
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত ম্যাচে ভারত একপেশে লড়াইয়ে ৬১ রানে হারিয়েছে পাকিস্তানকে। কলম্বোয় অনুষ্ঠিত ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই সুপার এইটে খেলা নিশ্চিত করেছে ভারত। টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৫ রান তোলে ভারত। জবাবে পাকিস্তান ১৮ ওভারেই গুটিয়ে যায় ১১৪ রানে।
এ ম্যাচে পাকিস্তান ছয়জন স্পিনার ব্যবহার করে, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একটি রেকর্ড। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও এটি যৌথভাবে সর্বোচ্চ।
ব্যাটিং বিপর্যয়ে পাকিস্তান
১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। প্রথম দুই ওভারের মধ্যেই তিন উইকেট হারায় তারা। ওপেনার শাহিবজাদা শূন্য রানে ফিরেন, সাইম আইয়ুব করেন ৬ রান এবং অধিনায়ক সালমান আঘা করেন ৪ রান।
সমালোচিত বাবর আজমও ব্যর্থ হন। সাত বলে মাত্র ৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। একমাত্র উসমান খান কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন—৩৪ বলে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন। শেষ দিকে শাহিন শাহ আফ্রিদি ১৯ বলে অপরাজিত ২৩ রান যোগ করেন।
ভারতের দাপুটে বোলিং
ভারতের বোলাররা সম্মিলিতভাবে দাপট দেখান। হার্দিক পান্ডিয়া, জসপ্রিত বুমরাহ, অক্ষর প্যাটেল ও বরুণ চক্রবর্তী দুটি করে উইকেট নেন। কুলদীপ যাদব ও তিলক ভার্মা নেন একটি করে উইকেট। একমাত্র রিঙ্কু সিং উইকেটশূন্য থাকেন।
ইশান কিষানের বিধ্বংসী ইনিংস
ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই অভিষেক শর্মার উইকেট হারায় ভারত। তবে এরপর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন ইশান কিষান। পাওয়ার প্লেতে ভারত তোলে ১ উইকেটে ৫২ রান।
তিলক ভার্মার সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৩০ বলে আসে ৫০ রান। ইশান মাত্র ২৭ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। সপ্তম ওভারে আবরার আহমেদকে টানা তিনটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণ ভেঙে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩ ছক্কা ও ১০ চারে ৪০ বলে ৭৭ রান করে আউট হন ইশান। তিলকের সঙ্গে তার জুটিতে আসে ৪৬ বলে ৮৭ রান।
শেষ দিকে ঝড়
ইশানের বিদায়ের পর অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইনিংস এগিয়ে নেন। তবে দলীয় ১২৬ রানে সাইম আইয়ুব পরপর দুই বলে তিলক ও হার্দিক পান্ডিয়াকে ফিরিয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন।
সূর্যকুমার ২৯ বলে ৩২ রান করে আউট হন। শেষ দিকে শিভাম দুবে ১৭ বলে ২৭ রান করেন। শেষ ওভার থেকে আসে ১৬ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৫ রানেই থামে ভারতের ইনিংস।
পাকিস্তানের হয়ে সাইম আইয়ুব নেন সর্বোচ্চ তিন উইকেট। সালমান আঘা, শাহিন আফ্রিদি ও উসমান তারিক নেন একটি করে উইকেট।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত ম্যাচে ভারত একপেশে লড়াইয়ে ৬১ রানে হারিয়েছে পাকিস্তানকে। কলম্বোয় অনুষ্ঠিত ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই সুপার এইটে খেলা নিশ্চিত করেছে ভারত। টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৫ রান তোলে ভারত। জবাবে পাকিস্তান ১৮ ওভারেই গুটিয়ে যায় ১১৪ রানে।
এ ম্যাচে পাকিস্তান ছয়জন স্পিনার ব্যবহার করে, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একটি রেকর্ড। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও এটি যৌথভাবে সর্বোচ্চ।
ব্যাটিং বিপর্যয়ে পাকিস্তান
১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। প্রথম দুই ওভারের মধ্যেই তিন উইকেট হারায় তারা। ওপেনার শাহিবজাদা শূন্য রানে ফিরেন, সাইম আইয়ুব করেন ৬ রান এবং অধিনায়ক সালমান আঘা করেন ৪ রান।
