
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার গুঞ্জনের মধ্যেই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো ধরনের চাপের মুখে ইরান আত্মসমর্পণ করবে না এবং শক্তির দাপট দেখিয়ে দেশটিকে নতি স্বীকার করানো সম্ভব নয়। খবর বিবিসি-এর।
পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের একটি ‘গভীর ঐতিহাসিক অবিশ্বাস’ রয়েছে, যা এখনো বিদ্যমান। তার ভাষায়, যেকোনো অর্থবহ সংলাপের প্রধান ভিত্তি হতে হবে প্রতিশ্রুতি রক্ষা। যুক্তরাষ্ট্র যদি পূর্বের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে, তবে আলোচনার পরিবেশ তৈরি হবে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন কর্মকর্তাদের আচরণেরও তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। পেজেশকিয়ান লিখেছেন, ‘মার্কিন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে আসা গঠনমূলক নয় এমন এবং পরস্পরবিরোধী সংকেত একটি তিক্ত বার্তা বহন করে—তারা মূলত ইরানের আত্মসমর্পণ চায়।’
এদিকে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, পাকিস্তানে আজই একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্যে ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে এবং সম্ভাব্য সংলাপ প্রক্রিয়াও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার গুঞ্জনের মধ্যেই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো ধরনের চাপের মুখে ইরান আত্মসমর্পণ করবে না এবং শক্তির দাপট দেখিয়ে দেশটিকে নতি স্বীকার করানো সম্ভব নয়। খবর বিবিসি-এর।
পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের একটি ‘গভীর ঐতিহাসিক অবিশ্বাস’ রয়েছে, যা এখনো বিদ্যমান। তার ভাষায়, যেকোনো অর্থবহ সংলাপের প্রধান ভিত্তি হতে হবে প্রতিশ্রুতি রক্ষা। যুক্তরাষ্ট্র যদি পূর্বের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে, তবে আলোচনার পরিবেশ তৈরি হবে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন কর্মকর্তাদের আচরণেরও তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। পেজেশকিয়ান লিখেছেন, ‘মার্কিন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে আসা গঠনমূলক নয় এমন এবং পরস্পরবিরোধী সংকেত একটি তিক্ত বার্তা বহন করে—তারা মূলত ইরানের আত্মসমর্পণ চায়।’
এদিকে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, পাকিস্তানে আজই একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্যে ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে এবং সম্ভাব্য সংলাপ প্রক্রিয়াও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার গুঞ্জনের মধ্যেই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো ধরনের চাপের মুখে ইরান আত্মসমর্পণ করবে না এবং শক্তির দাপট দেখিয়ে দেশটিকে নতি স্বীকার করানো সম্ভব নয়। খবর বিবিসি-এর।
পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের একটি ‘গভীর ঐতিহাসিক অবিশ্বাস’ রয়েছে, যা এখনো বিদ্যমান। তার ভাষায়, যেকোনো অর্থবহ সংলাপের প্রধান ভিত্তি হতে হবে প্রতিশ্রুতি রক্ষা। যুক্তরাষ্ট্র যদি পূর্বের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে, তবে আলোচনার পরিবেশ তৈরি হবে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন কর্মকর্তাদের আচরণেরও তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। পেজেশকিয়ান লিখেছেন, ‘মার্কিন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে আসা গঠনমূলক নয় এমন এবং পরস্পরবিরোধী সংকেত একটি তিক্ত বার্তা বহন করে—তারা মূলত ইরানের আত্মসমর্পণ চায়।’
এদিকে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, পাকিস্তানে আজই একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্যে ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে এবং সম্ভাব্য সংলাপ প্রক্রিয়াও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার গুঞ্জনের মধ্যেই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো ধরনের চাপের মুখে ইরান আত্মসমর্পণ করবে না এবং শক্তির দাপট দেখিয়ে দেশটিকে নতি স্বীকার করানো সম্ভব নয়। খবর বিবিসি-এর।
পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের একটি ‘গভীর ঐতিহাসিক অবিশ্বাস’ রয়েছে, যা এখনো বিদ্যমান। তার ভাষায়, যেকোনো অর্থবহ সংলাপের প্রধান ভিত্তি হতে হবে প্রতিশ্রুতি রক্ষা। যুক্তরাষ্ট্র যদি পূর্বের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে, তবে আলোচনার পরিবেশ তৈরি হবে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন কর্মকর্তাদের আচরণেরও তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। পেজেশকিয়ান লিখেছেন, ‘মার্কিন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে আসা গঠনমূলক নয় এমন এবং পরস্পরবিরোধী সংকেত একটি তিক্ত বার্তা বহন করে—তারা মূলত ইরানের আত্মসমর্পণ চায়।’
এদিকে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, পাকিস্তানে আজই একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্যে ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে এবং সম্ভাব্য সংলাপ প্রক্রিয়াও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!