
ভারতে অবস্থানরত মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দিয়েই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু হবে-প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের এমন মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
সোমবার (৫ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিক্যাব আয়োজিত ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি : পরিবর্তনশীল বিশ্বে একটি প্রাসঙ্গিক ভূমিকা নির্ধারণ’ শীর্ষক সেশনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘কামালকে প্রথমে প্রত্যর্পণ করা হবে—এ ধরনের কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। এ ব্যাপারে অফিসিয়াল কোনো তথ্যও নেই।’
এর আগে গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ফেসবুকে এক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম লিখেছিলেন, ‘শুরুতেই আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণ করা হবে। এরপর একে একে অন্যদের।’
গত বছর জুলাই অভ্যুত্থানের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে ১৭ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এর পর থেকেই দুজনের প্রত্যর্পণ ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ চলছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের জন্য ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা। এর আগেও গত বছরের ডিসেম্বর মাসে একই অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছিল।

ভারতে অবস্থানরত মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দিয়েই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু হবে-প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের এমন মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
সোমবার (৫ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিক্যাব আয়োজিত ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি : পরিবর্তনশীল বিশ্বে একটি প্রাসঙ্গিক ভূমিকা নির্ধারণ’ শীর্ষক সেশনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘কামালকে প্রথমে প্রত্যর্পণ করা হবে—এ ধরনের কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। এ ব্যাপারে অফিসিয়াল কোনো তথ্যও নেই।’
এর আগে গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ফেসবুকে এক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম লিখেছিলেন, ‘শুরুতেই আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণ করা হবে। এরপর একে একে অন্যদের।’
গত বছর জুলাই অভ্যুত্থানের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে ১৭ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এর পর থেকেই দুজনের প্রত্যর্পণ ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ চলছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের জন্য ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা। এর আগেও গত বছরের ডিসেম্বর মাসে একই অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছিল।

ভারতে অবস্থানরত মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দিয়েই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু হবে-প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের এমন মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
সোমবার (৫ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিক্যাব আয়োজিত ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি : পরিবর্তনশীল বিশ্বে একটি প্রাসঙ্গিক ভূমিকা নির্ধারণ’ শীর্ষক সেশনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘কামালকে প্রথমে প্রত্যর্পণ করা হবে—এ ধরনের কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। এ ব্যাপারে অফিসিয়াল কোনো তথ্যও নেই।’
এর আগে গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ফেসবুকে এক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম লিখেছিলেন, ‘শুরুতেই আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণ করা হবে। এরপর একে একে অন্যদের।’
গত বছর জুলাই অভ্যুত্থানের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে ১৭ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এর পর থেকেই দুজনের প্রত্যর্পণ ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ চলছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের জন্য ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা। এর আগেও গত বছরের ডিসেম্বর মাসে একই অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছিল।

ভারতে অবস্থানরত মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দিয়েই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু হবে-প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের এমন মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
সোমবার (৫ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিক্যাব আয়োজিত ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি : পরিবর্তনশীল বিশ্বে একটি প্রাসঙ্গিক ভূমিকা নির্ধারণ’ শীর্ষক সেশনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘কামালকে প্রথমে প্রত্যর্পণ করা হবে—এ ধরনের কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। এ ব্যাপারে অফিসিয়াল কোনো তথ্যও নেই।’
এর আগে গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ফেসবুকে এক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম লিখেছিলেন, ‘শুরুতেই আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণ করা হবে। এরপর একে একে অন্যদের।’
গত বছর জুলাই অভ্যুত্থানের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে ১৭ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এর পর থেকেই দুজনের প্রত্যর্পণ ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ চলছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের জন্য ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা। এর আগেও গত বছরের ডিসেম্বর মাসে একই অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছিল।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!