
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্থবির হয়ে পড়া শান্তি আলোচনায় গতি আনতে কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি দুই দিনের সফরে ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছেছেন।
শনিবার (১৬ মে) তিনি তেহরানে পৌঁছালে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস্কান্দার মোমেনি তাকে স্বাগত জানান বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা যায়, চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় সহায়তা করাই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।
পাকিস্তানের প্রভাবশালী সেনাপ্রধান আসীম মুনির-এর তেহরান সফরের কয়েকদিন পরই মহসিন নাকভির এই সফর অনুষ্ঠিত হলো।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু ইস্যু ও আঞ্চলিক উত্তেজনা ঘিরে চলমান শান্তি আলোচনা কিছুদিন ধরে স্থবির হয়ে পড়েছে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করছে এবং গত মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরানের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করেছিল।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনায় ফেরার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা নতুন করে কূটনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ ছাড়া অন্য কোনো পথ কার্যকর হবে না, না হলে ব্যর্থতা অনিবার্য।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি টেকসই করতে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তানের এ কূটনৈতিক ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্থবির হয়ে পড়া শান্তি আলোচনায় গতি আনতে কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি দুই দিনের সফরে ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছেছেন।
শনিবার (১৬ মে) তিনি তেহরানে পৌঁছালে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস্কান্দার মোমেনি তাকে স্বাগত জানান বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা যায়, চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় সহায়তা করাই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।
পাকিস্তানের প্রভাবশালী সেনাপ্রধান আসীম মুনির-এর তেহরান সফরের কয়েকদিন পরই মহসিন নাকভির এই সফর অনুষ্ঠিত হলো।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু ইস্যু ও আঞ্চলিক উত্তেজনা ঘিরে চলমান শান্তি আলোচনা কিছুদিন ধরে স্থবির হয়ে পড়েছে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করছে এবং গত মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরানের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করেছিল।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনায় ফেরার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা নতুন করে কূটনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ ছাড়া অন্য কোনো পথ কার্যকর হবে না, না হলে ব্যর্থতা অনিবার্য।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি টেকসই করতে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তানের এ কূটনৈতিক ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্থবির হয়ে পড়া শান্তি আলোচনায় গতি আনতে কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি দুই দিনের সফরে ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছেছেন।
শনিবার (১৬ মে) তিনি তেহরানে পৌঁছালে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস্কান্দার মোমেনি তাকে স্বাগত জানান বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা যায়, চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় সহায়তা করাই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।
পাকিস্তানের প্রভাবশালী সেনাপ্রধান আসীম মুনির-এর তেহরান সফরের কয়েকদিন পরই মহসিন নাকভির এই সফর অনুষ্ঠিত হলো।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু ইস্যু ও আঞ্চলিক উত্তেজনা ঘিরে চলমান শান্তি আলোচনা কিছুদিন ধরে স্থবির হয়ে পড়েছে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করছে এবং গত মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরানের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করেছিল।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনায় ফেরার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা নতুন করে কূটনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ ছাড়া অন্য কোনো পথ কার্যকর হবে না, না হলে ব্যর্থতা অনিবার্য।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি টেকসই করতে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তানের এ কূটনৈতিক ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্থবির হয়ে পড়া শান্তি আলোচনায় গতি আনতে কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি দুই দিনের সফরে ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছেছেন।
শনিবার (১৬ মে) তিনি তেহরানে পৌঁছালে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস্কান্দার মোমেনি তাকে স্বাগত জানান বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা যায়, চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় সহায়তা করাই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।
পাকিস্তানের প্রভাবশালী সেনাপ্রধান আসীম মুনির-এর তেহরান সফরের কয়েকদিন পরই মহসিন নাকভির এই সফর অনুষ্ঠিত হলো।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু ইস্যু ও আঞ্চলিক উত্তেজনা ঘিরে চলমান শান্তি আলোচনা কিছুদিন ধরে স্থবির হয়ে পড়েছে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করছে এবং গত মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরানের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করেছিল।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনায় ফেরার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা নতুন করে কূটনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ ছাড়া অন্য কোনো পথ কার্যকর হবে না, না হলে ব্যর্থতা অনিবার্য।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি টেকসই করতে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তানের এ কূটনৈতিক ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!