কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। পাঁচ চিকিৎসককে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান হাসনাত আবদুল্লাহ। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি যাচাই করেন। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের কর্মরত ২৬ জন চিকিৎসকের মধ্যে পাঁচজনকে দায়িত্বস্থলে না পেয়ে বিস্ময় ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
অনুপস্থিত চিকিৎসকরা হলেন-মেডিক্যাল অফিসার ডা. সাইফুল ইসলাম শুভ, ডা. শামীম কাউছার, ডা. শিমুল রানী দত্ত, কনসালটেন্ট ডা. শরীফ উদ্দিন আহমেদ এবং মেডিসিন কনসালটেন্ট কাজী আয়শা সিদ্দিকা।
এ সময় হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ এবং চিকিৎসকদের উপস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে বলেন তিনি।
কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশির আহমেদ বলেন, সরকারি বিধি অনুযায়ী চিকিৎসকদের নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। পরিদর্শনের সময় অনুপস্থিত পাঁচ চিকিৎসকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছে। বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকেও অবহিত করা হবে।
দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. মহিবুস ছালাম জানান, অভিযুক্ত চিকিৎসকদের আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। পাঁচ চিকিৎসককে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান হাসনাত আবদুল্লাহ। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি যাচাই করেন। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের কর্মরত ২৬ জন চিকিৎসকের মধ্যে পাঁচজনকে দায়িত্বস্থলে না পেয়ে বিস্ময় ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
অনুপস্থিত চিকিৎসকরা হলেন-মেডিক্যাল অফিসার ডা. সাইফুল ইসলাম শুভ, ডা. শামীম কাউছার, ডা. শিমুল রানী দত্ত, কনসালটেন্ট ডা. শরীফ উদ্দিন আহমেদ এবং মেডিসিন কনসালটেন্ট কাজী আয়শা সিদ্দিকা।
এ সময় হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ এবং চিকিৎসকদের উপস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে বলেন তিনি।
কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশির আহমেদ বলেন, সরকারি বিধি অনুযায়ী চিকিৎসকদের নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। পরিদর্শনের সময় অনুপস্থিত পাঁচ চিকিৎসকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছে। বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকেও অবহিত করা হবে।
দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. মহিবুস ছালাম জানান, অভিযুক্ত চিকিৎসকদের আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। পাঁচ চিকিৎসককে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান হাসনাত আবদুল্লাহ। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি যাচাই করেন। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের কর্মরত ২৬ জন চিকিৎসকের মধ্যে পাঁচজনকে দায়িত্বস্থলে না পেয়ে বিস্ময় ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
অনুপস্থিত চিকিৎসকরা হলেন-মেডিক্যাল অফিসার ডা. সাইফুল ইসলাম শুভ, ডা. শামীম কাউছার, ডা. শিমুল রানী দত্ত, কনসালটেন্ট ডা. শরীফ উদ্দিন আহমেদ এবং মেডিসিন কনসালটেন্ট কাজী আয়শা সিদ্দিকা।
এ সময় হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ এবং চিকিৎসকদের উপস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে বলেন তিনি।
কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশির আহমেদ বলেন, সরকারি বিধি অনুযায়ী চিকিৎসকদের নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। পরিদর্শনের সময় অনুপস্থিত পাঁচ চিকিৎসকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছে। বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকেও অবহিত করা হবে।
দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. মহিবুস ছালাম জানান, অভিযুক্ত চিকিৎসকদের আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। পাঁচ চিকিৎসককে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান হাসনাত আবদুল্লাহ। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি যাচাই করেন। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের কর্মরত ২৬ জন চিকিৎসকের মধ্যে পাঁচজনকে দায়িত্বস্থলে না পেয়ে বিস্ময় ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
অনুপস্থিত চিকিৎসকরা হলেন-মেডিক্যাল অফিসার ডা. সাইফুল ইসলাম শুভ, ডা. শামীম কাউছার, ডা. শিমুল রানী দত্ত, কনসালটেন্ট ডা. শরীফ উদ্দিন আহমেদ এবং মেডিসিন কনসালটেন্ট কাজী আয়শা সিদ্দিকা।
এ সময় হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ এবং চিকিৎসকদের উপস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে বলেন তিনি।
কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশির আহমেদ বলেন, সরকারি বিধি অনুযায়ী চিকিৎসকদের নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। পরিদর্শনের সময় অনুপস্থিত পাঁচ চিকিৎসকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছে। বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকেও অবহিত করা হবে।
দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. মহিবুস ছালাম জানান, অভিযুক্ত চিকিৎসকদের আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!