জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, বিএনপির অতি-উৎসাহী সমর্থকেরা নানাভাবে তাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তার ও স্ত্রীর মোবাইল নম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে বিব্রত ও হেনস্তা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রাশেদ প্রধান।
লিখিত বক্তব্যে রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমি যে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছি, তা শুধু আমার বক্তব্য অথবা দলীয় মুখপাত্র হিসেবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির বক্তব্য। এর সঙ্গে আমাদের ১১ দলীয় ঐক্যের কোনো সম্পর্ক নেই। অতএব, আমার বক্তব্যকে জামায়াত, অথবা ১১ দলের বক্তব্য হিসেবে যারা প্রচার করছেন, তারা ভুল করছেন।’
রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমাকে বিব্রত করার লক্ষ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অতি-উৎসাহী বিএনপি সমর্থকেরা আমার ফোনে সুমধুর মিষ্টি ভাষায় বকাঝকা দিচ্ছেন। একই সঙ্গে নানাবিধ পন্থায় আমাকে হত্যার হুমকি প্রয়োগ করছেন। জুলাই গণঅভ্যুথান-পরবর্তী বাংলাদেশে বাক-স্বাধীনতার এত চমৎকার উদাহরণ আমরা আশা করিনি। আমি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বিএনপি সমর্থকদের বলতে চাই, জুলাই গণঅভ্যুথানে আমার ১৯ তারিখ মৃত্যু হতে পারত। আমি আল্লাহ প্রদত্ত দ্বিতীয় জীবনযাপন করছি। মৃত্যুর ভয়ে আমি রাজনীতি করি না। মহান রব্বুল আলামিন যেদিন যে সময়ে আমার মৃত্যু নির্ধারণ করেছেন, তার ১ সেকেন্ড আগে অথবা ১ সেকেন্ড পরে আমার মৃত্যু হবে না।’
রাশেদ প্রধান আরও বলেন, ‘রাজনীতির সঙ্গে সংযুক্ত না থাকার পরেও শুধু আমার সহধর্মিণী হওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আমার পরিবারের মানুষকে হেনস্তা করা হচ্ছে, যা একটি গোষ্ঠীর রুচিবোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।’
জাগপার এই মুখপাত্র বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার মরহুম দাদা পাকিস্তান আমলের স্পিকার মুসলিম লীগের নেতা গমীর উদ্দিন প্রধানকে রাজাকার বলা হচ্ছে। অথচ আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ কোনো সরকারের আমলে তার নামে এ ধরনের কোনো অপবাদ কেউ দেয়নি। আমার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার মরহুম পিতা ও জাগপার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানকে রাজাকার বলা হচ্ছে। অথচ ইতিহাস বলে, শফিউল আলম প্রধান ৭১ সালের ২৩ মার্চ পরাধীন বাংলার দিনাজপুরে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাজাকার বানানোর এই মিথ্যা চক্রান্ত নিন্দনীয়।’
জাগপানেতা রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার মরহুম পিতা জাগপা প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানকে মুহসীন হলে সংঘটিত সাত খুনের হত্যাকারী বলা হচ্ছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অসংখ্য বর্ষীয়ান বিএনপিনেতার মুখে পাবলিক মিটিংয়ে আমরা শুনেছি, এটি একটি মিথ্যা অপবাদ। তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৬৪ জন দুর্নীতিবাজের নামের তালিকা প্রকাশের এক সপ্তাহের মধ্যে সাত খুন সংঘটিত হয় এবং শফিউল আলম প্রধানকে আসামি করা হয় মুজিব সরকারের নির্দেশে। শফিউল আলম প্রধান সে সময় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আর সভাপতি ছিলেন বর্তমান বিএনপি সরকারের সংসদ সদস্য (এমপি) মনিরুল হক চৌধুরী।’
বিএনপি সমর্থকদের উদ্দেশে রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমি বিএনপি সমর্থকদের বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করব, আমার মরহুম পিতাকে আওয়ামী কায়দায় খুনি বলার আগে আপনাদের নেতা মনিরুল হক চৌধুরীর কাছে প্রকৃত ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হওয়ার জন্য। ওনাকে খুনি বলাটা তো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করা।’
রাশেদ প্রধান আরও বলেন, ‘আমি দেশের প্রত্যেক নাগরিককে জুলাই গণঅভ্যুথান-পরবর্তী বাংলাদেশে সুস্থ ধারার রাজনীতিকে সমর্থন করার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রকৃত স্বাধীনতা, প্রকৃত সার্বভৌমত্ব, প্রকৃত গণতন্ত্র, প্রকৃত বাক-স্বাধীনতা ও প্রকৃত মানবাধিকারের প্রত্যাশা করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা সেক্রেটারি অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন এবং দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, বিএনপির অতি-উৎসাহী সমর্থকেরা নানাভাবে তাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তার ও স্ত্রীর মোবাইল নম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে বিব্রত ও হেনস্তা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রাশেদ প্রধান।
