ইসলামী বক্তা মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেই জানিয়েছেন।
বুধবার (৬ মে) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী লিখেছেন, ‘আমি আমার আল্লাহকে ভয় করি… গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে চাই। এই চাওয়াটাই আমাকে জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে—দ্বিতীয় বিয়ে। এই সমাজে কত মানুষ আছে, যারা বিবাহিত হয়েও হারাম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, গোপনে গুনাহ করে। আমি সেই পথের একজন হতে চাইনি। আমি চাইনি নিজেকে কোনো হোটেল, পার্ক কিংবা অন্ধকার কোনো পথে খুঁজে পাই। আমি চেয়েছি হালালের মধ্যে থাকতে, আল্লাহর বিধানের মধ্যে থাকতে।
জানি, আমার এই সিদ্ধান্তে আমার প্রথম আহলিয়ার কষ্ট হয়েছে… হচ্ছে। এটা ভাবলেই আমার বুকটা ভেঙে যায়। তবুও আমি বিশ্বাস করি, এটি কোনো মানুষের বানানো নিয়ম নয়-এটি আমাদের সবার রবের বিধান। তিনি যা হালাল করেছেন, সেটাকেই আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি। কিছুদিন ধরে আমি তাকে বুঝিয়েছি… অসংখ্য রাত আমি আল্লাহর কাছে কেঁদে দোয়া করেছি—যেন তাঁর মনটা নরম হয়, যেন তিনি বিষয়টি মেনে নিতে পারেন। কখনও মনে হয়েছে তিনি বুঝছেন, আবার হঠাৎই ভেঙে পড়েছেন, না বলে দিয়েছেন।
আমাদের আড়াই বছরের সংসার… আলহামদুলিল্লাহ, সেখানে কখনও কোনো অভিযোগ ছিল না। আমরা দুজনই একে অপরের সুখের কারণ ছিলাম। যারা আমাদের চেনে, তারা জানে—আমরা কতটা ভালো ছিলাম একসাথে। আজ সেই ভালোবাসার মাঝেই এসেছে এক কঠিন পরীক্ষা।
ইনসাফ করা-এটাই সবচেয়ে বড় শর্ত। আর আমি আল্লাহর কাছে মাথা নত করে দোয়া করি, যেন তিনি আমাকে সেই তাওফিক দেন। যেন আমি কারো হক নষ্ট না করি, কারো প্রতি জুলুম না করি। আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই-আল্লাহ তাআলা যেন আমার দুই পরিবারকে ধৈর্য দান করেন, তাদের অন্তরে প্রশান্তি দেন এবং এই বিষয়টি সহজভাবে মেনে নেওয়ার তাওফিক দেন। আর আমাকে এমন তাওফিক দিন, যেন আমি সত্যিই ইনসাফের সাথে, তাঁর সন্তুষ্টির জন্যই আমার সংসার পরিচালনা করতে পারি।’
ইসলামী বক্তা মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেই জানিয়েছেন।
বুধবার (৬ মে) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী লিখেছেন, ‘আমি আমার আল্লাহকে ভয় করি… গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে চাই। এই চাওয়াটাই আমাকে জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে—দ্বিতীয় বিয়ে। এই সমাজে কত মানুষ আছে, যারা বিবাহিত হয়েও হারাম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, গোপনে গুনাহ করে। আমি সেই পথের একজন হতে চাইনি। আমি চাইনি নিজেকে কোনো হোটেল, পার্ক কিংবা অন্ধকার কোনো পথে খুঁজে পাই। আমি চেয়েছি হালালের মধ্যে থাকতে, আল্লাহর বিধানের মধ্যে থাকতে।
জানি, আমার এই সিদ্ধান্তে আমার প্রথম আহলিয়ার কষ্ট হয়েছে… হচ্ছে। এটা ভাবলেই আমার বুকটা ভেঙে যায়। তবুও আমি বিশ্বাস করি, এটি কোনো মানুষের বানানো নিয়ম নয়-এটি আমাদের সবার রবের বিধান। তিনি যা হালাল করেছেন, সেটাকেই আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি। কিছুদিন ধরে আমি তাকে বুঝিয়েছি… অসংখ্য রাত আমি আল্লাহর কাছে কেঁদে দোয়া করেছি—যেন তাঁর মনটা নরম হয়, যেন তিনি বিষয়টি মেনে নিতে পারেন। কখনও মনে হয়েছে তিনি বুঝছেন, আবার হঠাৎই ভেঙে পড়েছেন, না বলে দিয়েছেন।
আমাদের আড়াই বছরের সংসার… আলহামদুলিল্লাহ, সেখানে কখনও কোনো অভিযোগ ছিল না। আমরা দুজনই একে অপরের সুখের কারণ ছিলাম। যারা আমাদের চেনে, তারা জানে—আমরা কতটা ভালো ছিলাম একসাথে। আজ সেই ভালোবাসার মাঝেই এসেছে এক কঠিন পরীক্ষা।
ইনসাফ করা-এটাই সবচেয়ে বড় শর্ত। আর আমি আল্লাহর কাছে মাথা নত করে দোয়া করি, যেন তিনি আমাকে সেই তাওফিক দেন। যেন আমি কারো হক নষ্ট না করি, কারো প্রতি জুলুম না করি। আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই-আল্লাহ তাআলা যেন আমার দুই পরিবারকে ধৈর্য দান করেন, তাদের অন্তরে প্রশান্তি দেন এবং এই বিষয়টি সহজভাবে মেনে নেওয়ার তাওফিক দেন। আর আমাকে এমন তাওফিক দিন, যেন আমি সত্যিই ইনসাফের সাথে, তাঁর সন্তুষ্টির জন্যই আমার সংসার পরিচালনা করতে পারি।’
