
বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি খাতে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তরের কোনো বিকল্প নেই বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবাদীরা।
শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ (ডব্লিউকেবি), এশিয়ান পিপলস মুভমেন্ট অন ডেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এপিএমডিডি) এবং ফসিল ফুয়েল ট্রিটি ইনিশিয়েটিভ-এর যৌথ আয়োজনে ‘বৈশ্বিক অস্থিরতা: জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিতের উপায়’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্য
নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন (বকুল) প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, জ্বালানি ও পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিষয় একাধিক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন হওয়ায় সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সঠিক পরিকল্পনা ও তদারকির অভাবে পরিবেশ দূষণ ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি **রামপাল প্রকল্পর উদাহরণ তুলে ধরেন।
এমপি আশরাফ উদ্দিন সৌরবিদ্যুতের বিপুল সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, “দেশের অব্যবহৃত ছাদ ও শিল্পকারখানার জায়গা ব্যবহার করে হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।” তিনি শক্তি সাশ্রয়, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্পখাতে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জ্বালানি খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারকে বাস্তবমুখী ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বক্তাদের অভিমত
ধরা-র সহ-আহ্বায়ক এম এস সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সূচনা বক্তব্য রাখেন রিভার বাংলা’র সম্পাদক ও ধরা’র সদস্য ফয়সাল আহমেদ।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন:
যুক্তরাষ্ট্রের রিভারফক্স এনভায়রনমেন্টাল-এর সিইও ডোনা লিসেনবি
ফিলিপাইনের এপিএমডিডি-র সমন্বয়কারী লিডি ন্যাকপিল
ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ-এর সমন্বয়কারী শরীফ জামিল
ডোনা লিসেনবি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সৃষ্ট মারাত্মক ঝুঁকি ও অস্থিরতার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি করে তেল-গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করছে, যার প্রভাব দক্ষিণ এশিয়াসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি পড়বে। তিনি দেশীয় গ্যাস ও কয়লাকে তাৎক্ষণিক সমাধান না মনে করে রামপাল, পায়রা ও মাতারবাড়ী এলাকায় সোলার হাব গড়ে তোলাসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তরের ওপর জোর দেন।
লিডি ন্যাকপিল বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করছে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোকে। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিনির্ভরতা অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক সংকটকে আরও তীব্র করছে। তিনি দ্রুত ও ন্যায্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরের পাশাপাশি উন্নত দেশগুলোর ‘ফেয়ার শেয়ার’ অনুযায়ী জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার দাবি জানান।
শরীফ জামিল বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, বিদ্যমান বিদ্যুৎ প্রকল্পের অধিগ্রহণকৃত অতিরিক্ত জমি ব্যবহার করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ করলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং যুদ্ধজনিত সংকটেও মানুষ নিরাপদ থাকবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবন, মৎস্যসম্পদ ও স্থানীয় জীবিকায় গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পায়রা-পটুয়াখালী অঞ্চলের প্রকল্পগুলো ইলিশের প্রজননক্ষেত্র ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। মাতারবাড়ীতে জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক শিল্পায়ন লবণ উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
বিশেষ অতিথিবৃন্দ
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন:
পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোঃ জিয়াউল হক
অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির
ফসিল ফুয়েল ট্রিটি ইনিশিয়েটিভের এশিয়া ক্যাম্পেইনার মেগা মাসকি
ব্রাইট গ্রিন এনার্জি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান দিপাল বড়ুয়া
সিপিআরডি’র নির্বাহী পরিচালক মো. শামসুদ্দোহা
বক্তারা একমত পোষণ করে বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে আইনি ও নীতিগত কাঠামো সংস্কার করা জরুরি।

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি খাতে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তরের কোনো বিকল্প নেই বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবাদীরা।
শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ (ডব্লিউকেবি), এশিয়ান পিপলস মুভমেন্ট অন ডেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এপিএমডিডি) এবং ফসিল ফুয়েল ট্রিটি ইনিশিয়েটিভ-এর যৌথ আয়োজনে ‘বৈশ্বিক অস্থিরতা: জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিতের উপায়’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্য
নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন (বকুল) প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, জ্বালানি ও পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিষয় একাধিক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন হওয়ায় সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সঠিক পরিকল্পনা ও তদারকির অভাবে পরিবেশ দূষণ ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি **রামপাল প্রকল্পর উদাহরণ তুলে ধরেন।
এমপি আশরাফ উদ্দিন সৌরবিদ্যুতের বিপুল সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, “দেশের অব্যবহৃত ছাদ ও শিল্পকারখানার জায়গা ব্যবহার করে হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।” তিনি শক্তি সাশ্রয়, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্পখাতে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জ্বালানি খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারকে বাস্তবমুখী ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বক্তাদের অভিমত
