
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া বাউল আবুল সরকারের বিচার দাবি করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এ ছাড়া বাউলদের সমালোচনাকারীদের ‘ধর্মান্ধ’ বলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগর শাখা আয়োজিত সমাবেশ থেকে এসব দাবি জানানো হয়। সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন, আল্লাহ, পবিত্র কোরান ও ইসলাম সম্পর্কে কটূ মন্তব্য করে আবুল সরকার মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন।
সমাবেশে হেফাজতের নায়েবে আমির ও ঢাকা মহানগরের আমির জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, আবুল সরকার যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে, তা কোনো মুসলমান মেনে নিতে পারে না। এটি শুধু ধর্ম অমাননা নয়; বরং ইমানের ওপর প্রকাশ্য আঘাত। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাউলদের সমালোচনাকারীদের ধর্মান্ধ বলেছেন- তিনি যেন এ বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চান। অন্যথায় মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে।
অন্যান্য বক্তারা অভিযোগ করেন, আবুল সরকারকে ‘আশ্রয়-প্রশ্রয়’ দেওয়া হচ্ছে এবং তৌহিদি জনতার বিরুদ্ধে ‘হয়রানিমূলক মামলা’ করা হয়েছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার ও আবুল সরকারের বিচার না হলে তৌহিদি জনতা রাজপথে নামবে। প্রয়োজনে দেশ অচল করে দেওয়া হবে।
সমাবেশ শেষে মিছিল চলাকালে মোবাইল ফোন চুরির সন্দেহে এক ব্যক্তিকে ধাওয়া করে মারধর করেন কয়েকজন মিছিলকারী। তার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ‘বাউল’ বলেও অপমান করা হয়। পরে হেফাজতের স্বেচ্ছাসেবকরা ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলামের নেতা মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মুফতি ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া বাউল আবুল সরকারের বিচার দাবি করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এ ছাড়া বাউলদের সমালোচনাকারীদের ‘ধর্মান্ধ’ বলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগর শাখা আয়োজিত সমাবেশ থেকে এসব দাবি জানানো হয়। সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন, আল্লাহ, পবিত্র কোরান ও ইসলাম সম্পর্কে কটূ মন্তব্য করে আবুল সরকার মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন।
সমাবেশে হেফাজতের নায়েবে আমির ও ঢাকা মহানগরের আমির জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, আবুল সরকার যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে, তা কোনো মুসলমান মেনে নিতে পারে না। এটি শুধু ধর্ম অমাননা নয়; বরং ইমানের ওপর প্রকাশ্য আঘাত। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাউলদের সমালোচনাকারীদের ধর্মান্ধ বলেছেন- তিনি যেন এ বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চান। অন্যথায় মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে।
অন্যান্য বক্তারা অভিযোগ করেন, আবুল সরকারকে ‘আশ্রয়-প্রশ্রয়’ দেওয়া হচ্ছে এবং তৌহিদি জনতার বিরুদ্ধে ‘হয়রানিমূলক মামলা’ করা হয়েছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার ও আবুল সরকারের বিচার না হলে তৌহিদি জনতা রাজপথে নামবে। প্রয়োজনে দেশ অচল করে দেওয়া হবে।
সমাবেশ শেষে মিছিল চলাকালে মোবাইল ফোন চুরির সন্দেহে এক ব্যক্তিকে ধাওয়া করে মারধর করেন কয়েকজন মিছিলকারী। তার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ‘বাউল’ বলেও অপমান করা হয়। পরে হেফাজতের স্বেচ্ছাসেবকরা ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলামের নেতা মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মুফতি ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া বাউল আবুল সরকারের বিচার দাবি করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এ ছাড়া বাউলদের সমালোচনাকারীদের ‘ধর্মান্ধ’ বলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগর শাখা আয়োজিত সমাবেশ থেকে এসব দাবি জানানো হয়। সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন, আল্লাহ, পবিত্র কোরান ও ইসলাম সম্পর্কে কটূ মন্তব্য করে আবুল সরকার মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন।
সমাবেশে হেফাজতের নায়েবে আমির ও ঢাকা মহানগরের আমির জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, আবুল সরকার যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে, তা কোনো মুসলমান মেনে নিতে পারে না। এটি শুধু ধর্ম অমাননা নয়; বরং ইমানের ওপর প্রকাশ্য আঘাত। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাউলদের সমালোচনাকারীদের ধর্মান্ধ বলেছেন- তিনি যেন এ বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চান। অন্যথায় মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে।
অন্যান্য বক্তারা অভিযোগ করেন, আবুল সরকারকে ‘আশ্রয়-প্রশ্রয়’ দেওয়া হচ্ছে এবং তৌহিদি জনতার বিরুদ্ধে ‘হয়রানিমূলক মামলা’ করা হয়েছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার ও আবুল সরকারের বিচার না হলে তৌহিদি জনতা রাজপথে নামবে। প্রয়োজনে দেশ অচল করে দেওয়া হবে।
সমাবেশ শেষে মিছিল চলাকালে মোবাইল ফোন চুরির সন্দেহে এক ব্যক্তিকে ধাওয়া করে মারধর করেন কয়েকজন মিছিলকারী। তার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ‘বাউল’ বলেও অপমান করা হয়। পরে হেফাজতের স্বেচ্ছাসেবকরা ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলামের নেতা মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মুফতি ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া বাউল আবুল সরকারের বিচার দাবি করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এ ছাড়া বাউলদের সমালোচনাকারীদের ‘ধর্মান্ধ’ বলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগর শাখা আয়োজিত সমাবেশ থেকে এসব দাবি জানানো হয়। সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন, আল্লাহ, পবিত্র কোরান ও ইসলাম সম্পর্কে কটূ মন্তব্য করে আবুল সরকার মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন।
সমাবেশে হেফাজতের নায়েবে আমির ও ঢাকা মহানগরের আমির জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, আবুল সরকার যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে, তা কোনো মুসলমান মেনে নিতে পারে না। এটি শুধু ধর্ম অমাননা নয়; বরং ইমানের ওপর প্রকাশ্য আঘাত। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাউলদের সমালোচনাকারীদের ধর্মান্ধ বলেছেন- তিনি যেন এ বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চান। অন্যথায় মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে।
অন্যান্য বক্তারা অভিযোগ করেন, আবুল সরকারকে ‘আশ্রয়-প্রশ্রয়’ দেওয়া হচ্ছে এবং তৌহিদি জনতার বিরুদ্ধে ‘হয়রানিমূলক মামলা’ করা হয়েছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার ও আবুল সরকারের বিচার না হলে তৌহিদি জনতা রাজপথে নামবে। প্রয়োজনে দেশ অচল করে দেওয়া হবে।
সমাবেশ শেষে মিছিল চলাকালে মোবাইল ফোন চুরির সন্দেহে এক ব্যক্তিকে ধাওয়া করে মারধর করেন কয়েকজন মিছিলকারী। তার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ‘বাউল’ বলেও অপমান করা হয়। পরে হেফাজতের স্বেচ্ছাসেবকরা ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলামের নেতা মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মুফতি ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!