মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে আজ যেন এক রূপকথার গল্প লিখল বাংলাদেশ। ওয়ানডে ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয় নিশ্চিত করল লাল-সবুজের দল। মাত্র ১১৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ শেষ করে মাত্র ১৫ ওভার ১ বলেই।
ম্যাচে মূল ভুমিকা রাখেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা, যিনি মাত্র ২৪ রান খরচায় শিকার করেন ৫ উইকেট। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানকে প্রথম ওভারের শেষ বলেই ফেরিয়ে তিনি ভাঙেন পাকিস্তানের ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি। পরবর্তী চার ওভারে একে একে সাজঘরে ফেরান শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা।
নাহিদের বিধ্বংসী বোলিংয়ের পরে স্পিন ঘূর্ণিতে যোগ দেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ, শিকার করেন আব্দুল সামাদ, হোসাইন তালাত ও শাহিন আফ্রিদি। তাসকিন আহমেদ মোহাম্মদ ওয়াসিমকে ফিরিয়ে দেন। পাকিস্তান ৮২ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে একশর আগে অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়লেও শেষ উইকেটে ফাহিম আশরাফের ৩৭ রানের লড়াকু ইনিংস তাদের ১১৪ রানে সীমিত করে।
বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে উজ্জ্বল ছিলেন তানজিদ হাসান তামিম, যিনি মাত্র ৩২ বল খেলে অপরাজিত ৬৭ রানে ফিফটি পূর্ণ করেন। ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় তার তাণ্ডবে বাংলাদেশের রান তোলার গতি শুরুর থেকেই দুর্দান্ত। ওপেনিংয়ে সঙ্গে ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, যিনি ধীরস্থির ব্যাটিং করে তামিমকে যোগ্য সঙ্গ দেন।
এর আগে ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জয় হয়েছিল ৩৯.৩ ওভারে। আজ সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস তৈরি করল লাল-সবুজের দল।
মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে আজ যেন এক রূপকথার গল্প লিখল বাংলাদেশ। ওয়ানডে ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয় নিশ্চিত করল লাল-সবুজের দল। মাত্র ১১৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ শেষ করে মাত্র ১৫ ওভার ১ বলেই।
ম্যাচে মূল ভুমিকা রাখেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা, যিনি মাত্র ২৪ রান খরচায় শিকার করেন ৫ উইকেট। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানকে প্রথম ওভারের শেষ বলেই ফেরিয়ে তিনি ভাঙেন পাকিস্তানের ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি। পরবর্তী চার ওভারে একে একে সাজঘরে ফেরান শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা।
নাহিদের বিধ্বংসী বোলিংয়ের পরে স্পিন ঘূর্ণিতে যোগ দেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ, শিকার করেন আব্দুল সামাদ, হোসাইন তালাত ও শাহিন আফ্রিদি। তাসকিন আহমেদ মোহাম্মদ ওয়াসিমকে ফিরিয়ে দেন। পাকিস্তান ৮২ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে একশর আগে অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়লেও শেষ উইকেটে ফাহিম আশরাফের ৩৭ রানের লড়াকু ইনিংস তাদের ১১৪ রানে সীমিত করে।
বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে উজ্জ্বল ছিলেন তানজিদ হাসান তামিম, যিনি মাত্র ৩২ বল খেলে অপরাজিত ৬৭ রানে ফিফটি পূর্ণ করেন। ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় তার তাণ্ডবে বাংলাদেশের রান তোলার গতি শুরুর থেকেই দুর্দান্ত। ওপেনিংয়ে সঙ্গে ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, যিনি ধীরস্থির ব্যাটিং করে তামিমকে যোগ্য সঙ্গ দেন।
এর আগে ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জয় হয়েছিল ৩৯.৩ ওভারে। আজ সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস তৈরি করল লাল-সবুজের দল।
মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে আজ যেন এক রূপকথার গল্প লিখল বাংলাদেশ। ওয়ানডে ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয় নিশ্চিত করল লাল-সবুজের দল। মাত্র ১১৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ শেষ করে মাত্র ১৫ ওভার ১ বলেই।
ম্যাচে মূল ভুমিকা রাখেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা, যিনি মাত্র ২৪ রান খরচায় শিকার করেন ৫ উইকেট। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানকে প্রথম ওভারের শেষ বলেই ফেরিয়ে তিনি ভাঙেন পাকিস্তানের ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি। পরবর্তী চার ওভারে একে একে সাজঘরে ফেরান শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা।
নাহিদের বিধ্বংসী বোলিংয়ের পরে স্পিন ঘূর্ণিতে যোগ দেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ, শিকার করেন আব্দুল সামাদ, হোসাইন তালাত ও শাহিন আফ্রিদি। তাসকিন আহমেদ মোহাম্মদ ওয়াসিমকে ফিরিয়ে দেন। পাকিস্তান ৮২ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে একশর আগে অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়লেও শেষ উইকেটে ফাহিম আশরাফের ৩৭ রানের লড়াকু ইনিংস তাদের ১১৪ রানে সীমিত করে।
বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে উজ্জ্বল ছিলেন তানজিদ হাসান তামিম, যিনি মাত্র ৩২ বল খেলে অপরাজিত ৬৭ রানে ফিফটি পূর্ণ করেন। ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় তার তাণ্ডবে বাংলাদেশের রান তোলার গতি শুরুর থেকেই দুর্দান্ত। ওপেনিংয়ে সঙ্গে ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, যিনি ধীরস্থির ব্যাটিং করে তামিমকে যোগ্য সঙ্গ দেন।
এর আগে ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জয় হয়েছিল ৩৯.৩ ওভারে। আজ সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস তৈরি করল লাল-সবুজের দল।
মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে আজ যেন এক রূপকথার গল্প লিখল বাংলাদেশ। ওয়ানডে ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয় নিশ্চিত করল লাল-সবুজের দল। মাত্র ১১৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ শেষ করে মাত্র ১৫ ওভার ১ বলেই।
ম্যাচে মূল ভুমিকা রাখেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা, যিনি মাত্র ২৪ রান খরচায় শিকার করেন ৫ উইকেট। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানকে প্রথম ওভারের শেষ বলেই ফেরিয়ে তিনি ভাঙেন পাকিস্তানের ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি। পরবর্তী চার ওভারে একে একে সাজঘরে ফেরান শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা।
নাহিদের বিধ্বংসী বোলিংয়ের পরে স্পিন ঘূর্ণিতে যোগ দেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ, শিকার করেন আব্দুল সামাদ, হোসাইন তালাত ও শাহিন আফ্রিদি। তাসকিন আহমেদ মোহাম্মদ ওয়াসিমকে ফিরিয়ে দেন। পাকিস্তান ৮২ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে একশর আগে অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়লেও শেষ উইকেটে ফাহিম আশরাফের ৩৭ রানের লড়াকু ইনিংস তাদের ১১৪ রানে সীমিত করে।
বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে উজ্জ্বল ছিলেন তানজিদ হাসান তামিম, যিনি মাত্র ৩২ বল খেলে অপরাজিত ৬৭ রানে ফিফটি পূর্ণ করেন। ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় তার তাণ্ডবে বাংলাদেশের রান তোলার গতি শুরুর থেকেই দুর্দান্ত। ওপেনিংয়ে সঙ্গে ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, যিনি ধীরস্থির ব্যাটিং করে তামিমকে যোগ্য সঙ্গ দেন।
এর আগে ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জয় হয়েছিল ৩৯.৩ ওভারে। আজ সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস তৈরি করল লাল-সবুজের দল।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!