ধরা-র সহ-আহ্বায়ক এম এস সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সূচনা বক্তব্য রাখেন রিভার বাংলা’র সম্পাদক ও ধরা’র সদস্য ফয়সাল আহমেদ।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন:
যুক্তরাষ্ট্রের রিভারফক্স এনভায়রনমেন্টাল-এর সিইও ডোনা লিসেনবি
ফিলিপাইনের এপিএমডিডি-র সমন্বয়কারী লিডি ন্যাকপিল
ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ-এর সমন্বয়কারী শরীফ জামিল
ডোনা লিসেনবি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সৃষ্ট মারাত্মক ঝুঁকি ও অস্থিরতার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি করে তেল-গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করছে, যার প্রভাব দক্ষিণ এশিয়াসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি পড়বে। তিনি দেশীয় গ্যাস ও কয়লাকে তাৎক্ষণিক সমাধান না মনে করে রামপাল, পায়রা ও মাতারবাড়ী এলাকায় সোলার হাব গড়ে তোলাসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তরের ওপর জোর দেন।
লিডি ন্যাকপিল বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করছে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোকে। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিনির্ভরতা অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক সংকটকে আরও তীব্র করছে। তিনি দ্রুত ও ন্যায্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরের পাশাপাশি উন্নত দেশগুলোর ‘ফেয়ার শেয়ার’ অনুযায়ী জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার দাবি জানান।
শরীফ জামিল বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, বিদ্যমান বিদ্যুৎ প্রকল্পের অধিগ্রহণকৃত অতিরিক্ত জমি ব্যবহার করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ করলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং যুদ্ধজনিত সংকটেও মানুষ নিরাপদ থাকবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবন, মৎস্যসম্পদ ও স্থানীয় জীবিকায় গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পায়রা-পটুয়াখালী অঞ্চলের প্রকল্পগুলো ইলিশের প্রজননক্ষেত্র ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। মাতারবাড়ীতে জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক শিল্পায়ন লবণ উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
বিশেষ অতিথিবৃন্দ
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন:
পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোঃ জিয়াউল হক
অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির
ফসিল ফুয়েল ট্রিটি ইনিশিয়েটিভের এশিয়া ক্যাম্পেইনার মেগা মাসকি
ব্রাইট গ্রিন এনার্জি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান দিপাল বড়ুয়া
সিপিআরডি’র নির্বাহী পরিচালক মো. শামসুদ্দোহা
বক্তারা একমত পোষণ করে বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে আইনি ও নীতিগত কাঠামো সংস্কার করা জরুরি।

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি খাতে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তরের কোনো বিকল্প নেই বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবাদীরা।
শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ (ডব্লিউকেবি), এশিয়ান পিপলস মুভমেন্ট অন ডেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এপিএমডিডি) এবং ফসিল ফুয়েল ট্রিটি ইনিশিয়েটিভ-এর যৌথ আয়োজনে ‘বৈশ্বিক অস্থিরতা: জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিতের উপায়’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্য
নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন (বকুল) প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, জ্বালানি ও পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিষয় একাধিক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন হওয়ায় সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সঠিক পরিকল্পনা ও তদারকির অভাবে পরিবেশ দূষণ ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি **রামপাল প্রকল্পর উদাহরণ তুলে ধরেন।
এমপি আশরাফ উদ্দিন সৌরবিদ্যুতের বিপুল সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, “দেশের অব্যবহৃত ছাদ ও শিল্পকারখানার জায়গা ব্যবহার করে হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।” তিনি শক্তি সাশ্রয়, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্পখাতে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জ্বালানি খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারকে বাস্তবমুখী ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বক্তাদের অভিমত
ধরা-র সহ-আহ্বায়ক এম এস সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সূচনা বক্তব্য রাখেন রিভার বাংলা’র সম্পাদক ও ধরা’র সদস্য ফয়সাল আহমেদ।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন:
যুক্তরাষ্ট্রের রিভারফক্স এনভায়রনমেন্টাল-এর সিইও ডোনা লিসেনবি
ফিলিপাইনের এপিএমডিডি-র সমন্বয়কারী লিডি ন্যাকপিল
ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ-এর সমন্বয়কারী শরীফ জামিল
ডোনা লিসেনবি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সৃষ্ট মারাত্মক ঝুঁকি ও অস্থিরতার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি করে তেল-গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করছে, যার প্রভাব দক্ষিণ এশিয়াসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি পড়বে। তিনি দেশীয় গ্যাস ও কয়লাকে তাৎক্ষণিক সমাধান না মনে করে রামপাল, পায়রা ও মাতারবাড়ী এলাকায় সোলার হাব গড়ে তোলাসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তরের ওপর জোর দেন।
লিডি ন্যাকপিল বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করছে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোকে। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিনির্ভরতা অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক সংকটকে আরও তীব্র করছে। তিনি দ্রুত ও ন্যায্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরের পাশাপাশি উন্নত দেশগুলোর ‘ফেয়ার শেয়ার’ অনুযায়ী জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার দাবি জানান।
