
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশ বেশ আশাব্যঞ্জক। যারা কিছুদিন আগেও নির্বাচনের বিরোধিতা করছিল, তারাও এখন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছে-এটাই এর বড় প্রমাণ।
রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে সিলেটের একটি অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যেসব রাজনৈতিক দল আগে বলত নির্দিষ্ট কিছু দাবি পূরণ না হলে নির্বাচন হতে দেবে না, তারাও এখন প্রার্থী ঘোষণা করেছে, মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছে। সবাই নির্বাচনের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, কিছু গোষ্ঠী এখনো নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে। তবে এসব অপচেষ্টা সফল হবে না বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “নির্বাচনের ধারা এগিয়ে যাচ্ছে, ধীরে ধীরে সব অনিশ্চয়তা কেটে যাবে।”
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, গত এক বছরে দেশে ‘মব ভায়োলেন্স’ নামে একটি ভয়ংকর সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, যা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে। ‘মবোক্রেসির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এর একমাত্র পথ হলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও সুষ্ঠু নির্বাচন,’ বলেন তিনি।
তবে একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উদ্যোগের প্রশংসাও করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, “যদিও এ সরকারের পেছনে সরাসরি জনগণের ম্যান্ডেট নেই, তবুও তাদের কিছু সংস্কারমূলক উদ্যোগ ও সনদ বাস্তবায়নের কাজ প্রশংসার দাবিদার।”
দুয়েক দিনের মধ্যে তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিচ্ছেন জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে দলীয় পদটি শূন্য হয়েছে এবং সেই শূন্যতা পূরণে তারেক রহমানই দায়িত্ব নেবেন।
নির্বাচনী প্রচারণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারও সিলেট থেকেই বিএনপির আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে।’
নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই নির্বাচন শুধু বিএনপির জন্য নয়, পুরো জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। নির্বাচনের মাধ্যমেই একটি নির্বাচিত সংসদ ও গণতান্ত্রিক সরকার গঠন সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন সঠিক সময়েই অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির নেতা তারেক রহমানের লন্ডনে বৈঠকের পর থেকেই নির্বাচন নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি স্পষ্ট হয়েছে।
কিছু আসনে দুজন করে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এটি বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে রাখা হয়েছে। “প্রায় ১০–১২টি আসনে ব্যাংক ক্লিয়ারেন্স বা মামলা সংক্রান্ত জটিলতার আশঙ্কা থাকায় বিকল্প প্রার্থী রাখা হয়েছে,” বলেন তিনি।
ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রার্থীরা সচেতন ও সজাগ। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।’
একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোর ওপরই গণভোট হবে এবং জনগণ তাদের মতামত জানাবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, উত্তরাঞ্চল ও খুলনা অঞ্চলে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাগুলো দুঃখজনক এবং সরকারের এ বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘তিনি শুধু বিএনপির নেত্রী ছিলেন না, ছিলেন সমগ্র বাংলাদেশের নেত্রী। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের মধ্য দিয়েই তিনি রাজকীয়ভাবে প্রস্থান করেছেন।’ শেষে তিনি বলেন, ‘এই সময়টা জাতির জন্য একটি সংকটকাল। কোনো উসকানিতে পা না দিয়ে অত্যন্ত দায়িত্বশীলভাবে আমাদের সামনে এগোতে হবে। গণতন্ত্রে ফিরে যেতে ব্যর্থ হলে জাতি হিসেবে আমরা ব্যর্থ হব।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশ বেশ আশাব্যঞ্জক। যারা কিছুদিন আগেও নির্বাচনের বিরোধিতা করছিল, তারাও এখন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছে-এটাই এর বড় প্রমাণ।
রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে সিলেটের একটি অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যেসব রাজনৈতিক দল আগে বলত নির্দিষ্ট কিছু দাবি পূরণ না হলে নির্বাচন হতে দেবে না, তারাও এখন প্রার্থী ঘোষণা করেছে, মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছে। সবাই নির্বাচনের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, কিছু গোষ্ঠী এখনো নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে। তবে এসব অপচেষ্টা সফল হবে না বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “নির্বাচনের ধারা এগিয়ে যাচ্ছে, ধীরে ধীরে সব অনিশ্চয়তা কেটে যাবে।”
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, গত এক বছরে দেশে ‘মব ভায়োলেন্স’ নামে একটি ভয়ংকর সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, যা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে। ‘মবোক্রেসির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এর একমাত্র পথ হলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও সুষ্ঠু নির্বাচন,’ বলেন তিনি।