ইসলামী বক্তা মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেই জানিয়েছেন।
বুধবার (৬ মে) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী লিখেছেন, ‘আমি আমার আল্লাহকে ভয় করি… গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে চাই। এই চাওয়াটাই আমাকে জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে—দ্বিতীয় বিয়ে। এই সমাজে কত মানুষ আছে, যারা বিবাহিত হয়েও হারাম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, গোপনে গুনাহ করে। আমি সেই পথের একজন হতে চাইনি। আমি চাইনি নিজেকে কোনো হোটেল, পার্ক কিংবা অন্ধকার কোনো পথে খুঁজে পাই। আমি চেয়েছি হালালের মধ্যে থাকতে, আল্লাহর বিধানের মধ্যে থাকতে।
জানি, আমার এই সিদ্ধান্তে আমার প্রথম আহলিয়ার কষ্ট হয়েছে… হচ্ছে। এটা ভাবলেই আমার বুকটা ভেঙে যায়। তবুও আমি বিশ্বাস করি, এটি কোনো মানুষের বানানো নিয়ম নয়-এটি আমাদের সবার রবের বিধান। তিনি যা হালাল করেছেন, সেটাকেই আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি। কিছুদিন ধরে আমি তাকে বুঝিয়েছি… অসংখ্য রাত আমি আল্লাহর কাছে কেঁদে দোয়া করেছি—যেন তাঁর মনটা নরম হয়, যেন তিনি বিষয়টি মেনে নিতে পারেন। কখনও মনে হয়েছে তিনি বুঝছেন, আবার হঠাৎই ভেঙে পড়েছেন, না বলে দিয়েছেন।
আমাদের আড়াই বছরের সংসার… আলহামদুলিল্লাহ, সেখানে কখনও কোনো অভিযোগ ছিল না। আমরা দুজনই একে অপরের সুখের কারণ ছিলাম। যারা আমাদের চেনে, তারা জানে—আমরা কতটা ভালো ছিলাম একসাথে। আজ সেই ভালোবাসার মাঝেই এসেছে এক কঠিন পরীক্ষা।
ইনসাফ করা-এটাই সবচেয়ে বড় শর্ত। আর আমি আল্লাহর কাছে মাথা নত করে দোয়া করি, যেন তিনি আমাকে সেই তাওফিক দেন। যেন আমি কারো হক নষ্ট না করি, কারো প্রতি জুলুম না করি। আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই-আল্লাহ তাআলা যেন আমার দুই পরিবারকে ধৈর্য দান করেন, তাদের অন্তরে প্রশান্তি দেন এবং এই বিষয়টি সহজভাবে মেনে নেওয়ার তাওফিক দেন। আর আমাকে এমন তাওফিক দিন, যেন আমি সত্যিই ইনসাফের সাথে, তাঁর সন্তুষ্টির জন্যই আমার সংসার পরিচালনা করতে পারি।’
ইসলামী বক্তা মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেই জানিয়েছেন।
বুধবার (৬ মে) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী লিখেছেন, ‘আমি আমার আল্লাহকে ভয় করি… গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে চাই। এই চাওয়াটাই আমাকে জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে—দ্বিতীয় বিয়ে। এই সমাজে কত মানুষ আছে, যারা বিবাহিত হয়েও হারাম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, গোপনে গুনাহ করে। আমি সেই পথের একজন হতে চাইনি। আমি চাইনি নিজেকে কোনো হোটেল, পার্ক কিংবা অন্ধকার কোনো পথে খুঁজে পাই। আমি চেয়েছি হালালের মধ্যে থাকতে, আল্লাহর বিধানের মধ্যে থাকতে।
জানি, আমার এই সিদ্ধান্তে আমার প্রথম আহলিয়ার কষ্ট হয়েছে… হচ্ছে। এটা ভাবলেই আমার বুকটা ভেঙে যায়। তবুও আমি বিশ্বাস করি, এটি কোনো মানুষের বানানো নিয়ম নয়-এটি আমাদের সবার রবের বিধান। তিনি যা হালাল করেছেন, সেটাকেই আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি। কিছুদিন ধরে আমি তাকে বুঝিয়েছি… অসংখ্য রাত আমি আল্লাহর কাছে কেঁদে দোয়া করেছি—যেন তাঁর মনটা নরম হয়, যেন তিনি বিষয়টি মেনে নিতে পারেন। কখনও মনে হয়েছে তিনি বুঝছেন, আবার হঠাৎই ভেঙে পড়েছেন, না বলে দিয়েছেন।
আমাদের আড়াই বছরের সংসার… আলহামদুলিল্লাহ, সেখানে কখনও কোনো অভিযোগ ছিল না। আমরা দুজনই একে অপরের সুখের কারণ ছিলাম। যারা আমাদের চেনে, তারা জানে—আমরা কতটা ভালো ছিলাম একসাথে। আজ সেই ভালোবাসার মাঝেই এসেছে এক কঠিন পরীক্ষা।
ইনসাফ করা-এটাই সবচেয়ে বড় শর্ত। আর আমি আল্লাহর কাছে মাথা নত করে দোয়া করি, যেন তিনি আমাকে সেই তাওফিক দেন। যেন আমি কারো হক নষ্ট না করি, কারো প্রতি জুলুম না করি। আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই-আল্লাহ তাআলা যেন আমার দুই পরিবারকে ধৈর্য দান করেন, তাদের অন্তরে প্রশান্তি দেন এবং এই বিষয়টি সহজভাবে মেনে নেওয়ার তাওফিক দেন। আর আমাকে এমন তাওফিক দিন, যেন আমি সত্যিই ইনসাফের সাথে, তাঁর সন্তুষ্টির জন্যই আমার সংসার পরিচালনা করতে পারি।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!