
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প)। তবে একই সঙ্গে অবরোধ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল)-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ইরান সরকার বর্তমানে বিভক্ত অবস্থায় রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ-এর অনুরোধে ইরানের ওপর সামরিক আক্রমণ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের পক্ষ থেকে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব না আসা পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হবে। তবে একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং অবরোধ চালু থাকবে।
এদিকে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এগিয়ে নিতে এ সিদ্ধান্ত সহায়ক হবে এবং আলোচনার মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের পথ সুগম করবে।
বাজারে অস্থিরতা
যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেও আন্তর্জাতিক বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি। বরং তেলের দাম বেড়েছে এবং শেয়ারবাজারে অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে।
মঙ্গলবার লেনদেন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে যায়। একইভাবে ডাও জোনস সূচক ২৯৩ পয়েন্ট কমে এবং নাসডাক কম্পোজিট সূচকও ০ দশমিক ৬ শতাংশ হ্রাস পায়।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছায়। শেষ পর্যন্ত প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড ৯৮ দশমিক ৪৮ ডলারে লেনদেন হয়, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
অনিশ্চয়তায় উদ্বেগ
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের অনিশ্চয়তা কাটেনি। পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতা ও আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়েও সংশয় রয়েছে। এই অনিশ্চয়তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যার প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজার ও জ্বালানি তেলের দামে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি) ও আল জাজিরা।

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প)। তবে একই সঙ্গে অবরোধ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল)-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ইরান সরকার বর্তমানে বিভক্ত অবস্থায় রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ-এর অনুরোধে ইরানের ওপর সামরিক আক্রমণ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের পক্ষ থেকে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব না আসা পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হবে। তবে একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং অবরোধ চালু থাকবে।
এদিকে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এগিয়ে নিতে এ সিদ্ধান্ত সহায়ক হবে এবং আলোচনার মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের পথ সুগম করবে।
বাজারে অস্থিরতা
যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেও আন্তর্জাতিক বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি। বরং তেলের দাম বেড়েছে এবং শেয়ারবাজারে অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে।
মঙ্গলবার লেনদেন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে যায়। একইভাবে ডাও জোনস সূচক ২৯৩ পয়েন্ট কমে এবং নাসডাক কম্পোজিট সূচকও ০ দশমিক ৬ শতাংশ হ্রাস পায়।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছায়। শেষ পর্যন্ত প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড ৯৮ দশমিক ৪৮ ডলারে লেনদেন হয়, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
অনিশ্চয়তায় উদ্বেগ
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের অনিশ্চয়তা কাটেনি। পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতা ও আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়েও সংশয় রয়েছে। এই অনিশ্চয়তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যার প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজার ও জ্বালানি তেলের দামে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি) ও আল জাজিরা।

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প)। তবে একই সঙ্গে অবরোধ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল)-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ইরান সরকার বর্তমানে বিভক্ত অবস্থায় রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ-এর অনুরোধে ইরানের ওপর সামরিক আক্রমণ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের পক্ষ থেকে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব না আসা পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হবে। তবে একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং অবরোধ চালু থাকবে।
এদিকে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এগিয়ে নিতে এ সিদ্ধান্ত সহায়ক হবে এবং আলোচনার মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের পথ সুগম করবে।
বাজারে অস্থিরতা
যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেও আন্তর্জাতিক বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি। বরং তেলের দাম বেড়েছে এবং শেয়ারবাজারে অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে।
মঙ্গলবার লেনদেন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে যায়। একইভাবে ডাও জোনস সূচক ২৯৩ পয়েন্ট কমে এবং নাসডাক কম্পোজিট সূচকও ০ দশমিক ৬ শতাংশ হ্রাস পায়।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছায়। শেষ পর্যন্ত প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড ৯৮ দশমিক ৪৮ ডলারে লেনদেন হয়, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
অনিশ্চয়তায় উদ্বেগ
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের অনিশ্চয়তা কাটেনি। পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতা ও আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়েও সংশয় রয়েছে। এই অনিশ্চয়তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যার প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজার ও জ্বালানি তেলের দামে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি) ও আল জাজিরা।

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প)। তবে একই সঙ্গে অবরোধ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল)-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ইরান সরকার বর্তমানে বিভক্ত অবস্থায় রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ-এর অনুরোধে ইরানের ওপর সামরিক আক্রমণ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের পক্ষ থেকে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব না আসা পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হবে। তবে একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং অবরোধ চালু থাকবে।
এদিকে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এগিয়ে নিতে এ সিদ্ধান্ত সহায়ক হবে এবং আলোচনার মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের পথ সুগম করবে।
বাজারে অস্থিরতা
যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেও আন্তর্জাতিক বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি। বরং তেলের দাম বেড়েছে এবং শেয়ারবাজারে অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে।
মঙ্গলবার লেনদেন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে যায়। একইভাবে ডাও জোনস সূচক ২৯৩ পয়েন্ট কমে এবং নাসডাক কম্পোজিট সূচকও ০ দশমিক ৬ শতাংশ হ্রাস পায়।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছায়। শেষ পর্যন্ত প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড ৯৮ দশমিক ৪৮ ডলারে লেনদেন হয়, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
অনিশ্চয়তায় উদ্বেগ
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের অনিশ্চয়তা কাটেনি। পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতা ও আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়েও সংশয় রয়েছে। এই অনিশ্চয়তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যার প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজার ও জ্বালানি তেলের দামে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি) ও আল জাজিরা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!