
গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে জাতীয় পার্টিকে বাধা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তার দাবি, অতীতে জাতীয় পার্টি ‘ফ্যাসিবাদ টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রেখেছিল’।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে এনসিপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারের শেষ দিনে তিনি এসব বক্তব্য দেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টির ওপর ভর করেই ফিরতে পারে। তাই এখনই তাদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যথায় নির্বাচনের সময় কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হলে সরকার ও নির্বাচন কমিশন দায়ী থাকবে।
তিনি আরও দাবি করেন, আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় ফিরবে কি না—তার আগে হাসিনার ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে। এনসিপি নেতা বলেন, অনেক রাজনৈতিক দলে গণতন্ত্র নেই, কিন্তু এনসিপি দলীয় গণতন্ত্র চর্চা করছে।
হাসনাত অভিযোগ করে বলেন, অতীতে মনোনয়ন বাণিজ্য হয়েছে। তবে নতুন নেতৃত্ব ‘যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে’ ভিন্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, মধ্যরাতে ডিসি ভাগাভাগি করা হয়। পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা করা হলে জনগণ রাস্তায় নেমে আসবে। আগামী নির্বাচন প্রশাসনকে ব্যবহার করার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।
গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠতা ও পেশাদারত্বের পরিচয় দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারাসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে জাতীয় পার্টিকে বাধা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তার দাবি, অতীতে জাতীয় পার্টি ‘ফ্যাসিবাদ টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রেখেছিল’।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে এনসিপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারের শেষ দিনে তিনি এসব বক্তব্য দেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টির ওপর ভর করেই ফিরতে পারে। তাই এখনই তাদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যথায় নির্বাচনের সময় কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হলে সরকার ও নির্বাচন কমিশন দায়ী থাকবে।
তিনি আরও দাবি করেন, আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় ফিরবে কি না—তার আগে হাসিনার ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে। এনসিপি নেতা বলেন, অনেক রাজনৈতিক দলে গণতন্ত্র নেই, কিন্তু এনসিপি দলীয় গণতন্ত্র চর্চা করছে।
হাসনাত অভিযোগ করে বলেন, অতীতে মনোনয়ন বাণিজ্য হয়েছে। তবে নতুন নেতৃত্ব ‘যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে’ ভিন্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, মধ্যরাতে ডিসি ভাগাভাগি করা হয়। পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা করা হলে জনগণ রাস্তায় নেমে আসবে। আগামী নির্বাচন প্রশাসনকে ব্যবহার করার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।
গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠতা ও পেশাদারত্বের পরিচয় দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারাসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে জাতীয় পার্টিকে বাধা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তার দাবি, অতীতে জাতীয় পার্টি ‘ফ্যাসিবাদ টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রেখেছিল’।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে এনসিপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারের শেষ দিনে তিনি এসব বক্তব্য দেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টির ওপর ভর করেই ফিরতে পারে। তাই এখনই তাদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যথায় নির্বাচনের সময় কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হলে সরকার ও নির্বাচন কমিশন দায়ী থাকবে।
তিনি আরও দাবি করেন, আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় ফিরবে কি না—তার আগে হাসিনার ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে। এনসিপি নেতা বলেন, অনেক রাজনৈতিক দলে গণতন্ত্র নেই, কিন্তু এনসিপি দলীয় গণতন্ত্র চর্চা করছে।
হাসনাত অভিযোগ করে বলেন, অতীতে মনোনয়ন বাণিজ্য হয়েছে। তবে নতুন নেতৃত্ব ‘যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে’ ভিন্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, মধ্যরাতে ডিসি ভাগাভাগি করা হয়। পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা করা হলে জনগণ রাস্তায় নেমে আসবে। আগামী নির্বাচন প্রশাসনকে ব্যবহার করার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।
গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠতা ও পেশাদারত্বের পরিচয় দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারাসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে জাতীয় পার্টিকে বাধা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তার দাবি, অতীতে জাতীয় পার্টি ‘ফ্যাসিবাদ টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রেখেছিল’।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে এনসিপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারের শেষ দিনে তিনি এসব বক্তব্য দেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টির ওপর ভর করেই ফিরতে পারে। তাই এখনই তাদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যথায় নির্বাচনের সময় কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হলে সরকার ও নির্বাচন কমিশন দায়ী থাকবে।
তিনি আরও দাবি করেন, আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় ফিরবে কি না—তার আগে হাসিনার ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে। এনসিপি নেতা বলেন, অনেক রাজনৈতিক দলে গণতন্ত্র নেই, কিন্তু এনসিপি দলীয় গণতন্ত্র চর্চা করছে।
হাসনাত অভিযোগ করে বলেন, অতীতে মনোনয়ন বাণিজ্য হয়েছে। তবে নতুন নেতৃত্ব ‘যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে’ ভিন্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, মধ্যরাতে ডিসি ভাগাভাগি করা হয়। পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা করা হলে জনগণ রাস্তায় নেমে আসবে। আগামী নির্বাচন প্রশাসনকে ব্যবহার করার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।
গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠতা ও পেশাদারত্বের পরিচয় দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারাসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!