
ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করা কঠিন হতে পারে বলে আগেই সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা কাউন্সিলের একটি গোপন প্রতিবেদনে এমন আশঙ্কার কথা তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বড় আকারের আক্রমণ চালালেও ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ও ইসলামি শাসন কাঠামো পুরোপুরি উৎখাত করা সহজ হবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বর্তমান নেতৃত্বকে সরিয়ে সেখানে নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তবে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সেই পরিকল্পনা সফল হবে কি না-তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন সম্পর্কে অবগত কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হলেও দেশটির ধর্মীয় ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে। একই সঙ্গে বিভক্ত বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর পক্ষে দ্রুত ক্ষমতা দখল করা কঠিন হবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা কাউন্সিল দেশটির বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন প্রতিবেদন তৈরি করে থাকে। তবে ইরানের ওপর সামরিক অভিযান শুরুর আগে এই প্রতিবেদন সম্পর্কে ট্রাম্পকে অবহিত করা হয়েছিল কি না-সে বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এদিকে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পশ্চিম দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের সদস্য দেশ তুরস্কর কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করা কঠিন হতে পারে বলে আগেই সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা কাউন্সিলের একটি গোপন প্রতিবেদনে এমন আশঙ্কার কথা তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বড় আকারের আক্রমণ চালালেও ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ও ইসলামি শাসন কাঠামো পুরোপুরি উৎখাত করা সহজ হবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বর্তমান নেতৃত্বকে সরিয়ে সেখানে নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তবে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সেই পরিকল্পনা সফল হবে কি না-তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন সম্পর্কে অবগত কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হলেও দেশটির ধর্মীয় ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে। একই সঙ্গে বিভক্ত বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর পক্ষে দ্রুত ক্ষমতা দখল করা কঠিন হবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা কাউন্সিল দেশটির বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন প্রতিবেদন তৈরি করে থাকে। তবে ইরানের ওপর সামরিক অভিযান শুরুর আগে এই প্রতিবেদন সম্পর্কে ট্রাম্পকে অবহিত করা হয়েছিল কি না-সে বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এদিকে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পশ্চিম দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের সদস্য দেশ তুরস্কর কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করা কঠিন হতে পারে বলে আগেই সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা কাউন্সিলের একটি গোপন প্রতিবেদনে এমন আশঙ্কার কথা তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বড় আকারের আক্রমণ চালালেও ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ও ইসলামি শাসন কাঠামো পুরোপুরি উৎখাত করা সহজ হবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বর্তমান নেতৃত্বকে সরিয়ে সেখানে নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তবে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সেই পরিকল্পনা সফল হবে কি না-তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন সম্পর্কে অবগত কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হলেও দেশটির ধর্মীয় ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে। একই সঙ্গে বিভক্ত বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর পক্ষে দ্রুত ক্ষমতা দখল করা কঠিন হবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা কাউন্সিল দেশটির বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন প্রতিবেদন তৈরি করে থাকে। তবে ইরানের ওপর সামরিক অভিযান শুরুর আগে এই প্রতিবেদন সম্পর্কে ট্রাম্পকে অবহিত করা হয়েছিল কি না-সে বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এদিকে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পশ্চিম দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের সদস্য দেশ তুরস্কর কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করা কঠিন হতে পারে বলে আগেই সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা কাউন্সিলের একটি গোপন প্রতিবেদনে এমন আশঙ্কার কথা তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বড় আকারের আক্রমণ চালালেও ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ও ইসলামি শাসন কাঠামো পুরোপুরি উৎখাত করা সহজ হবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বর্তমান নেতৃত্বকে সরিয়ে সেখানে নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তবে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সেই পরিকল্পনা সফল হবে কি না-তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন সম্পর্কে অবগত কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হলেও দেশটির ধর্মীয় ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে। একই সঙ্গে বিভক্ত বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর পক্ষে দ্রুত ক্ষমতা দখল করা কঠিন হবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা কাউন্সিল দেশটির বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন প্রতিবেদন তৈরি করে থাকে। তবে ইরানের ওপর সামরিক অভিযান শুরুর আগে এই প্রতিবেদন সম্পর্কে ট্রাম্পকে অবহিত করা হয়েছিল কি না-সে বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এদিকে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পশ্চিম দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের সদস্য দেশ তুরস্কর কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!