তবে একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উদ্যোগের প্রশংসাও করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, “যদিও এ সরকারের পেছনে সরাসরি জনগণের ম্যান্ডেট নেই, তবুও তাদের কিছু সংস্কারমূলক উদ্যোগ ও সনদ বাস্তবায়নের কাজ প্রশংসার দাবিদার।”
দুয়েক দিনের মধ্যে তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিচ্ছেন জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে দলীয় পদটি শূন্য হয়েছে এবং সেই শূন্যতা পূরণে তারেক রহমানই দায়িত্ব নেবেন।
নির্বাচনী প্রচারণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারও সিলেট থেকেই বিএনপির আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে।’
নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই নির্বাচন শুধু বিএনপির জন্য নয়, পুরো জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। নির্বাচনের মাধ্যমেই একটি নির্বাচিত সংসদ ও গণতান্ত্রিক সরকার গঠন সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন সঠিক সময়েই অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির নেতা তারেক রহমানের লন্ডনে বৈঠকের পর থেকেই নির্বাচন নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি স্পষ্ট হয়েছে।
কিছু আসনে দুজন করে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এটি বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে রাখা হয়েছে। “প্রায় ১০–১২টি আসনে ব্যাংক ক্লিয়ারেন্স বা মামলা সংক্রান্ত জটিলতার আশঙ্কা থাকায় বিকল্প প্রার্থী রাখা হয়েছে,” বলেন তিনি।
ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রার্থীরা সচেতন ও সজাগ। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।’
একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোর ওপরই গণভোট হবে এবং জনগণ তাদের মতামত জানাবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, উত্তরাঞ্চল ও খুলনা অঞ্চলে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাগুলো দুঃখজনক এবং সরকারের এ বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘তিনি শুধু বিএনপির নেত্রী ছিলেন না, ছিলেন সমগ্র বাংলাদেশের নেত্রী। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের মধ্য দিয়েই তিনি রাজকীয়ভাবে প্রস্থান করেছেন।’ শেষে তিনি বলেন, ‘এই সময়টা জাতির জন্য একটি সংকটকাল। কোনো উসকানিতে পা না দিয়ে অত্যন্ত দায়িত্বশীলভাবে আমাদের সামনে এগোতে হবে। গণতন্ত্রে ফিরে যেতে ব্যর্থ হলে জাতি হিসেবে আমরা ব্যর্থ হব।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশ বেশ আশাব্যঞ্জক। যারা কিছুদিন আগেও নির্বাচনের বিরোধিতা করছিল, তারাও এখন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছে-এটাই এর বড় প্রমাণ।
রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে সিলেটের একটি অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যেসব রাজনৈতিক দল আগে বলত নির্দিষ্ট কিছু দাবি পূরণ না হলে নির্বাচন হতে দেবে না, তারাও এখন প্রার্থী ঘোষণা করেছে, মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছে। সবাই নির্বাচনের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, কিছু গোষ্ঠী এখনো নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে। তবে এসব অপচেষ্টা সফল হবে না বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “নির্বাচনের ধারা এগিয়ে যাচ্ছে, ধীরে ধীরে সব অনিশ্চয়তা কেটে যাবে।”
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, গত এক বছরে দেশে ‘মব ভায়োলেন্স’ নামে একটি ভয়ংকর সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, যা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে। ‘মবোক্রেসির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এর একমাত্র পথ হলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও সুষ্ঠু নির্বাচন,’ বলেন তিনি।
তবে একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উদ্যোগের প্রশংসাও করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, “যদিও এ সরকারের পেছনে সরাসরি জনগণের ম্যান্ডেট নেই, তবুও তাদের কিছু সংস্কারমূলক উদ্যোগ ও সনদ বাস্তবায়নের কাজ প্রশংসার দাবিদার।”
দুয়েক দিনের মধ্যে তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিচ্ছেন জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে দলীয় পদটি শূন্য হয়েছে এবং সেই শূন্যতা পূরণে তারেক রহমানই দায়িত্ব নেবেন।
নির্বাচনী প্রচারণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারও সিলেট থেকেই বিএনপির আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে।’
নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই নির্বাচন শুধু বিএনপির জন্য নয়, পুরো জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। নির্বাচনের মাধ্যমেই একটি নির্বাচিত সংসদ ও গণতান্ত্রিক সরকার গঠন সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন সঠিক সময়েই অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির নেতা তারেক রহমানের লন্ডনে বৈঠকের পর থেকেই নির্বাচন নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি স্পষ্ট হয়েছে।
