মাদক ও তামাকের ভয়াবহতা থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে গণমাধ্যম ও চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে মাদকবিরোধী সংগঠন মানস-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. অরূপ রতন চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি। শুধু আইন প্রয়োগ নয়, গণমাধ্যমের শক্তিশালী প্রচারণার মাধ্যমেই মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন সম্ভব।
তিনি চলচ্চিত্র, নাটক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক বা তামাক ব্যবহারের দৃশ্য প্রদর্শন নিরুৎসাহিত করার আহ্বান জানান। তার মতে, এসব কনটেন্ট তরুণদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এ সময় ডা. অরূপ রতন চৌধুরী মাদক ও তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব এবং তা প্রতিরোধে তাদের সংগঠনের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। তিনি গণমাধ্যম ও বিনোদন মাধ্যমে এসব উপাদানের উপস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তথ্যমন্ত্রী মানসের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, সরকার মাদক ও তামাকমুক্ত সমাজ গঠনে বদ্ধপরিকর। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলোর ভূমিকা প্রশংসনীয় এবং সরকার তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।
এ সময় তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা উপস্থিত ছিলেন।
মাদক ও তামাকের ভয়াবহতা থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে গণমাধ্যম ও চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে মাদকবিরোধী সংগঠন মানস-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. অরূপ রতন চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি। শুধু আইন প্রয়োগ নয়, গণমাধ্যমের শক্তিশালী প্রচারণার মাধ্যমেই মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন সম্ভব।
তিনি চলচ্চিত্র, নাটক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক বা তামাক ব্যবহারের দৃশ্য প্রদর্শন নিরুৎসাহিত করার আহ্বান জানান। তার মতে, এসব কনটেন্ট তরুণদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এ সময় ডা. অরূপ রতন চৌধুরী মাদক ও তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব এবং তা প্রতিরোধে তাদের সংগঠনের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। তিনি গণমাধ্যম ও বিনোদন মাধ্যমে এসব উপাদানের উপস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তথ্যমন্ত্রী মানসের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, সরকার মাদক ও তামাকমুক্ত সমাজ গঠনে বদ্ধপরিকর। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলোর ভূমিকা প্রশংসনীয় এবং সরকার তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।
এ সময় তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা উপস্থিত ছিলেন।
মাদক ও তামাকের ভয়াবহতা থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে গণমাধ্যম ও চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে মাদকবিরোধী সংগঠন মানস-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. অরূপ রতন চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি। শুধু আইন প্রয়োগ নয়, গণমাধ্যমের শক্তিশালী প্রচারণার মাধ্যমেই মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন সম্ভব।
তিনি চলচ্চিত্র, নাটক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক বা তামাক ব্যবহারের দৃশ্য প্রদর্শন নিরুৎসাহিত করার আহ্বান জানান। তার মতে, এসব কনটেন্ট তরুণদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এ সময় ডা. অরূপ রতন চৌধুরী মাদক ও তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব এবং তা প্রতিরোধে তাদের সংগঠনের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। তিনি গণমাধ্যম ও বিনোদন মাধ্যমে এসব উপাদানের উপস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তথ্যমন্ত্রী মানসের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, সরকার মাদক ও তামাকমুক্ত সমাজ গঠনে বদ্ধপরিকর। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলোর ভূমিকা প্রশংসনীয় এবং সরকার তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।
এ সময় তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা উপস্থিত ছিলেন।
মাদক ও তামাকের ভয়াবহতা থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে গণমাধ্যম ও চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে মাদকবিরোধী সংগঠন মানস-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. অরূপ রতন চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি। শুধু আইন প্রয়োগ নয়, গণমাধ্যমের শক্তিশালী প্রচারণার মাধ্যমেই মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন সম্ভব।
তিনি চলচ্চিত্র, নাটক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক বা তামাক ব্যবহারের দৃশ্য প্রদর্শন নিরুৎসাহিত করার আহ্বান জানান। তার মতে, এসব কনটেন্ট তরুণদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এ সময় ডা. অরূপ রতন চৌধুরী মাদক ও তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব এবং তা প্রতিরোধে তাদের সংগঠনের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। তিনি গণমাধ্যম ও বিনোদন মাধ্যমে এসব উপাদানের উপস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তথ্যমন্ত্রী মানসের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, সরকার মাদক ও তামাকমুক্ত সমাজ গঠনে বদ্ধপরিকর। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলোর ভূমিকা প্রশংসনীয় এবং সরকার তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।
এ সময় তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!