লিখিত বক্তব্যে রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমি যে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছি, তা শুধু আমার বক্তব্য অথবা দলীয় মুখপাত্র হিসেবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির বক্তব্য। এর সঙ্গে আমাদের ১১ দলীয় ঐক্যের কোনো সম্পর্ক নেই। অতএব, আমার বক্তব্যকে জামায়াত, অথবা ১১ দলের বক্তব্য হিসেবে যারা প্রচার করছেন, তারা ভুল করছেন।’
রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমাকে বিব্রত করার লক্ষ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অতি-উৎসাহী বিএনপি সমর্থকেরা আমার ফোনে সুমধুর মিষ্টি ভাষায় বকাঝকা দিচ্ছেন। একই সঙ্গে নানাবিধ পন্থায় আমাকে হত্যার হুমকি প্রয়োগ করছেন। জুলাই গণঅভ্যুথান-পরবর্তী বাংলাদেশে বাক-স্বাধীনতার এত চমৎকার উদাহরণ আমরা আশা করিনি। আমি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বিএনপি সমর্থকদের বলতে চাই, জুলাই গণঅভ্যুথানে আমার ১৯ তারিখ মৃত্যু হতে পারত। আমি আল্লাহ প্রদত্ত দ্বিতীয় জীবনযাপন করছি। মৃত্যুর ভয়ে আমি রাজনীতি করি না। মহান রব্বুল আলামিন যেদিন যে সময়ে আমার মৃত্যু নির্ধারণ করেছেন, তার ১ সেকেন্ড আগে অথবা ১ সেকেন্ড পরে আমার মৃত্যু হবে না।’
রাশেদ প্রধান আরও বলেন, ‘রাজনীতির সঙ্গে সংযুক্ত না থাকার পরেও শুধু আমার সহধর্মিণী হওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আমার পরিবারের মানুষকে হেনস্তা করা হচ্ছে, যা একটি গোষ্ঠীর রুচিবোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।’
জাগপার এই মুখপাত্র বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার মরহুম দাদা পাকিস্তান আমলের স্পিকার মুসলিম লীগের নেতা গমীর উদ্দিন প্রধানকে রাজাকার বলা হচ্ছে। অথচ আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ কোনো সরকারের আমলে তার নামে এ ধরনের কোনো অপবাদ কেউ দেয়নি। আমার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার মরহুম পিতা ও জাগপার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানকে রাজাকার বলা হচ্ছে। অথচ ইতিহাস বলে, শফিউল আলম প্রধান ৭১ সালের ২৩ মার্চ পরাধীন বাংলার দিনাজপুরে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাজাকার বানানোর এই মিথ্যা চক্রান্ত নিন্দনীয়।’
জাগপানেতা রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার মরহুম পিতা জাগপা প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানকে মুহসীন হলে সংঘটিত সাত খুনের হত্যাকারী বলা হচ্ছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অসংখ্য বর্ষীয়ান বিএনপিনেতার মুখে পাবলিক মিটিংয়ে আমরা শুনেছি, এটি একটি মিথ্যা অপবাদ। তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৬৪ জন দুর্নীতিবাজের নামের তালিকা প্রকাশের এক সপ্তাহের মধ্যে সাত খুন সংঘটিত হয় এবং শফিউল আলম প্রধানকে আসামি করা হয় মুজিব সরকারের নির্দেশে। শফিউল আলম প্রধান সে সময় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আর সভাপতি ছিলেন বর্তমান বিএনপি সরকারের সংসদ সদস্য (এমপি) মনিরুল হক চৌধুরী।’
বিএনপি সমর্থকদের উদ্দেশে রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমি বিএনপি সমর্থকদের বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করব, আমার মরহুম পিতাকে আওয়ামী কায়দায় খুনি বলার আগে আপনাদের নেতা মনিরুল হক চৌধুরীর কাছে প্রকৃত ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হওয়ার জন্য। ওনাকে খুনি বলাটা তো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করা।’
রাশেদ প্রধান আরও বলেন, ‘আমি দেশের প্রত্যেক নাগরিককে জুলাই গণঅভ্যুথান-পরবর্তী বাংলাদেশে সুস্থ ধারার রাজনীতিকে সমর্থন করার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রকৃত স্বাধীনতা, প্রকৃত সার্বভৌমত্ব, প্রকৃত গণতন্ত্র, প্রকৃত বাক-স্বাধীনতা ও প্রকৃত মানবাধিকারের প্রত্যাশা করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা সেক্রেটারি অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন এবং দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, বিএনপির অতি-উৎসাহী সমর্থকেরা নানাভাবে তাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তার ও স্ত্রীর মোবাইল নম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে বিব্রত ও হেনস্তা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রাশেদ প্রধান।
