
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেছেন, গুটিকয়েক খারাপ সাংবাদিকের জন্য পুরো সাংবাদিক সমাজকে দোষারোপ করা যাবে না। আমরা দেশের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছি। ইতোমধ্যে ৩৩টি জেলার তালিকা যাচাই-বাছাই চলছে।
বুধবার (৬ মে) রাতে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। কক্সবাজার প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন এ সভার আয়োজন করে।
এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেন, সাংবাদিকরা আজও নিজেদের অধিকার সম্পর্কে অসচেতন। আপনারা আপনাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হোন। আমরা ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইনের মধ্যে আছি। কিন্তু এটি যুগোপযোগী করা জরুরি।
প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন যতদিন থাকবে, ততদিন এ পেশার মান নিম্নগামী হবে। তিনি সাংবাদিকদের পেশাদারত্ব বজায় রেখে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেন, দেশে বর্তমানে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকারও প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, কক্সবাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা এবং এখানে প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান অত্যন্ত ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক।
প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বলেন, দেশে সাম্প্রতিক সময়ে নানা পরিবর্তন ঘটেছে। এ কারণে প্রেস কাউন্সিলের কার্যক্রম ও সভা-সমাবেশ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা হচ্ছে।
এ কে এম আব্দুল হাকিম জানান, প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনের প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হলেও চেয়ারম্যানের একার পক্ষে সব কিছু করা সম্ভব নয়।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রেস কাউন্সিলের সচিব আব্দুস সবুর বলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল সাংবাদিকদের অভিভাবক প্রতিষ্ঠান। জনবলসহ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকলেও গুণগত দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটি পিছিয়ে নয়।
আব্দুস সবুর বলেন, সাংবাদিকতা একটি শ্রমনির্ভর পেশা হলেও এর তুলনায় সম্মান ও প্রাপ্তি এখনো পর্যাপ্ত নয়। তবে সরকার এ বিষয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
আব্দুস সবুর আরও বলেন, প্রেসক্লাব হচ্ছে সাংবাদিকদের মিলনমেলা। ঐক্যবদ্ধ থাকলে নিজেদের অধিকার আদায় সহজ হবে। মফস্বলের সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও মোটিভেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি জানান, পিআইবি এ ধরনের মৌলিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নামমাত্র মূল্যে প্রেসক্লাবের জন্য জমি লিজ দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
কক্সবাজার প্রেসক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক এম আর মাহবুবের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, প্রেসক্লাবের সদস্য শামসুল হক শারেক, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাফর ও জেলা তথ্য অফিসার আব্দুস সত্তার। সূত্র: বাসস।

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেছেন, গুটিকয়েক খারাপ সাংবাদিকের জন্য পুরো সাংবাদিক সমাজকে দোষারোপ করা যাবে না। আমরা দেশের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছি। ইতোমধ্যে ৩৩টি জেলার তালিকা যাচাই-বাছাই চলছে।
বুধবার (৬ মে) রাতে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। কক্সবাজার প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন এ সভার আয়োজন করে।
এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেন, সাংবাদিকরা আজও নিজেদের অধিকার সম্পর্কে অসচেতন। আপনারা আপনাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হোন। আমরা ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইনের মধ্যে আছি। কিন্তু এটি যুগোপযোগী করা জরুরি।
প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন যতদিন থাকবে, ততদিন এ পেশার মান নিম্নগামী হবে। তিনি সাংবাদিকদের পেশাদারত্ব বজায় রেখে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেন, দেশে বর্তমানে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকারও প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, কক্সবাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা এবং এখানে প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান অত্যন্ত ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক।
প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বলেন, দেশে সাম্প্রতিক সময়ে নানা পরিবর্তন ঘটেছে। এ কারণে প্রেস কাউন্সিলের কার্যক্রম ও সভা-সমাবেশ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা হচ্ছে।
এ কে এম আব্দুল হাকিম জানান, প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনের প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হলেও চেয়ারম্যানের একার পক্ষে সব কিছু করা সম্ভব নয়।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রেস কাউন্সিলের সচিব আব্দুস সবুর বলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল সাংবাদিকদের অভিভাবক প্রতিষ্ঠান। জনবলসহ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকলেও গুণগত দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটি পিছিয়ে নয়।
আব্দুস সবুর বলেন, সাংবাদিকতা একটি শ্রমনির্ভর পেশা হলেও এর তুলনায় সম্মান ও প্রাপ্তি এখনো পর্যাপ্ত নয়। তবে সরকার এ বিষয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
আব্দুস সবুর আরও বলেন, প্রেসক্লাব হচ্ছে সাংবাদিকদের মিলনমেলা। ঐক্যবদ্ধ থাকলে নিজেদের অধিকার আদায় সহজ হবে। মফস্বলের সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও মোটিভেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি জানান, পিআইবি এ ধরনের মৌলিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নামমাত্র মূল্যে প্রেসক্লাবের জন্য জমি লিজ দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
কক্সবাজার প্রেসক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক এম আর মাহবুবের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, প্রেসক্লাবের সদস্য শামসুল হক শারেক, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাফর ও জেলা তথ্য অফিসার আব্দুস সত্তার। সূত্র: বাসস।

