
বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জানিয়েছেন, তিনি বাংলাদেশে ফিরতে পেরে ভীষণ আনন্দিত। ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) ও ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে প্রকাশিত ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ নেওয়া ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে স্বাগত জানাতে পেরে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আনন্দিত।
রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের বরাত দিয়ে পোস্টে বলা হয়, ‘যে দেশটির সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই বাংলাদেশে ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দিতে পারব—এতে আমি উচ্ছ্বসিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লক্ষ্য বাস্তবায়নে অবদান রাখতে এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
এর আগে ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ নেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা ও সম্পদবিষয়ক উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল জে রিগাস তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় অনুযায়ী শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে এ শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে অনুমোদন দেয়। তিনি ঢাকায় নিযুক্ত ১৮তম মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার হাসের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন একজন জ্যেষ্ঠ ফরেন সার্ভিস কর্মকর্তা। তিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়া ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডে বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার অন্যান্য কর্মস্থলের মধ্যে ম্যানিলা, সান সালভাদর, রিয়াদ ও হো চি মিন সিটি উল্লেখযোগ্য। তিনি ন্যাশনাল ওয়ার কলেজ থেকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
এর আগে ঢাকায় সর্বশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন পিটার হাস। তিনি ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তার বিদায়ের পর কিছুদিন রাষ্ট্রদূতের পদটি শূন্য ছিল। এ সময়ে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জানিয়েছেন, তিনি বাংলাদেশে ফিরতে পেরে ভীষণ আনন্দিত। ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) ও ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে প্রকাশিত ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ নেওয়া ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে স্বাগত জানাতে পেরে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আনন্দিত।
রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের বরাত দিয়ে পোস্টে বলা হয়, ‘যে দেশটির সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই বাংলাদেশে ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দিতে পারব—এতে আমি উচ্ছ্বসিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লক্ষ্য বাস্তবায়নে অবদান রাখতে এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
এর আগে ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ নেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা ও সম্পদবিষয়ক উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল জে রিগাস তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় অনুযায়ী শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে এ শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে অনুমোদন দেয়। তিনি ঢাকায় নিযুক্ত ১৮তম মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার হাসের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন একজন জ্যেষ্ঠ ফরেন সার্ভিস কর্মকর্তা। তিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়া ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডে বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার অন্যান্য কর্মস্থলের মধ্যে ম্যানিলা, সান সালভাদর, রিয়াদ ও হো চি মিন সিটি উল্লেখযোগ্য। তিনি ন্যাশনাল ওয়ার কলেজ থেকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
এর আগে ঢাকায় সর্বশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন পিটার হাস। তিনি ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তার বিদায়ের পর কিছুদিন রাষ্ট্রদূতের পদটি শূন্য ছিল। এ সময়ে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জানিয়েছেন, তিনি বাংলাদেশে ফিরতে পেরে ভীষণ আনন্দিত। ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) ও ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে প্রকাশিত ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ নেওয়া ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে স্বাগত জানাতে পেরে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আনন্দিত।
রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের বরাত দিয়ে পোস্টে বলা হয়, ‘যে দেশটির সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই বাংলাদেশে ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দিতে পারব—এতে আমি উচ্ছ্বসিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লক্ষ্য বাস্তবায়নে অবদান রাখতে এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
এর আগে ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ নেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা ও সম্পদবিষয়ক উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল জে রিগাস তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় অনুযায়ী শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে এ শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে অনুমোদন দেয়। তিনি ঢাকায় নিযুক্ত ১৮তম মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার হাসের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন একজন জ্যেষ্ঠ ফরেন সার্ভিস কর্মকর্তা। তিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়া ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডে বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার অন্যান্য কর্মস্থলের মধ্যে ম্যানিলা, সান সালভাদর, রিয়াদ ও হো চি মিন সিটি উল্লেখযোগ্য। তিনি ন্যাশনাল ওয়ার কলেজ থেকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
এর আগে ঢাকায় সর্বশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন পিটার হাস। তিনি ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তার বিদায়ের পর কিছুদিন রাষ্ট্রদূতের পদটি শূন্য ছিল। এ সময়ে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জানিয়েছেন, তিনি বাংলাদেশে ফিরতে পেরে ভীষণ আনন্দিত। ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) ও ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে প্রকাশিত ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ নেওয়া ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে স্বাগত জানাতে পেরে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আনন্দিত।
রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের বরাত দিয়ে পোস্টে বলা হয়, ‘যে দেশটির সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই বাংলাদেশে ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দিতে পারব—এতে আমি উচ্ছ্বসিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লক্ষ্য বাস্তবায়নে অবদান রাখতে এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
এর আগে ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ নেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা ও সম্পদবিষয়ক উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল জে রিগাস তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় অনুযায়ী শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে এ শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে অনুমোদন দেয়। তিনি ঢাকায় নিযুক্ত ১৮তম মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার হাসের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন একজন জ্যেষ্ঠ ফরেন সার্ভিস কর্মকর্তা। তিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়া ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডে বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার অন্যান্য কর্মস্থলের মধ্যে ম্যানিলা, সান সালভাদর, রিয়াদ ও হো চি মিন সিটি উল্লেখযোগ্য। তিনি ন্যাশনাল ওয়ার কলেজ থেকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
এর আগে ঢাকায় সর্বশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন পিটার হাস। তিনি ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তার বিদায়ের পর কিছুদিন রাষ্ট্রদূতের পদটি শূন্য ছিল। এ সময়ে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!