তরুণ পেসার নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল–এর বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।
বুধবার (১১ মার্চ) শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও পরে নাহিদ রানার গতির ঝড়ে ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।
ইনিংসের শুরুতে তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান মিতব্যয়ী বোলিং করলেও উইকেট পাচ্ছিলেন না। সপ্তম ওভারে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ আক্রমণে পরিবর্তন এনে নাহিদ রানার হাতে বল তুলে দিলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়।
নিজের প্রথম ওভারের শেষ বলে সাহিবজাদা ফারহানকে (২৭) পয়েন্টে আফিফ হোসেনের ক্যাচে পরিণত করে পাকিস্তানের ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন নাহিদ। এরপর টানা চার ওভারে উইকেট তুলে নিয়ে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে ফিরিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন এই তরুণ পেসার।
নাহিদের তৈরি করা ধ্বংসস্তূপে পরে আঘাত হানেন অধিনায়ক মিরাজ। তার বলে আব্দুল সামাদ উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে ধরা পড়েন। এরপর হোসাইন তালাত ও শাহিন শাহ আফ্রিদি–কেও ফেরান তিনি।
মাত্র ৮২ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান ১০০ রানের নিচে অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে। তবে শেষ উইকেটে ফাহিম আশরাফ ও আবরার আহমেদের ৩২ রানের জুটিতে দলীয় সংগ্রহ কিছুটা বাড়ে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ।
বাংলাদেশের হয়ে ২৪ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন নাহিদ রানা।
তরুণ পেসার নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল–এর বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।
বুধবার (১১ মার্চ) শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও পরে নাহিদ রানার গতির ঝড়ে ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।
ইনিংসের শুরুতে তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান মিতব্যয়ী বোলিং করলেও উইকেট পাচ্ছিলেন না। সপ্তম ওভারে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ আক্রমণে পরিবর্তন এনে নাহিদ রানার হাতে বল তুলে দিলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়।
নিজের প্রথম ওভারের শেষ বলে সাহিবজাদা ফারহানকে (২৭) পয়েন্টে আফিফ হোসেনের ক্যাচে পরিণত করে পাকিস্তানের ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন নাহিদ। এরপর টানা চার ওভারে উইকেট তুলে নিয়ে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে ফিরিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন এই তরুণ পেসার।
নাহিদের তৈরি করা ধ্বংসস্তূপে পরে আঘাত হানেন অধিনায়ক মিরাজ। তার বলে আব্দুল সামাদ উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে ধরা পড়েন। এরপর হোসাইন তালাত ও শাহিন শাহ আফ্রিদি–কেও ফেরান তিনি।
মাত্র ৮২ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান ১০০ রানের নিচে অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে। তবে শেষ উইকেটে ফাহিম আশরাফ ও আবরার আহমেদের ৩২ রানের জুটিতে দলীয় সংগ্রহ কিছুটা বাড়ে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ।
বাংলাদেশের হয়ে ২৪ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন নাহিদ রানা।
তরুণ পেসার নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল–এর বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।
বুধবার (১১ মার্চ) শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও পরে নাহিদ রানার গতির ঝড়ে ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।
ইনিংসের শুরুতে তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান মিতব্যয়ী বোলিং করলেও উইকেট পাচ্ছিলেন না। সপ্তম ওভারে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ আক্রমণে পরিবর্তন এনে নাহিদ রানার হাতে বল তুলে দিলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়।
নিজের প্রথম ওভারের শেষ বলে সাহিবজাদা ফারহানকে (২৭) পয়েন্টে আফিফ হোসেনের ক্যাচে পরিণত করে পাকিস্তানের ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন নাহিদ। এরপর টানা চার ওভারে উইকেট তুলে নিয়ে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে ফিরিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন এই তরুণ পেসার।
নাহিদের তৈরি করা ধ্বংসস্তূপে পরে আঘাত হানেন অধিনায়ক মিরাজ। তার বলে আব্দুল সামাদ উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে ধরা পড়েন। এরপর হোসাইন তালাত ও শাহিন শাহ আফ্রিদি–কেও ফেরান তিনি।
মাত্র ৮২ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান ১০০ রানের নিচে অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে। তবে শেষ উইকেটে ফাহিম আশরাফ ও আবরার আহমেদের ৩২ রানের জুটিতে দলীয় সংগ্রহ কিছুটা বাড়ে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ।
বাংলাদেশের হয়ে ২৪ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন নাহিদ রানা।
তরুণ পেসার নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল–এর বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।
বুধবার (১১ মার্চ) শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও পরে নাহিদ রানার গতির ঝড়ে ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।
ইনিংসের শুরুতে তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান মিতব্যয়ী বোলিং করলেও উইকেট পাচ্ছিলেন না। সপ্তম ওভারে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ আক্রমণে পরিবর্তন এনে নাহিদ রানার হাতে বল তুলে দিলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়।
নিজের প্রথম ওভারের শেষ বলে সাহিবজাদা ফারহানকে (২৭) পয়েন্টে আফিফ হোসেনের ক্যাচে পরিণত করে পাকিস্তানের ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন নাহিদ। এরপর টানা চার ওভারে উইকেট তুলে নিয়ে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে ফিরিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন এই তরুণ পেসার।
নাহিদের তৈরি করা ধ্বংসস্তূপে পরে আঘাত হানেন অধিনায়ক মিরাজ। তার বলে আব্দুল সামাদ উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে ধরা পড়েন। এরপর হোসাইন তালাত ও শাহিন শাহ আফ্রিদি–কেও ফেরান তিনি।
মাত্র ৮২ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান ১০০ রানের নিচে অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে। তবে শেষ উইকেটে ফাহিম আশরাফ ও আবরার আহমেদের ৩২ রানের জুটিতে দলীয় সংগ্রহ কিছুটা বাড়ে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ।
বাংলাদেশের হয়ে ২৪ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন নাহিদ রানা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!