
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে আলোচনা না হওয়ায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। সরাসরি সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে ‘অবরোধ যুদ্ধ’ জোরদার হয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষই বাণিজ্যিক জাহাজ আটক ও জব্দে শক্তি প্রয়োগ করছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে উত্তেজনা বাড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকরা। এদিকে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার জন্য ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের অপেক্ষায় রয়েছে ইসলামাবাদ।
কয়েক দিন আগেও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিল শহরটি। হোটেল, বৈঠকস্থল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাও প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। তবে টানটান উত্তেজনার মধ্যে সেই পরিবেশ এখন অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে।
কূটনৈতিকভাবে এই সংকট নিরসনের সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে-এমন আশঙ্কা থাকলেও পাকিস্তান হাল ছাড়েনি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, সংঘাতের আলোচনাভিত্তিক সমাধানে পাকিস্তান আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সমঝোতার সম্ভাবনার কথা ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে তা বাস্তবসম্মত নাকি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল-তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
ইরান ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ’ এবং ‘বিরোধপূর্ণ আচরণ’-এর অভিযোগ তুলেছে। তেহরানের দাবি, পূর্ববর্তী আলোচনাগুলোর সময়ও তারা হামলার মুখে পড়েছিল। ফলে নতুন করে আলোচনায় বসার বিষয়ে তাদের অনীহা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য এবং ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি থাকলেও পুনরায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে, সরাসরি সংঘর্ষ এড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোঁজা ছাড়া উভয় পক্ষের সামনে বিকল্প খুবই সীমিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে আলোচনা না হওয়ায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। সরাসরি সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে ‘অবরোধ যুদ্ধ’ জোরদার হয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষই বাণিজ্যিক জাহাজ আটক ও জব্দে শক্তি প্রয়োগ করছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে উত্তেজনা বাড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকরা। এদিকে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার জন্য ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের অপেক্ষায় রয়েছে ইসলামাবাদ।
কয়েক দিন আগেও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিল শহরটি। হোটেল, বৈঠকস্থল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাও প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। তবে টানটান উত্তেজনার মধ্যে সেই পরিবেশ এখন অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে।
কূটনৈতিকভাবে এই সংকট নিরসনের সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে-এমন আশঙ্কা থাকলেও পাকিস্তান হাল ছাড়েনি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, সংঘাতের আলোচনাভিত্তিক সমাধানে পাকিস্তান আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সমঝোতার সম্ভাবনার কথা ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে তা বাস্তবসম্মত নাকি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল-তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
ইরান ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ’ এবং ‘বিরোধপূর্ণ আচরণ’-এর অভিযোগ তুলেছে। তেহরানের দাবি, পূর্ববর্তী আলোচনাগুলোর সময়ও তারা হামলার মুখে পড়েছিল। ফলে নতুন করে আলোচনায় বসার বিষয়ে তাদের অনীহা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য এবং ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি থাকলেও পুনরায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে, সরাসরি সংঘর্ষ এড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোঁজা ছাড়া উভয় পক্ষের সামনে বিকল্প খুবই সীমিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে আলোচনা না হওয়ায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। সরাসরি সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে ‘অবরোধ যুদ্ধ’ জোরদার হয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষই বাণিজ্যিক জাহাজ আটক ও জব্দে শক্তি প্রয়োগ করছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে উত্তেজনা বাড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকরা। এদিকে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার জন্য ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের অপেক্ষায় রয়েছে ইসলামাবাদ।
কয়েক দিন আগেও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিল শহরটি। হোটেল, বৈঠকস্থল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাও প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। তবে টানটান উত্তেজনার মধ্যে সেই পরিবেশ এখন অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে।
কূটনৈতিকভাবে এই সংকট নিরসনের সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে-এমন আশঙ্কা থাকলেও পাকিস্তান হাল ছাড়েনি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, সংঘাতের আলোচনাভিত্তিক সমাধানে পাকিস্তান আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সমঝোতার সম্ভাবনার কথা ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে তা বাস্তবসম্মত নাকি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল-তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
ইরান ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ’ এবং ‘বিরোধপূর্ণ আচরণ’-এর অভিযোগ তুলেছে। তেহরানের দাবি, পূর্ববর্তী আলোচনাগুলোর সময়ও তারা হামলার মুখে পড়েছিল। ফলে নতুন করে আলোচনায় বসার বিষয়ে তাদের অনীহা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য এবং ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি থাকলেও পুনরায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে, সরাসরি সংঘর্ষ এড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোঁজা ছাড়া উভয় পক্ষের সামনে বিকল্প খুবই সীমিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে আলোচনা না হওয়ায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। সরাসরি সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে ‘অবরোধ যুদ্ধ’ জোরদার হয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষই বাণিজ্যিক জাহাজ আটক ও জব্দে শক্তি প্রয়োগ করছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে উত্তেজনা বাড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকরা। এদিকে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার জন্য ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের অপেক্ষায় রয়েছে ইসলামাবাদ।
কয়েক দিন আগেও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিল শহরটি। হোটেল, বৈঠকস্থল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাও প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। তবে টানটান উত্তেজনার মধ্যে সেই পরিবেশ এখন অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে।
কূটনৈতিকভাবে এই সংকট নিরসনের সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে-এমন আশঙ্কা থাকলেও পাকিস্তান হাল ছাড়েনি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, সংঘাতের আলোচনাভিত্তিক সমাধানে পাকিস্তান আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সমঝোতার সম্ভাবনার কথা ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে তা বাস্তবসম্মত নাকি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল-তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
ইরান ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ’ এবং ‘বিরোধপূর্ণ আচরণ’-এর অভিযোগ তুলেছে। তেহরানের দাবি, পূর্ববর্তী আলোচনাগুলোর সময়ও তারা হামলার মুখে পড়েছিল। ফলে নতুন করে আলোচনায় বসার বিষয়ে তাদের অনীহা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য এবং ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি থাকলেও পুনরায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে, সরাসরি সংঘর্ষ এড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোঁজা ছাড়া উভয় পক্ষের সামনে বিকল্প খুবই সীমিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!