লিখিত বক্তব্যে রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমি যে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছি, তা শুধু আমার বক্তব্য অথবা দলীয় মুখপাত্র হিসেবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির বক্তব্য। এর সঙ্গে আমাদের ১১ দলীয় ঐক্যের কোনো সম্পর্ক নেই। অতএব, আমার বক্তব্যকে জামায়াত, অথবা ১১ দলের বক্তব্য হিসেবে যারা প্রচার করছেন, তারা ভুল করছেন।’
রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমাকে বিব্রত করার লক্ষ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অতি-উৎসাহী বিএনপি সমর্থকেরা আমার ফোনে সুমধুর মিষ্টি ভাষায় বকাঝকা দিচ্ছেন। একই সঙ্গে নানাবিধ পন্থায় আমাকে হত্যার হুমকি প্রয়োগ করছেন। জুলাই গণঅভ্যুথান-পরবর্তী বাংলাদেশে বাক-স্বাধীনতার এত চমৎকার উদাহরণ আমরা আশা করিনি। আমি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বিএনপি সমর্থকদের বলতে চাই, জুলাই গণঅভ্যুথানে আমার ১৯ তারিখ মৃত্যু হতে পারত। আমি আল্লাহ প্রদত্ত দ্বিতীয় জীবনযাপন করছি। মৃত্যুর ভয়ে আমি রাজনীতি করি না। মহান রব্বুল আলামিন যেদিন যে সময়ে আমার মৃত্যু নির্ধারণ করেছেন, তার ১ সেকেন্ড আগে অথবা ১ সেকেন্ড পরে আমার মৃত্যু হবে না।’
রাশেদ প্রধান আরও বলেন, ‘রাজনীতির সঙ্গে সংযুক্ত না থাকার পরেও শুধু আমার সহধর্মিণী হওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আমার পরিবারের মানুষকে হেনস্তা করা হচ্ছে, যা একটি গোষ্ঠীর রুচিবোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।’
জাগপার এই মুখপাত্র বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার মরহুম দাদা পাকিস্তান আমলের স্পিকার মুসলিম লীগের নেতা গমীর উদ্দিন প্রধানকে রাজাকার বলা হচ্ছে। অথচ আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ কোনো সরকারের আমলে তার নামে এ ধরনের কোনো অপবাদ কেউ দেয়নি। আমার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার মরহুম পিতা ও জাগপার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানকে রাজাকার বলা হচ্ছে। অথচ ইতিহাস বলে, শফিউল আলম প্রধান ৭১ সালের ২৩ মার্চ পরাধীন বাংলার দিনাজপুরে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাজাকার বানানোর এই মিথ্যা চক্রান্ত নিন্দনীয়।’
জাগপানেতা রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার মরহুম পিতা জাগপা প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানকে মুহসীন হলে সংঘটিত সাত খুনের হত্যাকারী বলা হচ্ছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অসংখ্য বর্ষীয়ান বিএনপিনেতার মুখে পাবলিক মিটিংয়ে আমরা শুনেছি, এটি একটি মিথ্যা অপবাদ। তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৬৪ জন দুর্নীতিবাজের নামের তালিকা প্রকাশের এক সপ্তাহের মধ্যে সাত খুন সংঘটিত হয় এবং শফিউল আলম প্রধানকে আসামি করা হয় মুজিব সরকারের নির্দেশে। শফিউল আলম প্রধান সে সময় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আর সভাপতি ছিলেন বর্তমান বিএনপি সরকারের সংসদ সদস্য (এমপি) মনিরুল হক চৌধুরী।’
বিএনপি সমর্থকদের উদ্দেশে রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমি বিএনপি সমর্থকদের বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করব, আমার মরহুম পিতাকে আওয়ামী কায়দায় খুনি বলার আগে আপনাদের নেতা মনিরুল হক চৌধুরীর কাছে প্রকৃত ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হওয়ার জন্য। ওনাকে খুনি বলাটা তো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করা।’
রাশেদ প্রধান আরও বলেন, ‘আমি দেশের প্রত্যেক নাগরিককে জুলাই গণঅভ্যুথান-পরবর্তী বাংলাদেশে সুস্থ ধারার রাজনীতিকে সমর্থন করার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রকৃত স্বাধীনতা, প্রকৃত সার্বভৌমত্ব, প্রকৃত গণতন্ত্র, প্রকৃত বাক-স্বাধীনতা ও প্রকৃত মানবাধিকারের প্রত্যাশা করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা সেক্রেটারি অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন এবং দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, বিএনপির অতি-উৎসাহী সমর্থকেরা নানাভাবে তাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তার ও স্ত্রীর মোবাইল নম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে বিব্রত ও হেনস্তা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রাশেদ প্রধান।
