
চার দিনের সফরে আগামী ১১ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি সূত্রে জানানো হয়েছে, এই সফর মূলত ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা হয়েছে।
দলটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জারিকৃত আচরণবিধি কোনোভাবেই লঙ্ঘন করা হবে না। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনসহ সফর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে প্রয়োজনীয় আবেদনও করেছে বিএনপি।
দলীয় সূত্রে প্রাপ্ত সম্ভাব্য কর্মসূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি তারেক রহমান ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ হয়ে বগুড়ায় পৌঁছাবেন এবং সেখানে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন ১২ জানুয়ারি তিনি বগুড়া থেকে রংপুরের পীরগঞ্জ হয়ে দিনাজপুরে যাবেন এবং ঠাকুরগাঁওয়ে রাত্রিযাপন করবেন।
১৩ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও থেকে যাত্রা করে তিনি পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট হয়ে রংপুরে পৌঁছাবেন। সফরের শেষ দিন ১৪ জানুয়ারি রংপুর থেকে সরাসরি বগুড়া হয়ে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।
বিএনপি জানিয়েছে, এই সফরে তারেক রহমান মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ ও মরহুমা তৈয়বা মজুমদারসহ জুলাই আন্দোলনে নিহত যোদ্ধা এবং দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন। পাশাপাশি তিনি আহত জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন।
দলীয় নেতারা বলছেন, সফরটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; বরং ধর্মীয়, মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে এ সফর পরিচালিত হবে।

চার দিনের সফরে আগামী ১১ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি সূত্রে জানানো হয়েছে, এই সফর মূলত ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা হয়েছে।
দলটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জারিকৃত আচরণবিধি কোনোভাবেই লঙ্ঘন করা হবে না। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনসহ সফর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে প্রয়োজনীয় আবেদনও করেছে বিএনপি।
দলীয় সূত্রে প্রাপ্ত সম্ভাব্য কর্মসূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি তারেক রহমান ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ হয়ে বগুড়ায় পৌঁছাবেন এবং সেখানে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন ১২ জানুয়ারি তিনি বগুড়া থেকে রংপুরের পীরগঞ্জ হয়ে দিনাজপুরে যাবেন এবং ঠাকুরগাঁওয়ে রাত্রিযাপন করবেন।
১৩ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও থেকে যাত্রা করে তিনি পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট হয়ে রংপুরে পৌঁছাবেন। সফরের শেষ দিন ১৪ জানুয়ারি রংপুর থেকে সরাসরি বগুড়া হয়ে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।
বিএনপি জানিয়েছে, এই সফরে তারেক রহমান মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ ও মরহুমা তৈয়বা মজুমদারসহ জুলাই আন্দোলনে নিহত যোদ্ধা এবং দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন। পাশাপাশি তিনি আহত জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন।
দলীয় নেতারা বলছেন, সফরটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; বরং ধর্মীয়, মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে এ সফর পরিচালিত হবে।

চার দিনের সফরে আগামী ১১ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি সূত্রে জানানো হয়েছে, এই সফর মূলত ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা হয়েছে।
দলটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জারিকৃত আচরণবিধি কোনোভাবেই লঙ্ঘন করা হবে না। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনসহ সফর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে প্রয়োজনীয় আবেদনও করেছে বিএনপি।
দলীয় সূত্রে প্রাপ্ত সম্ভাব্য কর্মসূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি তারেক রহমান ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ হয়ে বগুড়ায় পৌঁছাবেন এবং সেখানে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন ১২ জানুয়ারি তিনি বগুড়া থেকে রংপুরের পীরগঞ্জ হয়ে দিনাজপুরে যাবেন এবং ঠাকুরগাঁওয়ে রাত্রিযাপন করবেন।
১৩ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও থেকে যাত্রা করে তিনি পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট হয়ে রংপুরে পৌঁছাবেন। সফরের শেষ দিন ১৪ জানুয়ারি রংপুর থেকে সরাসরি বগুড়া হয়ে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।
বিএনপি জানিয়েছে, এই সফরে তারেক রহমান মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ ও মরহুমা তৈয়বা মজুমদারসহ জুলাই আন্দোলনে নিহত যোদ্ধা এবং দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন। পাশাপাশি তিনি আহত জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন।
দলীয় নেতারা বলছেন, সফরটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; বরং ধর্মীয়, মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে এ সফর পরিচালিত হবে।

চার দিনের সফরে আগামী ১১ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি সূত্রে জানানো হয়েছে, এই সফর মূলত ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা হয়েছে।
দলটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জারিকৃত আচরণবিধি কোনোভাবেই লঙ্ঘন করা হবে না। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনসহ সফর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে প্রয়োজনীয় আবেদনও করেছে বিএনপি।
দলীয় সূত্রে প্রাপ্ত সম্ভাব্য কর্মসূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি তারেক রহমান ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ হয়ে বগুড়ায় পৌঁছাবেন এবং সেখানে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন ১২ জানুয়ারি তিনি বগুড়া থেকে রংপুরের পীরগঞ্জ হয়ে দিনাজপুরে যাবেন এবং ঠাকুরগাঁওয়ে রাত্রিযাপন করবেন।
১৩ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও থেকে যাত্রা করে তিনি পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট হয়ে রংপুরে পৌঁছাবেন। সফরের শেষ দিন ১৪ জানুয়ারি রংপুর থেকে সরাসরি বগুড়া হয়ে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।
বিএনপি জানিয়েছে, এই সফরে তারেক রহমান মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ ও মরহুমা তৈয়বা মজুমদারসহ জুলাই আন্দোলনে নিহত যোদ্ধা এবং দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন। পাশাপাশি তিনি আহত জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন।
দলীয় নেতারা বলছেন, সফরটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; বরং ধর্মীয়, মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে এ সফর পরিচালিত হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!