু অনিবার্য। সংকট নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ভ্যাকসিন সংকট দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা।

কুষ্টিয়া জেলাজুড়ে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র এমনকি বেসরকারি ফার্মেসিতেও দীর্ঘদিন ধরে এই ভ্যাকসিন মিলছে না। ফলে কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর কামড়ে আক্রান্ত রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২১ নভেম্বর হাসপাতালের জলাতঙ্ক বিভাগে ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায়। বর্তমানে প্রতিদিন শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিতে এলেও সবাইকে বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে আনতে হচ্ছে।
ভ্যাকসিন সংকটে অনেক রোগী ঝিনাইদহ, রাজশাহী এমনকি ঢাকা থেকেও আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করছেন। এতে একদিকে সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয় ও ঝুঁকি।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম জানান, প্রায় ছয় মাস ধরে সরকারি পর্যায়ে র্যাবিস ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি ওষুধ কোম্পানিগুলোও নিয়মিত ভ্যাকসিন দিতে পারছে না। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
তিনি বলেন, জলাতঙ্ক একটি মারাত্মক রোগ। সময়মতো ভ্যাকসিন না নিলে মৃত্যু অনিবার্য। সংকট নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ভ্যাকসিন সংকট দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা।

কুষ্টিয়া জেলাজুড়ে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র এমনকি বেসরকারি ফার্মেসিতেও দীর্ঘদিন ধরে এই ভ্যাকসিন মিলছে না। ফলে কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর কামড়ে আক্রান্ত রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২১ নভেম্বর হাসপাতালের জলাতঙ্ক বিভাগে ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায়। বর্তমানে প্রতিদিন শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিতে এলেও সবাইকে বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে আনতে হচ্ছে।
ভ্যাকসিন সংকটে অনেক রোগী ঝিনাইদহ, রাজশাহী এমনকি ঢাকা থেকেও আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করছেন। এতে একদিকে সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয় ও ঝুঁকি।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম জানান, প্রায় ছয় মাস ধরে সরকারি পর্যায়ে র্যাবিস ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি ওষুধ কোম্পানিগুলোও নিয়মিত ভ্যাকসিন দিতে পারছে না। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
তিনি বলেন, জলাতঙ্ক একটি মারাত্মক রোগ। সময়মতো ভ্যাকসিন না নিলে মৃত্যু অনিবার্য। সংকট নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ভ্যাকসিন সংকট দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!