জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ডা. শিরীন শারমিন চৌধুরী জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
কারাগারের সিনিয়র জেলসুপার কাওয়ালিন নাহার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিকেল ৪টার দিকে জামিনসংক্রান্ত কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির পর স্বজনরা তাকে কারাগার থেকে নিয়ে যান।
এর আগে রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি শেষে রাজধানীর লালবাগ থানা এলাকায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, শুনানির সময় শিরীন শারমিন চৌধুরীকে সশরীরে আদালতে হাজির করা হয়নি। তার পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে লালবাগ এলাকায় সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
জানা গেছে, ২০২৪ সালে আন্দোলন চলাকালে সংঘর্ষে হত্যাচেষ্টাসহ গুরুতর অপরাধের অভিযোগে তাকে ওই মামলায় আসামি করা হয়। এর আগে গত ৭ এপ্রিল রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হলে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করে এবং আসামিপক্ষ জামিন আবেদন জানায়। সেদিন আদালত উভয় আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় রোববার জামিন মঞ্জুর হলে কারামুক্ত হন সাবেক এই স্পিকার।
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ডা. শিরীন শারমিন চৌধুরী জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
কারাগারের সিনিয়র জেলসুপার কাওয়ালিন নাহার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিকেল ৪টার দিকে জামিনসংক্রান্ত কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির পর স্বজনরা তাকে কারাগার থেকে নিয়ে যান।
এর আগে রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি শেষে রাজধানীর লালবাগ থানা এলাকায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, শুনানির সময় শিরীন শারমিন চৌধুরীকে সশরীরে আদালতে হাজির করা হয়নি। তার পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে লালবাগ এলাকায় সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
জানা গেছে, ২০২৪ সালে আন্দোলন চলাকালে সংঘর্ষে হত্যাচেষ্টাসহ গুরুতর অপরাধের অভিযোগে তাকে ওই মামলায় আসামি করা হয়। এর আগে গত ৭ এপ্রিল রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হলে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করে এবং আসামিপক্ষ জামিন আবেদন জানায়। সেদিন আদালত উভয় আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় রোববার জামিন মঞ্জুর হলে কারামুক্ত হন সাবেক এই স্পিকার।
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ডা. শিরীন শারমিন চৌধুরী জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
কারাগারের সিনিয়র জেলসুপার কাওয়ালিন নাহার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিকেল ৪টার দিকে জামিনসংক্রান্ত কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির পর স্বজনরা তাকে কারাগার থেকে নিয়ে যান।
এর আগে রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি শেষে রাজধানীর লালবাগ থানা এলাকায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, শুনানির সময় শিরীন শারমিন চৌধুরীকে সশরীরে আদালতে হাজির করা হয়নি। তার পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে লালবাগ এলাকায় সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
জানা গেছে, ২০২৪ সালে আন্দোলন চলাকালে সংঘর্ষে হত্যাচেষ্টাসহ গুরুতর অপরাধের অভিযোগে তাকে ওই মামলায় আসামি করা হয়। এর আগে গত ৭ এপ্রিল রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হলে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করে এবং আসামিপক্ষ জামিন আবেদন জানায়। সেদিন আদালত উভয় আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় রোববার জামিন মঞ্জুর হলে কারামুক্ত হন সাবেক এই স্পিকার।
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ডা. শিরীন শারমিন চৌধুরী জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
কারাগারের সিনিয়র জেলসুপার কাওয়ালিন নাহার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিকেল ৪টার দিকে জামিনসংক্রান্ত কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির পর স্বজনরা তাকে কারাগার থেকে নিয়ে যান।
এর আগে রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি শেষে রাজধানীর লালবাগ থানা এলাকায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, শুনানির সময় শিরীন শারমিন চৌধুরীকে সশরীরে আদালতে হাজির করা হয়নি। তার পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে লালবাগ এলাকায় সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
জানা গেছে, ২০২৪ সালে আন্দোলন চলাকালে সংঘর্ষে হত্যাচেষ্টাসহ গুরুতর অপরাধের অভিযোগে তাকে ওই মামলায় আসামি করা হয়। এর আগে গত ৭ এপ্রিল রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হলে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করে এবং আসামিপক্ষ জামিন আবেদন জানায়। সেদিন আদালত উভয় আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় রোববার জামিন মঞ্জুর হলে কারামুক্ত হন সাবেক এই স্পিকার।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!