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেছেন, গুটিকয়েক খারাপ সাংবাদিকের জন্য পুরো সাংবাদিক সমাজকে দোষারোপ করা যাবে না। আমরা দেশের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছি। ইতোমধ্যে ৩৩টি জেলার তালিকা যাচাই-বাছাই চলছে।
বুধবার (৬ মে) রাতে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। কক্সবাজার প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন এ সভার আয়োজন করে।
এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেন, সাংবাদিকরা আজও নিজেদের অধিকার সম্পর্কে অসচেতন। আপনারা আপনাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হোন। আমরা ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইনের মধ্যে আছি। কিন্তু এটি যুগোপযোগী করা জরুরি।
প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন যতদিন থাকবে, ততদিন এ পেশার মান নিম্নগামী হবে। তিনি সাংবাদিকদের পেশাদারত্ব বজায় রেখে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেন, দেশে বর্তমানে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকারও প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, কক্সবাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা এবং এখানে প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান অত্যন্ত ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক।
প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বলেন, দেশে সাম্প্রতিক সময়ে নানা পরিবর্তন ঘটেছে। এ কারণে প্রেস কাউন্সিলের কার্যক্রম ও সভা-সমাবেশ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা হচ্ছে।
এ কে এম আব্দুল হাকিম জানান, প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনের প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হলেও চেয়ারম্যানের একার পক্ষে সব কিছু করা সম্ভব নয়।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রেস কাউন্সিলের সচিব আব্দুস সবুর বলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল সাংবাদিকদের অভিভাবক প্রতিষ্ঠান। জনবলসহ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকলেও গুণগত দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটি পিছিয়ে নয়।
আব্দুস সবুর বলেন, সাংবাদিকতা একটি শ্রমনির্ভর পেশা হলেও এর তুলনায় সম্মান ও প্রাপ্তি এখনো পর্যাপ্ত নয়। তবে সরকার এ বিষয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
আব্দুস সবুর আরও বলেন, প্রেসক্লাব হচ্ছে সাংবাদিকদের মিলনমেলা। ঐক্যবদ্ধ থাকলে নিজেদের অধিকার আদায় সহজ হবে। মফস্বলের সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও মোটিভেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি জানান, পিআইবি এ ধরনের মৌলিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নামমাত্র মূল্যে প্রেসক্লাবের জন্য জমি লিজ দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
কক্সবাজার প্রেসক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক এম আর মাহবুবের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, প্রেসক্লাবের সদস্য শামসুল হক শারেক, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাফর ও জেলা তথ্য অফিসার আব্দুস সত্তার। সূত্র: বাসস।

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেছেন, গুটিকয়েক খারাপ সাংবাদিকের জন্য পুরো সাংবাদিক সমাজকে দোষারোপ করা যাবে না। আমরা দেশের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছি। ইতোমধ্যে ৩৩টি জেলার তালিকা যাচাই-বাছাই চলছে।
বুধবার (৬ মে) রাতে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। কক্সবাজার প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন এ সভার আয়োজন করে।
এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেন, সাংবাদিকরা আজও নিজেদের অধিকার সম্পর্কে অসচেতন। আপনারা আপনাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হোন। আমরা ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইনের মধ্যে আছি। কিন্তু এটি যুগোপযোগী করা জরুরি।
প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন যতদিন থাকবে, ততদিন এ পেশার মান নিম্নগামী হবে। তিনি সাংবাদিকদের পেশাদারত্ব বজায় রেখে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেন, দেশে বর্তমানে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকারও প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, কক্সবাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা এবং এখানে প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান অত্যন্ত ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক।
প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বলেন, দেশে সাম্প্রতিক সময়ে নানা পরিবর্তন ঘটেছে। এ কারণে প্রেস কাউন্সিলের কার্যক্রম ও সভা-সমাবেশ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা হচ্ছে।
এ কে এম আব্দুল হাকিম জানান, প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনের প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হলেও চেয়ারম্যানের একার পক্ষে সব কিছু করা সম্ভব নয়।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রেস কাউন্সিলের সচিব আব্দুস সবুর বলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল সাংবাদিকদের অভিভাবক প্রতিষ্ঠান। জনবলসহ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকলেও গুণগত দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটি পিছিয়ে নয়।
আব্দুস সবুর বলেন, সাংবাদিকতা একটি শ্রমনির্ভর পেশা হলেও এর তুলনায় সম্মান ও প্রাপ্তি এখনো পর্যাপ্ত নয়। তবে সরকার এ বিষয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
আব্দুস সবুর আরও বলেন, প্রেসক্লাব হচ্ছে সাংবাদিকদের মিলনমেলা। ঐক্যবদ্ধ থাকলে নিজেদের অধিকার আদায় সহজ হবে। মফস্বলের সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও মোটিভেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি জানান, পিআইবি এ ধরনের মৌলিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নামমাত্র মূল্যে প্রেসক্লাবের জন্য জমি লিজ দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
কক্সবাজার প্রেসক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক এম আর মাহবুবের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, প্রেসক্লাবের সদস্য শামসুল হক শারেক, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাফর ও জেলা তথ্য অফিসার আব্দুস সত্তার। সূত্র: বাসস।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!