পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করতে জেলা প্রশাসকদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এখানে জেলা প্রশাসকদের সবকিছু মেইনটেইন করে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের কাজের মধ্যে অনেক সময় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নির্ভর করে। ভূমির ব্যবহার, বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, সম্পদ আহরণ সকল ক্ষেত্রেই সম্পদের ভারসাম্য সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কে জেলা প্রশাসকদের পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন পার্বত্য মন্ত্রী।
আজ বুধবার (৬ মে) ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬’-এর দ্বিতীয় অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি জেলা প্রশাসকদের প্রতি এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি’র সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি।
মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি পার্বত্য অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসকদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়ে বলেন, চাষযোগ্য ভূমি কম হওয়ায় দুর্গম এলাকার মানুষ এখনো জুম চাষের ওপর নির্ভরশীল। তাদের দারিদ্র্য বিমোচনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে নিরলস কাজ করছে সরকার। তিনি খাগড়াছড়িতে ‘হেডম্যান অফিস’ নির্মাণ, বান্দরবানে সুপেয় পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রতিটি উপজেলায় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেল নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে পেছনে ফেলে দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান প্রদত্ত ‘রংধনু জাতি’ বা ‘Rainbow Nation’-এর ধারণার সফল প্রতিফলন হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানকার বৈচিত্র্যময় জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রীতিই আমাদের জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি।
প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশে অপরাধীদের কোনো অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, দেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা, মানবাধিকার সমুন্নত রাখা, প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা হবে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের কাজ। তিনি জেলা প্রশাসকদের সরকারের বিধি-বিধান অনুসরণ করে কাজ করার আহ্বান জানান।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। এছাড়া সম্মেলনে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু সচিব মোঃ রায়হান কাওছার। সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভাগীয় কমিশনারগণ এবং ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সকল বক্তা একটি সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জেলা প্রশাসকদের দক্ষতা ও সততার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করতে জেলা প্রশাসকদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এখানে জেলা প্রশাসকদের সবকিছু মেইনটেইন করে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের কাজের মধ্যে অনেক সময় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নির্ভর করে। ভূমির ব্যবহার, বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, সম্পদ আহরণ সকল ক্ষেত্রেই সম্পদের ভারসাম্য সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কে জেলা প্রশাসকদের পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন পার্বত্য মন্ত্রী।
আজ বুধবার (৬ মে) ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬’-এর দ্বিতীয় অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি জেলা প্রশাসকদের প্রতি এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি’র সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি।
মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি পার্বত্য অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসকদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়ে বলেন, চাষযোগ্য ভূমি কম হওয়ায় দুর্গম এলাকার মানুষ এখনো জুম চাষের ওপর নির্ভরশীল। তাদের দারিদ্র্য বিমোচনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে নিরলস কাজ করছে সরকার। তিনি খাগড়াছড়িতে ‘হেডম্যান অফিস’ নির্মাণ, বান্দরবানে সুপেয় পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রতিটি উপজেলায় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেল নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে পেছনে ফেলে দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান প্রদত্ত ‘রংধনু জাতি’ বা ‘Rainbow Nation’-এর ধারণার সফল প্রতিফলন হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানকার বৈচিত্র্যময় জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রীতিই আমাদের জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি।
প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশে অপরাধীদের কোনো অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, দেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা, মানবাধিকার সমুন্নত রাখা, প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা হবে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের কাজ। তিনি জেলা প্রশাসকদের সরকারের বিধি-বিধান অনুসরণ করে কাজ করার আহ্বান জানান।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। এছাড়া সম্মেলনে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু সচিব মোঃ রায়হান কাওছার। সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভাগীয় কমিশনারগণ এবং ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সকল বক্তা একটি সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জেলা প্রশাসকদের দক্ষতা ও সততার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করতে জেলা প্রশাসকদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এখানে জেলা প্রশাসকদের সবকিছু মেইনটেইন করে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের কাজের মধ্যে অনেক সময় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নির্ভর করে। ভূমির ব্যবহার, বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, সম্পদ আহরণ সকল ক্ষেত্রেই সম্পদের ভারসাম্য সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কে জেলা প্রশাসকদের পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন পার্বত্য মন্ত্রী।
আজ বুধবার (৬ মে) ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬’-এর দ্বিতীয় অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি জেলা প্রশাসকদের প্রতি এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি’র সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি।
মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি পার্বত্য অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসকদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়ে বলেন, চাষযোগ্য ভূমি কম হওয়ায় দুর্গম এলাকার মানুষ এখনো জুম চাষের ওপর নির্ভরশীল। তাদের দারিদ্র্য বিমোচনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে নিরলস কাজ করছে সরকার। তিনি খাগড়াছড়িতে ‘হেডম্যান অফিস’ নির্মাণ, বান্দরবানে সুপেয় পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রতিটি উপজেলায় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেল নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে পেছনে ফেলে দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান প্রদত্ত ‘রংধনু জাতি’ বা ‘Rainbow Nation’-এর ধারণার সফল প্রতিফলন হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানকার বৈচিত্র্যময় জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রীতিই আমাদের জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি।
প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশে অপরাধীদের কোনো অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, দেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা, মানবাধিকার সমুন্নত রাখা, প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা হবে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের কাজ। তিনি জেলা প্রশাসকদের সরকারের বিধি-বিধান অনুসরণ করে কাজ করার আহ্বান জানান।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। এছাড়া সম্মেলনে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু সচিব মোঃ রায়হান কাওছার। সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভাগীয় কমিশনারগণ এবং ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সকল বক্তা একটি সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জেলা প্রশাসকদের দক্ষতা ও সততার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করতে জেলা প্রশাসকদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এখানে জেলা প্রশাসকদের সবকিছু মেইনটেইন করে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের কাজের মধ্যে অনেক সময় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নির্ভর করে। ভূমির ব্যবহার, বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, সম্পদ আহরণ সকল ক্ষেত্রেই সম্পদের ভারসাম্য সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কে জেলা প্রশাসকদের পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন পার্বত্য মন্ত্রী।
আজ বুধবার (৬ মে) ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬’-এর দ্বিতীয় অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি জেলা প্রশাসকদের প্রতি এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি’র সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি।
মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি পার্বত্য অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসকদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়ে বলেন, চাষযোগ্য ভূমি কম হওয়ায় দুর্গম এলাকার মানুষ এখনো জুম চাষের ওপর নির্ভরশীল। তাদের দারিদ্র্য বিমোচনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে নিরলস কাজ করছে সরকার। তিনি খাগড়াছড়িতে ‘হেডম্যান অফিস’ নির্মাণ, বান্দরবানে সুপেয় পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রতিটি উপজেলায় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেল নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে পেছনে ফেলে দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান প্রদত্ত ‘রংধনু জাতি’ বা ‘Rainbow Nation’-এর ধারণার সফল প্রতিফলন হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানকার বৈচিত্র্যময় জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রীতিই আমাদের জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি।
প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশে অপরাধীদের কোনো অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, দেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা, মানবাধিকার সমুন্নত রাখা, প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা হবে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের কাজ। তিনি জেলা প্রশাসকদের সরকারের বিধি-বিধান অনুসরণ করে কাজ করার আহ্বান জানান।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। এছাড়া সম্মেলনে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু সচিব মোঃ রায়হান কাওছার। সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভাগীয় কমিশনারগণ এবং ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সকল বক্তা একটি সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জেলা প্রশাসকদের দক্ষতা ও সততার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!