সমালোচিত বাবর আজমও ব্যর্থ হন। সাত বলে মাত্র ৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। একমাত্র উসমান খান কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন—৩৪ বলে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন। শেষ দিকে শাহিন শাহ আফ্রিদি ১৯ বলে অপরাজিত ২৩ রান যোগ করেন।
ভারতের দাপুটে বোলিং
ভারতের বোলাররা সম্মিলিতভাবে দাপট দেখান। হার্দিক পান্ডিয়া, জসপ্রিত বুমরাহ, অক্ষর প্যাটেল ও বরুণ চক্রবর্তী দুটি করে উইকেট নেন। কুলদীপ যাদব ও তিলক ভার্মা নেন একটি করে উইকেট। একমাত্র রিঙ্কু সিং উইকেটশূন্য থাকেন।
ইশান কিষানের বিধ্বংসী ইনিংস
ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই অভিষেক শর্মার উইকেট হারায় ভারত। তবে এরপর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন ইশান কিষান। পাওয়ার প্লেতে ভারত তোলে ১ উইকেটে ৫২ রান।
তিলক ভার্মার সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৩০ বলে আসে ৫০ রান। ইশান মাত্র ২৭ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। সপ্তম ওভারে আবরার আহমেদকে টানা তিনটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণ ভেঙে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩ ছক্কা ও ১০ চারে ৪০ বলে ৭৭ রান করে আউট হন ইশান। তিলকের সঙ্গে তার জুটিতে আসে ৪৬ বলে ৮৭ রান।
শেষ দিকে ঝড়
ইশানের বিদায়ের পর অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইনিংস এগিয়ে নেন। তবে দলীয় ১২৬ রানে সাইম আইয়ুব পরপর দুই বলে তিলক ও হার্দিক পান্ডিয়াকে ফিরিয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন।
সূর্যকুমার ২৯ বলে ৩২ রান করে আউট হন। শেষ দিকে শিভাম দুবে ১৭ বলে ২৭ রান করেন। শেষ ওভার থেকে আসে ১৬ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৫ রানেই থামে ভারতের ইনিংস।
পাকিস্তানের হয়ে সাইম আইয়ুব নেন সর্বোচ্চ তিন উইকেট। সালমান আঘা, শাহিন আফ্রিদি ও উসমান তারিক নেন একটি করে উইকেট।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত ম্যাচে ভারত একপেশে লড়াইয়ে ৬১ রানে হারিয়েছে পাকিস্তানকে। কলম্বোয় অনুষ্ঠিত ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই সুপার এইটে খেলা নিশ্চিত করেছে ভারত। টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৫ রান তোলে ভারত। জবাবে পাকিস্তান ১৮ ওভারেই গুটিয়ে যায় ১১৪ রানে।
এ ম্যাচে পাকিস্তান ছয়জন স্পিনার ব্যবহার করে, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একটি রেকর্ড। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও এটি যৌথভাবে সর্বোচ্চ।
ব্যাটিং বিপর্যয়ে পাকিস্তান
১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। প্রথম দুই ওভারের মধ্যেই তিন উইকেট হারায় তারা। ওপেনার শাহিবজাদা শূন্য রানে ফিরেন, সাইম আইয়ুব করেন ৬ রান এবং অধিনায়ক সালমান আঘা করেন ৪ রান।
সমালোচিত বাবর আজমও ব্যর্থ হন। সাত বলে মাত্র ৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। একমাত্র উসমান খান কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন—৩৪ বলে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন। শেষ দিকে শাহিন শাহ আফ্রিদি ১৯ বলে অপরাজিত ২৩ রান যোগ করেন।
ভারতের দাপুটে বোলিং
ভারতের বোলাররা সম্মিলিতভাবে দাপট দেখান। হার্দিক পান্ডিয়া, জসপ্রিত বুমরাহ, অক্ষর প্যাটেল ও বরুণ চক্রবর্তী দুটি করে উইকেট নেন। কুলদীপ যাদব ও তিলক ভার্মা নেন একটি করে উইকেট। একমাত্র রিঙ্কু সিং উইকেটশূন্য থাকেন।
ইশান কিষানের বিধ্বংসী ইনিংস
ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই অভিষেক শর্মার উইকেট হারায় ভারত। তবে এরপর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন ইশান কিষান। পাওয়ার প্লেতে ভারত তোলে ১ উইকেটে ৫২ রান।
