দেশে চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলোকে পর্যায়ক্রমে মহানগর এলাকার বাইরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে সরকার। বেকারত্ব ও মানবিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চালকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেই এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে রাতারাতি হাজার হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা রাস্তায় নেমে এসেছে। ফলে চালকদের বিকল্প ব্যবস্থা না করে হঠাৎ উচ্ছেদ করলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা তৈরি হতে পারে।
তিনি বলেন, দেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ বেকার। তাই অটোরিকশাচালকদের পুনর্বাসন ছাড়া তাদের কর্মহীন করে দেওয়া সম্ভব নয়। সরকার এমন একটি সমাধান খুঁজছে, যাতে চালকদের কর্মসংস্থান বজায় থাকে এবং নগরীর যানজট ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও উন্নত হয়।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকারও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এবং মহানগরের বাইরে এসব যানবাহন পরিচালনার সুযোগ তৈরির বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অটোমেশনভিত্তিক ব্যবস্থার সুফল ইতোমধ্যে জনগণ পেতে শুরু করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশা, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে রাজধানী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থায় দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে।
দেশে চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলোকে পর্যায়ক্রমে মহানগর এলাকার বাইরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে সরকার। বেকারত্ব ও মানবিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চালকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেই এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে রাতারাতি হাজার হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা রাস্তায় নেমে এসেছে। ফলে চালকদের বিকল্প ব্যবস্থা না করে হঠাৎ উচ্ছেদ করলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা তৈরি হতে পারে।
তিনি বলেন, দেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ বেকার। তাই অটোরিকশাচালকদের পুনর্বাসন ছাড়া তাদের কর্মহীন করে দেওয়া সম্ভব নয়। সরকার এমন একটি সমাধান খুঁজছে, যাতে চালকদের কর্মসংস্থান বজায় থাকে এবং নগরীর যানজট ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও উন্নত হয়।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকারও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এবং মহানগরের বাইরে এসব যানবাহন পরিচালনার সুযোগ তৈরির বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অটোমেশনভিত্তিক ব্যবস্থার সুফল ইতোমধ্যে জনগণ পেতে শুরু করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশা, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে রাজধানী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থায় দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে।
দেশে চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলোকে পর্যায়ক্রমে মহানগর এলাকার বাইরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে সরকার। বেকারত্ব ও মানবিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চালকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেই এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে রাতারাতি হাজার হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা রাস্তায় নেমে এসেছে। ফলে চালকদের বিকল্প ব্যবস্থা না করে হঠাৎ উচ্ছেদ করলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা তৈরি হতে পারে।
তিনি বলেন, দেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ বেকার। তাই অটোরিকশাচালকদের পুনর্বাসন ছাড়া তাদের কর্মহীন করে দেওয়া সম্ভব নয়। সরকার এমন একটি সমাধান খুঁজছে, যাতে চালকদের কর্মসংস্থান বজায় থাকে এবং নগরীর যানজট ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও উন্নত হয়।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকারও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এবং মহানগরের বাইরে এসব যানবাহন পরিচালনার সুযোগ তৈরির বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অটোমেশনভিত্তিক ব্যবস্থার সুফল ইতোমধ্যে জনগণ পেতে শুরু করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশা, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে রাজধানী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থায় দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে।
দেশে চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলোকে পর্যায়ক্রমে মহানগর এলাকার বাইরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে সরকার। বেকারত্ব ও মানবিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চালকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেই এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে রাতারাতি হাজার হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা রাস্তায় নেমে এসেছে। ফলে চালকদের বিকল্প ব্যবস্থা না করে হঠাৎ উচ্ছেদ করলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা তৈরি হতে পারে।
তিনি বলেন, দেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ বেকার। তাই অটোরিকশাচালকদের পুনর্বাসন ছাড়া তাদের কর্মহীন করে দেওয়া সম্ভব নয়। সরকার এমন একটি সমাধান খুঁজছে, যাতে চালকদের কর্মসংস্থান বজায় থাকে এবং নগরীর যানজট ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও উন্নত হয়।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকারও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এবং মহানগরের বাইরে এসব যানবাহন পরিচালনার সুযোগ তৈরির বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অটোমেশনভিত্তিক ব্যবস্থার সুফল ইতোমধ্যে জনগণ পেতে শুরু করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশা, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে রাজধানী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থায় দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!