নতুন করে দেশ গঠনের কাজ শুরু হয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কেউ যেন কোনোভাবেই দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের নবসৃষ্ট রুহিয়া উপজেলা গঠন উপলক্ষে আয়োজিত এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা যখন নতুন করে দেশ গঠনের কাজ শুরু করেছি, তখন কোনোভাবেই যেন আবার বিভ্রান্তির পথে না চলে যাই। এজন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমি সকলের কাছে আবেদন রাখতে চাই, আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছি। ইনশাআল্লাহ আপনারা সেই সমর্থন অব্যাহত রাখবেন এবং সবাইকে নিজেদের এলাকা ও উপজেলাকে গড়ে তোলার কাজে উদ্বুদ্ধ করবেন।’
রুহিয়া উপজেলার উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতিতে স্থানীয় জনগণের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, নতুন উপজেলা হিসেবে রুহিয়ার সামনে উন্নয়নের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা কাজে লাগাতে হবে।
নারীদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, রুহিয়ার নারী সমাজ অত্যন্ত সংগঠিত। তাদের আরও সুসংগঠিত হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
তরুণদের উদ্দেশে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তরুণরা যেন মাদক থেকে দূরে থাকে এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলে। এটি অত্যন্ত জরুরি।’
এ সময় তিনি যুবসমাজকে খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নতুন উপজেলা গঠনের মাধ্যমে এখানে নিজস্ব সংস্কৃতি বিকাশ ও খেলাধুলার চর্চা বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে।
রুহিয়া অঞ্চলের অতীত ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে বিএনপির মহাসচিব আশা প্রকাশ করেন, রুহিয়া আবারও জেলার অন্যতম অগ্রণী অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে তিনি রুহিয়াবাসীর প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন করে দেশ গঠনের কাজ শুরু হয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কেউ যেন কোনোভাবেই দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের নবসৃষ্ট রুহিয়া উপজেলা গঠন উপলক্ষে আয়োজিত এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা যখন নতুন করে দেশ গঠনের কাজ শুরু করেছি, তখন কোনোভাবেই যেন আবার বিভ্রান্তির পথে না চলে যাই। এজন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমি সকলের কাছে আবেদন রাখতে চাই, আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছি। ইনশাআল্লাহ আপনারা সেই সমর্থন অব্যাহত রাখবেন এবং সবাইকে নিজেদের এলাকা ও উপজেলাকে গড়ে তোলার কাজে উদ্বুদ্ধ করবেন।’
রুহিয়া উপজেলার উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতিতে স্থানীয় জনগণের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, নতুন উপজেলা হিসেবে রুহিয়ার সামনে উন্নয়নের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা কাজে লাগাতে হবে।
নারীদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, রুহিয়ার নারী সমাজ অত্যন্ত সংগঠিত। তাদের আরও সুসংগঠিত হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
তরুণদের উদ্দেশে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তরুণরা যেন মাদক থেকে দূরে থাকে এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলে। এটি অত্যন্ত জরুরি।’
এ সময় তিনি যুবসমাজকে খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নতুন উপজেলা গঠনের মাধ্যমে এখানে নিজস্ব সংস্কৃতি বিকাশ ও খেলাধুলার চর্চা বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে।
রুহিয়া অঞ্চলের অতীত ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে বিএনপির মহাসচিব আশা প্রকাশ করেন, রুহিয়া আবারও জেলার অন্যতম অগ্রণী অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে তিনি রুহিয়াবাসীর প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন করে দেশ গঠনের কাজ শুরু হয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কেউ যেন কোনোভাবেই দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের নবসৃষ্ট রুহিয়া উপজেলা গঠন উপলক্ষে আয়োজিত এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা যখন নতুন করে দেশ গঠনের কাজ শুরু করেছি, তখন কোনোভাবেই যেন আবার বিভ্রান্তির পথে না চলে যাই। এজন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমি সকলের কাছে আবেদন রাখতে চাই, আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছি। ইনশাআল্লাহ আপনারা সেই সমর্থন অব্যাহত রাখবেন এবং সবাইকে নিজেদের এলাকা ও উপজেলাকে গড়ে তোলার কাজে উদ্বুদ্ধ করবেন।’
রুহিয়া উপজেলার উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতিতে স্থানীয় জনগণের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, নতুন উপজেলা হিসেবে রুহিয়ার সামনে উন্নয়নের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা কাজে লাগাতে হবে।
নারীদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, রুহিয়ার নারী সমাজ অত্যন্ত সংগঠিত। তাদের আরও সুসংগঠিত হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
তরুণদের উদ্দেশে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তরুণরা যেন মাদক থেকে দূরে থাকে এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলে। এটি অত্যন্ত জরুরি।’
এ সময় তিনি যুবসমাজকে খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নতুন উপজেলা গঠনের মাধ্যমে এখানে নিজস্ব সংস্কৃতি বিকাশ ও খেলাধুলার চর্চা বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে।
রুহিয়া অঞ্চলের অতীত ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে বিএনপির মহাসচিব আশা প্রকাশ করেন, রুহিয়া আবারও জেলার অন্যতম অগ্রণী অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে তিনি রুহিয়াবাসীর প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন করে দেশ গঠনের কাজ শুরু হয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কেউ যেন কোনোভাবেই দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের নবসৃষ্ট রুহিয়া উপজেলা গঠন উপলক্ষে আয়োজিত এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা যখন নতুন করে দেশ গঠনের কাজ শুরু করেছি, তখন কোনোভাবেই যেন আবার বিভ্রান্তির পথে না চলে যাই। এজন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমি সকলের কাছে আবেদন রাখতে চাই, আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছি। ইনশাআল্লাহ আপনারা সেই সমর্থন অব্যাহত রাখবেন এবং সবাইকে নিজেদের এলাকা ও উপজেলাকে গড়ে তোলার কাজে উদ্বুদ্ধ করবেন।’
রুহিয়া উপজেলার উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতিতে স্থানীয় জনগণের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, নতুন উপজেলা হিসেবে রুহিয়ার সামনে উন্নয়নের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা কাজে লাগাতে হবে।
নারীদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, রুহিয়ার নারী সমাজ অত্যন্ত সংগঠিত। তাদের আরও সুসংগঠিত হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
তরুণদের উদ্দেশে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তরুণরা যেন মাদক থেকে দূরে থাকে এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলে। এটি অত্যন্ত জরুরি।’
এ সময় তিনি যুবসমাজকে খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নতুন উপজেলা গঠনের মাধ্যমে এখানে নিজস্ব সংস্কৃতি বিকাশ ও খেলাধুলার চর্চা বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে।
রুহিয়া অঞ্চলের অতীত ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে বিএনপির মহাসচিব আশা প্রকাশ করেন, রুহিয়া আবারও জেলার অন্যতম অগ্রণী অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে তিনি রুহিয়াবাসীর প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!