শরীফ জামিল বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, বিদ্যমান বিদ্যুৎ প্রকল্পের অধিগ্রহণকৃত অতিরিক্ত জমি ব্যবহার করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ করলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং যুদ্ধজনিত সংকটেও মানুষ নিরাপদ থাকবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবন, মৎস্যসম্পদ ও স্থানীয় জীবিকায় গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পায়রা-পটুয়াখালী অঞ্চলের প্রকল্পগুলো ইলিশের প্রজননক্ষেত্র ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। মাতারবাড়ীতে জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক শিল্পায়ন লবণ উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
বিশেষ অতিথিবৃন্দ
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন:
পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোঃ জিয়াউল হক
অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির
ফসিল ফুয়েল ট্রিটি ইনিশিয়েটিভের এশিয়া ক্যাম্পেইনার মেগা মাসকি
ব্রাইট গ্রিন এনার্জি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান দিপাল বড়ুয়া
সিপিআরডি’র নির্বাহী পরিচালক মো. শামসুদ্দোহা
বক্তারা একমত পোষণ করে বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে আইনি ও নীতিগত কাঠামো সংস্কার করা জরুরি।

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি খাতে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তরের কোনো বিকল্প নেই বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবাদীরা।
শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ (ডব্লিউকেবি), এশিয়ান পিপলস মুভমেন্ট অন ডেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এপিএমডিডি) এবং ফসিল ফুয়েল ট্রিটি ইনিশিয়েটিভ-এর যৌথ আয়োজনে ‘বৈশ্বিক অস্থিরতা: জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিতের উপায়’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্য
নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন (বকুল) প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, জ্বালানি ও পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিষয় একাধিক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন হওয়ায় সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সঠিক পরিকল্পনা ও তদারকির অভাবে পরিবেশ দূষণ ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি **রামপাল প্রকল্পর উদাহরণ তুলে ধরেন।
এমপি আশরাফ উদ্দিন সৌরবিদ্যুতের বিপুল সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, “দেশের অব্যবহৃত ছাদ ও শিল্পকারখানার জায়গা ব্যবহার করে হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।” তিনি শক্তি সাশ্রয়, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্পখাতে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জ্বালানি খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারকে বাস্তবমুখী ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বক্তাদের অভিমত
ধরা-র সহ-আহ্বায়ক এম এস সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সূচনা বক্তব্য রাখেন রিভার বাংলা’র সম্পাদক ও ধরা’র সদস্য ফয়সাল আহমেদ।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন:
যুক্তরাষ্ট্রের রিভারফক্স এনভায়রনমেন্টাল-এর সিইও ডোনা লিসেনবি
ফিলিপাইনের এপিএমডিডি-র সমন্বয়কারী লিডি ন্যাকপিল
ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ-এর সমন্বয়কারী শরীফ জামিল
ডোনা লিসেনবি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সৃষ্ট মারাত্মক ঝুঁকি ও অস্থিরতার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি করে তেল-গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করছে, যার প্রভাব দক্ষিণ এশিয়াসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি পড়বে। তিনি দেশীয় গ্যাস ও কয়লাকে তাৎক্ষণিক সমাধান না মনে করে রামপাল, পায়রা ও মাতারবাড়ী এলাকায় সোলার হাব গড়ে তোলাসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তরের ওপর জোর দেন।
লিডি ন্যাকপিল বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করছে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোকে। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিনির্ভরতা অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক সংকটকে আরও তীব্র করছে। তিনি দ্রুত ও ন্যায্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরের পাশাপাশি উন্নত দেশগুলোর ‘ফেয়ার শেয়ার’ অনুযায়ী জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার দাবি জানান।
শরীফ জামিল বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, বিদ্যমান বিদ্যুৎ প্রকল্পের অধিগ্রহণকৃত অতিরিক্ত জমি ব্যবহার করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ করলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং যুদ্ধজনিত সংকটেও মানুষ নিরাপদ থাকবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবন, মৎস্যসম্পদ ও স্থানীয় জীবিকায় গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পায়রা-পটুয়াখালী অঞ্চলের প্রকল্পগুলো ইলিশের প্রজননক্ষেত্র ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। মাতারবাড়ীতে জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক শিল্পায়ন লবণ উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
বিশেষ অতিথিবৃন্দ
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন:
পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোঃ জিয়াউল হক
অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির
ফসিল ফুয়েল ট্রিটি ইনিশিয়েটিভের এশিয়া ক্যাম্পেইনার মেগা মাসকি
ব্রাইট গ্রিন এনার্জি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান দিপাল বড়ুয়া
সিপিআরডি’র নির্বাহী পরিচালক মো. শামসুদ্দোহা
বক্তারা একমত পোষণ করে বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে আইনি ও নীতিগত কাঠামো সংস্কার করা জরুরি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!