
জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী–এর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের রমনা থানা শাখার সভাপতি আশরাফুল ইসলামকে শোকজ করেছে দলটি।
রোববার (৮ মার্চ) রাতে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ শোকজ করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, দলের অনুমতি ছাড়া স্বপ্রণোদিত হয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করে তিনি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। এ কারণে কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
এর আগে রোববার সকালে আশরাফুল ইসলাম ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলার আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হওয়ার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন এবং হুমকি দিয়েছেন।
মামলার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন বলে জানান বাদীপক্ষের আইনজীবী আমিরুল ইসলাম। তিনি জানান আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আসামিকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছে। সবশেষ ৫ মার্চ ফেসবুকে আশরাফুল ইসলাম দেখতে পান, পাটয়ারী মির্জা আব্বাসকে নিয়ে বিভিন্ন মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। বক্তব্যগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল করে দিয়ে মির্জা আব্বাসের মান সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। মির্জা আব্বাসের সুনাম ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের জন্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে একের পর এক মিথ্যা বানোয়াট বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন, যা সব প্রকার শিষ্টাচার সভ্যতার রীতিনীতি বহির্ভূত এবং মানহানিকর।

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী–এর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের রমনা থানা শাখার সভাপতি আশরাফুল ইসলামকে শোকজ করেছে দলটি।
রোববার (৮ মার্চ) রাতে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ শোকজ করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, দলের অনুমতি ছাড়া স্বপ্রণোদিত হয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করে তিনি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। এ কারণে কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
এর আগে রোববার সকালে আশরাফুল ইসলাম ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলার আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হওয়ার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন এবং হুমকি দিয়েছেন।
মামলার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন বলে জানান বাদীপক্ষের আইনজীবী আমিরুল ইসলাম। তিনি জানান আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আসামিকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছে। সবশেষ ৫ মার্চ ফেসবুকে আশরাফুল ইসলাম দেখতে পান, পাটয়ারী মির্জা আব্বাসকে নিয়ে বিভিন্ন মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। বক্তব্যগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল করে দিয়ে মির্জা আব্বাসের মান সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। মির্জা আব্বাসের সুনাম ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের জন্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে একের পর এক মিথ্যা বানোয়াট বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন, যা সব প্রকার শিষ্টাচার সভ্যতার রীতিনীতি বহির্ভূত এবং মানহানিকর।

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী–এর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের রমনা থানা শাখার সভাপতি আশরাফুল ইসলামকে শোকজ করেছে দলটি।
রোববার (৮ মার্চ) রাতে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ শোকজ করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, দলের অনুমতি ছাড়া স্বপ্রণোদিত হয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করে তিনি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। এ কারণে কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
এর আগে রোববার সকালে আশরাফুল ইসলাম ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলার আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হওয়ার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন এবং হুমকি দিয়েছেন।
মামলার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন বলে জানান বাদীপক্ষের আইনজীবী আমিরুল ইসলাম। তিনি জানান আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আসামিকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছে। সবশেষ ৫ মার্চ ফেসবুকে আশরাফুল ইসলাম দেখতে পান, পাটয়ারী মির্জা আব্বাসকে নিয়ে বিভিন্ন মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। বক্তব্যগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল করে দিয়ে মির্জা আব্বাসের মান সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। মির্জা আব্বাসের সুনাম ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের জন্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে একের পর এক মিথ্যা বানোয়াট বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন, যা সব প্রকার শিষ্টাচার সভ্যতার রীতিনীতি বহির্ভূত এবং মানহানিকর।

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী–এর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের রমনা থানা শাখার সভাপতি আশরাফুল ইসলামকে শোকজ করেছে দলটি।
রোববার (৮ মার্চ) রাতে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ শোকজ করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, দলের অনুমতি ছাড়া স্বপ্রণোদিত হয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করে তিনি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। এ কারণে কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
এর আগে রোববার সকালে আশরাফুল ইসলাম ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলার আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হওয়ার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন এবং হুমকি দিয়েছেন।
মামলার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন বলে জানান বাদীপক্ষের আইনজীবী আমিরুল ইসলাম। তিনি জানান আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আসামিকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছে। সবশেষ ৫ মার্চ ফেসবুকে আশরাফুল ইসলাম দেখতে পান, পাটয়ারী মির্জা আব্বাসকে নিয়ে বিভিন্ন মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। বক্তব্যগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল করে দিয়ে মির্জা আব্বাসের মান সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। মির্জা আব্বাসের সুনাম ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের জন্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে একের পর এক মিথ্যা বানোয়াট বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন, যা সব প্রকার শিষ্টাচার সভ্যতার রীতিনীতি বহির্ভূত এবং মানহানিকর।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!