কিছু আসনে দুজন করে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এটি বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে রাখা হয়েছে। “প্রায় ১০–১২টি আসনে ব্যাংক ক্লিয়ারেন্স বা মামলা সংক্রান্ত জটিলতার আশঙ্কা থাকায় বিকল্প প্রার্থী রাখা হয়েছে,” বলেন তিনি।
ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রার্থীরা সচেতন ও সজাগ। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।’
একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোর ওপরই গণভোট হবে এবং জনগণ তাদের মতামত জানাবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, উত্তরাঞ্চল ও খুলনা অঞ্চলে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাগুলো দুঃখজনক এবং সরকারের এ বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘তিনি শুধু বিএনপির নেত্রী ছিলেন না, ছিলেন সমগ্র বাংলাদেশের নেত্রী। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের মধ্য দিয়েই তিনি রাজকীয়ভাবে প্রস্থান করেছেন।’ শেষে তিনি বলেন, ‘এই সময়টা জাতির জন্য একটি সংকটকাল। কোনো উসকানিতে পা না দিয়ে অত্যন্ত দায়িত্বশীলভাবে আমাদের সামনে এগোতে হবে। গণতন্ত্রে ফিরে যেতে ব্যর্থ হলে জাতি হিসেবে আমরা ব্যর্থ হব।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশ বেশ আশাব্যঞ্জক। যারা কিছুদিন আগেও নির্বাচনের বিরোধিতা করছিল, তারাও এখন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছে-এটাই এর বড় প্রমাণ।
রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে সিলেটের একটি অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যেসব রাজনৈতিক দল আগে বলত নির্দিষ্ট কিছু দাবি পূরণ না হলে নির্বাচন হতে দেবে না, তারাও এখন প্রার্থী ঘোষণা করেছে, মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছে। সবাই নির্বাচনের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, কিছু গোষ্ঠী এখনো নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে। তবে এসব অপচেষ্টা সফল হবে না বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “নির্বাচনের ধারা এগিয়ে যাচ্ছে, ধীরে ধীরে সব অনিশ্চয়তা কেটে যাবে।”
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, গত এক বছরে দেশে ‘মব ভায়োলেন্স’ নামে একটি ভয়ংকর সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, যা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে। ‘মবোক্রেসির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এর একমাত্র পথ হলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও সুষ্ঠু নির্বাচন,’ বলেন তিনি।
তবে একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উদ্যোগের প্রশংসাও করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, “যদিও এ সরকারের পেছনে সরাসরি জনগণের ম্যান্ডেট নেই, তবুও তাদের কিছু সংস্কারমূলক উদ্যোগ ও সনদ বাস্তবায়নের কাজ প্রশংসার দাবিদার।”
দুয়েক দিনের মধ্যে তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিচ্ছেন জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে দলীয় পদটি শূন্য হয়েছে এবং সেই শূন্যতা পূরণে তারেক রহমানই দায়িত্ব নেবেন।
নির্বাচনী প্রচারণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারও সিলেট থেকেই বিএনপির আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে।’
নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই নির্বাচন শুধু বিএনপির জন্য নয়, পুরো জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। নির্বাচনের মাধ্যমেই একটি নির্বাচিত সংসদ ও গণতান্ত্রিক সরকার গঠন সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন সঠিক সময়েই অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির নেতা তারেক রহমানের লন্ডনে বৈঠকের পর থেকেই নির্বাচন নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি স্পষ্ট হয়েছে।
কিছু আসনে দুজন করে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এটি বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে রাখা হয়েছে। “প্রায় ১০–১২টি আসনে ব্যাংক ক্লিয়ারেন্স বা মামলা সংক্রান্ত জটিলতার আশঙ্কা থাকায় বিকল্প প্রার্থী রাখা হয়েছে,” বলেন তিনি।
ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রার্থীরা সচেতন ও সজাগ। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।’
একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোর ওপরই গণভোট হবে এবং জনগণ তাদের মতামত জানাবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, উত্তরাঞ্চল ও খুলনা অঞ্চলে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাগুলো দুঃখজনক এবং সরকারের এ বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘তিনি শুধু বিএনপির নেত্রী ছিলেন না, ছিলেন সমগ্র বাংলাদেশের নেত্রী। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের মধ্য দিয়েই তিনি রাজকীয়ভাবে প্রস্থান করেছেন।’ শেষে তিনি বলেন, ‘এই সময়টা জাতির জন্য একটি সংকটকাল। কোনো উসকানিতে পা না দিয়ে অত্যন্ত দায়িত্বশীলভাবে আমাদের সামনে এগোতে হবে। গণতন্ত্রে ফিরে যেতে ব্যর্থ হলে জাতি হিসেবে আমরা ব্যর্থ হব।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!