
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও ‘সোনালী কাবিন’-এর স্রষ্টা আল মাহমুদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি)। ২০১৯ সালের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে সক্রিয় থেকে তিনি বাংলা কবিতায় যুক্ত করেন নতুন ভাষা, স্বতন্ত্র আঙ্গিক ও গভীর জীবনবোধ।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির ‘আল মাহমুদ কর্নার’-এ এক স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে দেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজন ও কবির অনুরাগীরা অংশ নেবেন। সভায় তাঁর জীবন, সাহিত্যকর্ম ও সামগ্রিক অবদান নিয়ে আলোচনা করা হবে।
১৯৫০-এর দশকে ভাষা আন্দোলন, জাতীয়তাবাদ এবং তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসনের বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে আল মাহমুদের কলম ছিল উচ্চকিত। লোকজ ঐতিহ্য, গ্রামীণ জনজীবনের অন্তর্লীন চেতনা ও স্বতন্ত্র বাকভঙ্গির মাধ্যমে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁর রচনায় রাজনীতি, অর্থনৈতিক নিপীড়ন এবং মানুষের অধিকারের প্রশ্ন সুস্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।
পেশাগত জীবনে সাংবাদিকতাসহ নানা ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত থাকা এই কবি তাঁর সৃজনশীল অবদানের জন্য একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মানে ভূষিত হন। তাঁর কালজয়ী সৃষ্টি নতুন প্রজন্মের কবি-সাহিত্যিকদের কাছে আজও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে রয়েছে।

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও ‘সোনালী কাবিন’-এর স্রষ্টা আল মাহমুদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি)। ২০১৯ সালের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে সক্রিয় থেকে তিনি বাংলা কবিতায় যুক্ত করেন নতুন ভাষা, স্বতন্ত্র আঙ্গিক ও গভীর জীবনবোধ।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির ‘আল মাহমুদ কর্নার’-এ এক স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে দেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজন ও কবির অনুরাগীরা অংশ নেবেন। সভায় তাঁর জীবন, সাহিত্যকর্ম ও সামগ্রিক অবদান নিয়ে আলোচনা করা হবে।
১৯৫০-এর দশকে ভাষা আন্দোলন, জাতীয়তাবাদ এবং তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসনের বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে আল মাহমুদের কলম ছিল উচ্চকিত। লোকজ ঐতিহ্য, গ্রামীণ জনজীবনের অন্তর্লীন চেতনা ও স্বতন্ত্র বাকভঙ্গির মাধ্যমে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁর রচনায় রাজনীতি, অর্থনৈতিক নিপীড়ন এবং মানুষের অধিকারের প্রশ্ন সুস্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।
পেশাগত জীবনে সাংবাদিকতাসহ নানা ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত থাকা এই কবি তাঁর সৃজনশীল অবদানের জন্য একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মানে ভূষিত হন। তাঁর কালজয়ী সৃষ্টি নতুন প্রজন্মের কবি-সাহিত্যিকদের কাছে আজও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে রয়েছে।

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও ‘সোনালী কাবিন’-এর স্রষ্টা আল মাহমুদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি)। ২০১৯ সালের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে সক্রিয় থেকে তিনি বাংলা কবিতায় যুক্ত করেন নতুন ভাষা, স্বতন্ত্র আঙ্গিক ও গভীর জীবনবোধ।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির ‘আল মাহমুদ কর্নার’-এ এক স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে দেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজন ও কবির অনুরাগীরা অংশ নেবেন। সভায় তাঁর জীবন, সাহিত্যকর্ম ও সামগ্রিক অবদান নিয়ে আলোচনা করা হবে।
১৯৫০-এর দশকে ভাষা আন্দোলন, জাতীয়তাবাদ এবং তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসনের বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে আল মাহমুদের কলম ছিল উচ্চকিত। লোকজ ঐতিহ্য, গ্রামীণ জনজীবনের অন্তর্লীন চেতনা ও স্বতন্ত্র বাকভঙ্গির মাধ্যমে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁর রচনায় রাজনীতি, অর্থনৈতিক নিপীড়ন এবং মানুষের অধিকারের প্রশ্ন সুস্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।
পেশাগত জীবনে সাংবাদিকতাসহ নানা ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত থাকা এই কবি তাঁর সৃজনশীল অবদানের জন্য একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মানে ভূষিত হন। তাঁর কালজয়ী সৃষ্টি নতুন প্রজন্মের কবি-সাহিত্যিকদের কাছে আজও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে রয়েছে।

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও ‘সোনালী কাবিন’-এর স্রষ্টা আল মাহমুদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি)। ২০১৯ সালের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে সক্রিয় থেকে তিনি বাংলা কবিতায় যুক্ত করেন নতুন ভাষা, স্বতন্ত্র আঙ্গিক ও গভীর জীবনবোধ।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির ‘আল মাহমুদ কর্নার’-এ এক স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে দেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজন ও কবির অনুরাগীরা অংশ নেবেন। সভায় তাঁর জীবন, সাহিত্যকর্ম ও সামগ্রিক অবদান নিয়ে আলোচনা করা হবে।
১৯৫০-এর দশকে ভাষা আন্দোলন, জাতীয়তাবাদ এবং তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসনের বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে আল মাহমুদের কলম ছিল উচ্চকিত। লোকজ ঐতিহ্য, গ্রামীণ জনজীবনের অন্তর্লীন চেতনা ও স্বতন্ত্র বাকভঙ্গির মাধ্যমে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁর রচনায় রাজনীতি, অর্থনৈতিক নিপীড়ন এবং মানুষের অধিকারের প্রশ্ন সুস্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।
পেশাগত জীবনে সাংবাদিকতাসহ নানা ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত থাকা এই কবি তাঁর সৃজনশীল অবদানের জন্য একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মানে ভূষিত হন। তাঁর কালজয়ী সৃষ্টি নতুন প্রজন্মের কবি-সাহিত্যিকদের কাছে আজও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে রয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!