তিলক ভার্মার সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৩০ বলে আসে ৫০ রান। ইশান মাত্র ২৭ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। সপ্তম ওভারে আবরার আহমেদকে টানা তিনটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণ ভেঙে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩ ছক্কা ও ১০ চারে ৪০ বলে ৭৭ রান করে আউট হন ইশান। তিলকের সঙ্গে তার জুটিতে আসে ৪৬ বলে ৮৭ রান।
শেষ দিকে ঝড়
ইশানের বিদায়ের পর অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইনিংস এগিয়ে নেন। তবে দলীয় ১২৬ রানে সাইম আইয়ুব পরপর দুই বলে তিলক ও হার্দিক পান্ডিয়াকে ফিরিয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন।
সূর্যকুমার ২৯ বলে ৩২ রান করে আউট হন। শেষ দিকে শিভাম দুবে ১৭ বলে ২৭ রান করেন। শেষ ওভার থেকে আসে ১৬ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৫ রানেই থামে ভারতের ইনিংস।
পাকিস্তানের হয়ে সাইম আইয়ুব নেন সর্বোচ্চ তিন উইকেট। সালমান আঘা, শাহিন আফ্রিদি ও উসমান তারিক নেন একটি করে উইকেট।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত ম্যাচে ভারত একপেশে লড়াইয়ে ৬১ রানে হারিয়েছে পাকিস্তানকে। কলম্বোয় অনুষ্ঠিত ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই সুপার এইটে খেলা নিশ্চিত করেছে ভারত। টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৫ রান তোলে ভারত। জবাবে পাকিস্তান ১৮ ওভারেই গুটিয়ে যায় ১১৪ রানে।
এ ম্যাচে পাকিস্তান ছয়জন স্পিনার ব্যবহার করে, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একটি রেকর্ড। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও এটি যৌথভাবে সর্বোচ্চ।
ব্যাটিং বিপর্যয়ে পাকিস্তান
১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। প্রথম দুই ওভারের মধ্যেই তিন উইকেট হারায় তারা। ওপেনার শাহিবজাদা শূন্য রানে ফিরেন, সাইম আইয়ুব করেন ৬ রান এবং অধিনায়ক সালমান আঘা করেন ৪ রান।
সমালোচিত বাবর আজমও ব্যর্থ হন। সাত বলে মাত্র ৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। একমাত্র উসমান খান কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন—৩৪ বলে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন। শেষ দিকে শাহিন শাহ আফ্রিদি ১৯ বলে অপরাজিত ২৩ রান যোগ করেন।
ভারতের দাপুটে বোলিং
ভারতের বোলাররা সম্মিলিতভাবে দাপট দেখান। হার্দিক পান্ডিয়া, জসপ্রিত বুমরাহ, অক্ষর প্যাটেল ও বরুণ চক্রবর্তী দুটি করে উইকেট নেন। কুলদীপ যাদব ও তিলক ভার্মা নেন একটি করে উইকেট। একমাত্র রিঙ্কু সিং উইকেটশূন্য থাকেন।
ইশান কিষানের বিধ্বংসী ইনিংস
ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই অভিষেক শর্মার উইকেট হারায় ভারত। তবে এরপর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন ইশান কিষান। পাওয়ার প্লেতে ভারত তোলে ১ উইকেটে ৫২ রান।
তিলক ভার্মার সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৩০ বলে আসে ৫০ রান। ইশান মাত্র ২৭ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। সপ্তম ওভারে আবরার আহমেদকে টানা তিনটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণ ভেঙে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩ ছক্কা ও ১০ চারে ৪০ বলে ৭৭ রান করে আউট হন ইশান। তিলকের সঙ্গে তার জুটিতে আসে ৪৬ বলে ৮৭ রান।
শেষ দিকে ঝড়
ইশানের বিদায়ের পর অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইনিংস এগিয়ে নেন। তবে দলীয় ১২৬ রানে সাইম আইয়ুব পরপর দুই বলে তিলক ও হার্দিক পান্ডিয়াকে ফিরিয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন।
সূর্যকুমার ২৯ বলে ৩২ রান করে আউট হন। শেষ দিকে শিভাম দুবে ১৭ বলে ২৭ রান করেন। শেষ ওভার থেকে আসে ১৬ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৫ রানেই থামে ভারতের ইনিংস।
পাকিস্তানের হয়ে সাইম আইয়ুব নেন সর্বোচ্চ তিন উইকেট। সালমান আঘা, শাহিন আফ্রিদি ও উসমান তারিক নেন একটি করে উইকেট।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!