
দেশে আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। রোববার (১২ এপ্রিল) ভোজ্যতেল সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতসহ বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে মানুষের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় সরকারের অগ্রাধিকার হলো-কোনো পণ্যের দাম যেন না বাড়ে। সেই লক্ষ্য নিয়েই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ভোজ্যতেল একটি সংবেদনশীল পণ্য হওয়ায় এর দাম বাড়লে ভোক্তারা ক্ষুব্ধ হন। তাই নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে সরবরাহ, আমদানি ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দাম বাড়ানোর মতো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দেশের তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ৯ এপ্রিল ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে তারা এ প্রস্তাব দেয়। তবে প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
এদিকে, বৈঠকে তেল সরবরাহকারীদের মুনাফা সমন্বয়ের জন্য কিছু বাড়তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

দেশে আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। রোববার (১২ এপ্রিল) ভোজ্যতেল সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতসহ বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে মানুষের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় সরকারের অগ্রাধিকার হলো-কোনো পণ্যের দাম যেন না বাড়ে। সেই লক্ষ্য নিয়েই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ভোজ্যতেল একটি সংবেদনশীল পণ্য হওয়ায় এর দাম বাড়লে ভোক্তারা ক্ষুব্ধ হন। তাই নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে সরবরাহ, আমদানি ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দাম বাড়ানোর মতো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দেশের তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ৯ এপ্রিল ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে তারা এ প্রস্তাব দেয়। তবে প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
এদিকে, বৈঠকে তেল সরবরাহকারীদের মুনাফা সমন্বয়ের জন্য কিছু বাড়তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

দেশে আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। রোববার (১২ এপ্রিল) ভোজ্যতেল সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতসহ বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে মানুষের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় সরকারের অগ্রাধিকার হলো-কোনো পণ্যের দাম যেন না বাড়ে। সেই লক্ষ্য নিয়েই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ভোজ্যতেল একটি সংবেদনশীল পণ্য হওয়ায় এর দাম বাড়লে ভোক্তারা ক্ষুব্ধ হন। তাই নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে সরবরাহ, আমদানি ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দাম বাড়ানোর মতো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দেশের তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ৯ এপ্রিল ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে তারা এ প্রস্তাব দেয়। তবে প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
এদিকে, বৈঠকে তেল সরবরাহকারীদের মুনাফা সমন্বয়ের জন্য কিছু বাড়তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

দেশে আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। রোববার (১২ এপ্রিল) ভোজ্যতেল সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতসহ বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে মানুষের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় সরকারের অগ্রাধিকার হলো-কোনো পণ্যের দাম যেন না বাড়ে। সেই লক্ষ্য নিয়েই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ভোজ্যতেল একটি সংবেদনশীল পণ্য হওয়ায় এর দাম বাড়লে ভোক্তারা ক্ষুব্ধ হন। তাই নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে সরবরাহ, আমদানি ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দাম বাড়ানোর মতো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দেশের তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ৯ এপ্রিল ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে তারা এ প্রস্তাব দেয়। তবে প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
এদিকে, বৈঠকে তেল সরবরাহকারীদের মুনাফা সমন্বয়ের জন্য কিছু বাড়তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!