লিখিত বক্তব্যে রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমি যে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছি, তা শুধু আমার বক্তব্য অথবা দলীয় মুখপাত্র হিসেবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির বক্তব্য। এর সঙ্গে আমাদের ১১ দলীয় ঐক্যের কোনো সম্পর্ক নেই। অতএব, আমার বক্তব্যকে জামায়াত, অথবা ১১ দলের বক্তব্য হিসেবে যারা প্রচার করছেন, তারা ভুল করছেন।’
রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমাকে বিব্রত করার লক্ষ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অতি-উৎসাহী বিএনপি সমর্থকেরা আমার ফোনে সুমধুর মিষ্টি ভাষায় বকাঝকা দিচ্ছেন। একই সঙ্গে নানাবিধ পন্থায় আমাকে হত্যার হুমকি প্রয়োগ করছেন। জুলাই গণঅভ্যুথান-পরবর্তী বাংলাদেশে বাক-স্বাধীনতার এত চমৎকার উদাহরণ আমরা আশা করিনি। আমি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বিএনপি সমর্থকদের বলতে চাই, জুলাই গণঅভ্যুথানে আমার ১৯ তারিখ মৃত্যু হতে পারত। আমি আল্লাহ প্রদত্ত দ্বিতীয় জীবনযাপন করছি। মৃত্যুর ভয়ে আমি রাজনীতি করি না। মহান রব্বুল আলামিন যেদিন যে সময়ে আমার মৃত্যু নির্ধারণ করেছেন, তার ১ সেকেন্ড আগে অথবা ১ সেকেন্ড পরে আমার মৃত্যু হবে না।’
রাশেদ প্রধান আরও বলেন, ‘রাজনীতির সঙ্গে সংযুক্ত না থাকার পরেও শুধু আমার সহধর্মিণী হওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আমার পরিবারের মানুষকে হেনস্তা করা হচ্ছে, যা একটি গোষ্ঠীর রুচিবোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।’
জাগপার এই মুখপাত্র বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার মরহুম দাদা পাকিস্তান আমলের স্পিকার মুসলিম লীগের নেতা গমীর উদ্দিন প্রধানকে রাজাকার বলা হচ্ছে। অথচ আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ কোনো সরকারের আমলে তার নামে এ ধরনের কোনো অপবাদ কেউ দেয়নি। আমার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার মরহুম পিতা ও জাগপার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানকে রাজাকার বলা হচ্ছে। অথচ ইতিহাস বলে, শফিউল আলম প্রধান ৭১ সালের ২৩ মার্চ পরাধীন বাংলার দিনাজপুরে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাজাকার বানানোর এই মিথ্যা চক্রান্ত নিন্দনীয়।’
জাগপানেতা রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার মরহুম পিতা জাগপা প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানকে মুহসীন হলে সংঘটিত সাত খুনের হত্যাকারী বলা হচ্ছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অসংখ্য বর্ষীয়ান বিএনপিনেতার মুখে পাবলিক মিটিংয়ে আমরা শুনেছি, এটি একটি মিথ্যা অপবাদ। তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৬৪ জন দুর্নীতিবাজের নামের তালিকা প্রকাশের এক সপ্তাহের মধ্যে সাত খুন সংঘটিত হয় এবং শফিউল আলম প্রধানকে আসামি করা হয় মুজিব সরকারের নির্দেশে। শফিউল আলম প্রধান সে সময় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আর সভাপতি ছিলেন বর্তমান বিএনপি সরকারের সংসদ সদস্য (এমপি) মনিরুল হক চৌধুরী।’
বিএনপি সমর্থকদের উদ্দেশে রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমি বিএনপি সমর্থকদের বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করব, আমার মরহুম পিতাকে আওয়ামী কায়দায় খুনি বলার আগে আপনাদের নেতা মনিরুল হক চৌধুরীর কাছে প্রকৃত ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হওয়ার জন্য। ওনাকে খুনি বলাটা তো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করা।’
রাশেদ প্রধান আরও বলেন, ‘আমি দেশের প্রত্যেক নাগরিককে জুলাই গণঅভ্যুথান-পরবর্তী বাংলাদেশে সুস্থ ধারার রাজনীতিকে সমর্থন করার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রকৃত স্বাধীনতা, প্রকৃত সার্বভৌমত্ব, প্রকৃত গণতন্ত্র, প্রকৃত বাক-স্বাধীনতা ও প্রকৃত মানবাধিকারের প্রত্যাশা করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা সেক্রেটারি অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন এবং দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!