সব নারী ও কন্যা শিশুর জন্য বাংলাদেশকে নিরাপদ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জুবাইদা রহমান। রোববার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন–এ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের একটি বহুল প্রচলিত উক্তি রয়েছে-‘নারী যখন এগিয়ে যায়, তখন জাতিও এগিয়ে যায়।’ ইনশা-আল্লাহ বাংলাদেশ এমন একটি দেশ হবে যেখানে প্রতিটি নারী ও কন্যা শিশু নিরাপদ, মর্যাদাবান এবং সম্ভাবনাময় উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অধিকারী হবে।
এ সময় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশের সব নারীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান জুবাইদা রহমান।
অনুষ্ঠানে তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জীবন নারীর দৃঢ়তা, সাহস ও নেতৃত্বের শক্তির গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এ সময় প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রগতিতে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তার পক্ষে নাতনি জাইমা রহমান রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জে ড এম জাহিদ হোসেন–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, ইউএনডিপি–এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফার লিলার এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা।
সব নারী ও কন্যা শিশুর জন্য বাংলাদেশকে নিরাপদ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জুবাইদা রহমান। রোববার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন–এ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের একটি বহুল প্রচলিত উক্তি রয়েছে-‘নারী যখন এগিয়ে যায়, তখন জাতিও এগিয়ে যায়।’ ইনশা-আল্লাহ বাংলাদেশ এমন একটি দেশ হবে যেখানে প্রতিটি নারী ও কন্যা শিশু নিরাপদ, মর্যাদাবান এবং সম্ভাবনাময় উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অধিকারী হবে।
এ সময় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশের সব নারীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান জুবাইদা রহমান।
অনুষ্ঠানে তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জীবন নারীর দৃঢ়তা, সাহস ও নেতৃত্বের শক্তির গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এ সময় প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রগতিতে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তার পক্ষে নাতনি জাইমা রহমান রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জে ড এম জাহিদ হোসেন–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, ইউএনডিপি–এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফার লিলার এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা।
সব নারী ও কন্যা শিশুর জন্য বাংলাদেশকে নিরাপদ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জুবাইদা রহমান। রোববার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন–এ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের একটি বহুল প্রচলিত উক্তি রয়েছে-‘নারী যখন এগিয়ে যায়, তখন জাতিও এগিয়ে যায়।’ ইনশা-আল্লাহ বাংলাদেশ এমন একটি দেশ হবে যেখানে প্রতিটি নারী ও কন্যা শিশু নিরাপদ, মর্যাদাবান এবং সম্ভাবনাময় উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অধিকারী হবে।
এ সময় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশের সব নারীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান জুবাইদা রহমান।
অনুষ্ঠানে তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জীবন নারীর দৃঢ়তা, সাহস ও নেতৃত্বের শক্তির গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এ সময় প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রগতিতে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তার পক্ষে নাতনি জাইমা রহমান রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জে ড এম জাহিদ হোসেন–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, ইউএনডিপি–এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফার লিলার এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা।
সব নারী ও কন্যা শিশুর জন্য বাংলাদেশকে নিরাপদ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জুবাইদা রহমান। রোববার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন–এ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের একটি বহুল প্রচলিত উক্তি রয়েছে-‘নারী যখন এগিয়ে যায়, তখন জাতিও এগিয়ে যায়।’ ইনশা-আল্লাহ বাংলাদেশ এমন একটি দেশ হবে যেখানে প্রতিটি নারী ও কন্যা শিশু নিরাপদ, মর্যাদাবান এবং সম্ভাবনাময় উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অধিকারী হবে।
এ সময় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশের সব নারীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান জুবাইদা রহমান।
অনুষ্ঠানে তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জীবন নারীর দৃঢ়তা, সাহস ও নেতৃত্বের শক্তির গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এ সময় প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রগতিতে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তার পক্ষে নাতনি জাইমা রহমান রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জে ড এম জাহিদ হোসেন–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, ইউএনডিপি–এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফার লিলার এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!