সরকারের সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নেওয়া পদক্ষেপ ভবিষ্যতে সরকারের জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তিনি বলেন- মিসাইল ছুড়লে তার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে হয়। তা না হলে সেই মিসাইল কার বাড়িতে গিয়ে পড়বে, কোন শিশু বা নারীকে হত্যা করবে তার ঠিক থাকে না। আপনারা উপর দিকে চেয়ে থুতু দিচ্ছেন, অপেক্ষা করেন কয়দিন পর এই থুতু ঘুরে আপনাদের নিজেদের গায়েই পড়বে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইডিবি) মিলনায়তনে ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে কি-নোট পেপার উপস্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন। ১১ দলীয় ঐক্য এ সেমিনারের আয়োজন করে।
তিনি গণভোটের ফলাফল দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, তা না হলে দেশ নতুন করে সাংবিধানিক ও আস্থার সংকটে পড়বে। সংবিধান সংস্কার সভার অধিবেশন আহ্বান করারও দাবি জানান তিনি।
গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বলেন, অভ্যুত্থান কখনো সংবিধান মেনে হয় না, বরং এটি সংবিধানের বাইরে থেকে আসে। এ ধরনের রাজনৈতিক বিষয় আদালতের বিবেচনায় নেওয়ায় সংকট আরও বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আদালত খোলার পর সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। ‘আদালত যদি মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারে, তবে সরকারের বিরুদ্ধে রায় দেওয়া উচিত,’ বলেন তিনি।
সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়া তুলে ধরে শিশির মনির বলেন, গণভোটের রায় মেনে ১৮০ দিনের জন্য সংবিধান সংস্কার সভা গঠন করতে হবে। পরবর্তীতে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠনের প্রস্তাবও দেন তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মামুনুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শফিকুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নাহিদ ইসলাম।
বক্তারা বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।
সরকারের সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নেওয়া পদক্ষেপ ভবিষ্যতে সরকারের জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তিনি বলেন- মিসাইল ছুড়লে তার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে হয়। তা না হলে সেই মিসাইল কার বাড়িতে গিয়ে পড়বে, কোন শিশু বা নারীকে হত্যা করবে তার ঠিক থাকে না। আপনারা উপর দিকে চেয়ে থুতু দিচ্ছেন, অপেক্ষা করেন কয়দিন পর এই থুতু ঘুরে আপনাদের নিজেদের গায়েই পড়বে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইডিবি) মিলনায়তনে ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে কি-নোট পেপার উপস্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন। ১১ দলীয় ঐক্য এ সেমিনারের আয়োজন করে।
তিনি গণভোটের ফলাফল দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, তা না হলে দেশ নতুন করে সাংবিধানিক ও আস্থার সংকটে পড়বে। সংবিধান সংস্কার সভার অধিবেশন আহ্বান করারও দাবি জানান তিনি।
গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বলেন, অভ্যুত্থান কখনো সংবিধান মেনে হয় না, বরং এটি সংবিধানের বাইরে থেকে আসে। এ ধরনের রাজনৈতিক বিষয় আদালতের বিবেচনায় নেওয়ায় সংকট আরও বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আদালত খোলার পর সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। ‘আদালত যদি মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারে, তবে সরকারের বিরুদ্ধে রায় দেওয়া উচিত,’ বলেন তিনি।
সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়া তুলে ধরে শিশির মনির বলেন, গণভোটের রায় মেনে ১৮০ দিনের জন্য সংবিধান সংস্কার সভা গঠন করতে হবে। পরবর্তীতে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠনের প্রস্তাবও দেন তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মামুনুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শফিকুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নাহিদ ইসলাম।
বক্তারা বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।
সরকারের সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নেওয়া পদক্ষেপ ভবিষ্যতে সরকারের জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তিনি বলেন- মিসাইল ছুড়লে তার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে হয়। তা না হলে সেই মিসাইল কার বাড়িতে গিয়ে পড়বে, কোন শিশু বা নারীকে হত্যা করবে তার ঠিক থাকে না। আপনারা উপর দিকে চেয়ে থুতু দিচ্ছেন, অপেক্ষা করেন কয়দিন পর এই থুতু ঘুরে আপনাদের নিজেদের গায়েই পড়বে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইডিবি) মিলনায়তনে ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে কি-নোট পেপার উপস্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন। ১১ দলীয় ঐক্য এ সেমিনারের আয়োজন করে।
তিনি গণভোটের ফলাফল দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, তা না হলে দেশ নতুন করে সাংবিধানিক ও আস্থার সংকটে পড়বে। সংবিধান সংস্কার সভার অধিবেশন আহ্বান করারও দাবি জানান তিনি।
গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বলেন, অভ্যুত্থান কখনো সংবিধান মেনে হয় না, বরং এটি সংবিধানের বাইরে থেকে আসে। এ ধরনের রাজনৈতিক বিষয় আদালতের বিবেচনায় নেওয়ায় সংকট আরও বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আদালত খোলার পর সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। ‘আদালত যদি মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারে, তবে সরকারের বিরুদ্ধে রায় দেওয়া উচিত,’ বলেন তিনি।
সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়া তুলে ধরে শিশির মনির বলেন, গণভোটের রায় মেনে ১৮০ দিনের জন্য সংবিধান সংস্কার সভা গঠন করতে হবে। পরবর্তীতে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠনের প্রস্তাবও দেন তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মামুনুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শফিকুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নাহিদ ইসলাম।
বক্তারা বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।
সরকারের সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নেওয়া পদক্ষেপ ভবিষ্যতে সরকারের জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তিনি বলেন- মিসাইল ছুড়লে তার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে হয়। তা না হলে সেই মিসাইল কার বাড়িতে গিয়ে পড়বে, কোন শিশু বা নারীকে হত্যা করবে তার ঠিক থাকে না। আপনারা উপর দিকে চেয়ে থুতু দিচ্ছেন, অপেক্ষা করেন কয়দিন পর এই থুতু ঘুরে আপনাদের নিজেদের গায়েই পড়বে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইডিবি) মিলনায়তনে ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে কি-নোট পেপার উপস্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন। ১১ দলীয় ঐক্য এ সেমিনারের আয়োজন করে।
তিনি গণভোটের ফলাফল দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, তা না হলে দেশ নতুন করে সাংবিধানিক ও আস্থার সংকটে পড়বে। সংবিধান সংস্কার সভার অধিবেশন আহ্বান করারও দাবি জানান তিনি।
গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বলেন, অভ্যুত্থান কখনো সংবিধান মেনে হয় না, বরং এটি সংবিধানের বাইরে থেকে আসে। এ ধরনের রাজনৈতিক বিষয় আদালতের বিবেচনায় নেওয়ায় সংকট আরও বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আদালত খোলার পর সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। ‘আদালত যদি মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারে, তবে সরকারের বিরুদ্ধে রায় দেওয়া উচিত,’ বলেন তিনি।
সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়া তুলে ধরে শিশির মনির বলেন, গণভোটের রায় মেনে ১৮০ দিনের জন্য সংবিধান সংস্কার সভা গঠন করতে হবে। পরবর্তীতে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠনের প্রস্তাবও দেন তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মামুনুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শফিকুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নাহিদ ইসলাম।
বক্তারা বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!