
বাম প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ৯টি দল ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ নামে বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। আন্দোলন ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই জোট একসঙ্গে অংশ নেবে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বামপন্থিদের জাতীয় কনভেনশন থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। কনভেনশনের আয়োজন করে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাংলাদেশ জাসদ।
নতুন জোটে সম্মতি দেওয়া দলগুলোর মধ্যে বাম গণতান্ত্রিক জোটের ছয় শরিক-বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন ও বাসদ (মার্কসবাদী)—রয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ জাসদ এবং প্রয়াত নেতা পংকজ ভট্টাচার্য প্রতিষ্ঠিত ঐক্য ন্যাপ নতুন জোটে যুক্ত হয়েছে।
ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার চার শরিক দলের মধ্যে বাসদ (মাহবুব) জোটে যুক্ত হতে সম্মতি জানিয়েছে। অন্যান্য শরিক-গণমুক্তি ইউনিয়ন, সাম্যবাদী আন্দোলন ও নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা—পর্যায়ক্রমে যুক্ত হবে বলে জানানো হয়।
কনভেনশনের খসড়া ঘোষণাপত্র পাঠ করেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ কাফী রতন। ঘোষণাপত্রে বলা হয়, দেশপ্রেমিক-গণতান্ত্রিক-প্রগতিশীল রাজনৈতিক শক্তি, বিভিন্ন জাতিসত্তা, নারী সংগঠন, শ্রম ও পেশাজীবী সংগঠন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি তৈরি করা হবে।
ঘোষণায় আরও বলা হয়, পক্ষকালব্যাপী সারা দেশে জনমত সংগ্রহের পর খসড়া কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে। জেলা পর্যায়ের সম্মেলন ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’-এর কার্যক্রম পরিচালনা করবে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর প্রতিনিধি এবং দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে থাকা প্রগতিশীল ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত পরিচালনা কমিটি। এই কমিটি ‘যৌথ নেতৃত্ব’-এর ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে।
কনভেনশনে সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। নৈরাজ্য, দুর্নীতি ও লুণ্ঠনের মধ্যেই দেশ এখনো গভীর সংকটে রয়েছে।
বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, আজ থেকে বাম কর্মীদের পরিচয়—আমরা সবাই গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের মানুষ। জোট গঠনের যৌক্তিকতা তিনি তুলে ধরেন।
সভাপতিত্ব করেন বাম জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ। কনভেনশনে বিভিন্ন বাম রাজনৈতিক দল, নারী, শ্রম, জাতিসত্তা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা সংহতি বক্তব্য দেন।

বাম প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ৯টি দল ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ নামে বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। আন্দোলন ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই জোট একসঙ্গে অংশ নেবে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বামপন্থিদের জাতীয় কনভেনশন থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। কনভেনশনের আয়োজন করে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাংলাদেশ জাসদ।
নতুন জোটে সম্মতি দেওয়া দলগুলোর মধ্যে বাম গণতান্ত্রিক জোটের ছয় শরিক-বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন ও বাসদ (মার্কসবাদী)—রয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ জাসদ এবং প্রয়াত নেতা পংকজ ভট্টাচার্য প্রতিষ্ঠিত ঐক্য ন্যাপ নতুন জোটে যুক্ত হয়েছে।
ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার চার শরিক দলের মধ্যে বাসদ (মাহবুব) জোটে যুক্ত হতে সম্মতি জানিয়েছে। অন্যান্য শরিক-গণমুক্তি ইউনিয়ন, সাম্যবাদী আন্দোলন ও নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা—পর্যায়ক্রমে যুক্ত হবে বলে জানানো হয়।
কনভেনশনের খসড়া ঘোষণাপত্র পাঠ করেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ কাফী রতন। ঘোষণাপত্রে বলা হয়, দেশপ্রেমিক-গণতান্ত্রিক-প্রগতিশীল রাজনৈতিক শক্তি, বিভিন্ন জাতিসত্তা, নারী সংগঠন, শ্রম ও পেশাজীবী সংগঠন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি তৈরি করা হবে।
ঘোষণায় আরও বলা হয়, পক্ষকালব্যাপী সারা দেশে জনমত সংগ্রহের পর খসড়া কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে। জেলা পর্যায়ের সম্মেলন ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’-এর কার্যক্রম পরিচালনা করবে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর প্রতিনিধি এবং দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে থাকা প্রগতিশীল ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত পরিচালনা কমিটি। এই কমিটি ‘যৌথ নেতৃত্ব’-এর ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে।
কনভেনশনে সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। নৈরাজ্য, দুর্নীতি ও লুণ্ঠনের মধ্যেই দেশ এখনো গভীর সংকটে রয়েছে।
বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, আজ থেকে বাম কর্মীদের পরিচয়—আমরা সবাই গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের মানুষ। জোট গঠনের যৌক্তিকতা তিনি তুলে ধরেন।
সভাপতিত্ব করেন বাম জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ। কনভেনশনে বিভিন্ন বাম রাজনৈতিক দল, নারী, শ্রম, জাতিসত্তা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা সংহতি বক্তব্য দেন।

বাম প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ৯টি দল ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ নামে বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। আন্দোলন ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই জোট একসঙ্গে অংশ নেবে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বামপন্থিদের জাতীয় কনভেনশন থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। কনভেনশনের আয়োজন করে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাংলাদেশ জাসদ।
নতুন জোটে সম্মতি দেওয়া দলগুলোর মধ্যে বাম গণতান্ত্রিক জোটের ছয় শরিক-বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন ও বাসদ (মার্কসবাদী)—রয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ জাসদ এবং প্রয়াত নেতা পংকজ ভট্টাচার্য প্রতিষ্ঠিত ঐক্য ন্যাপ নতুন জোটে যুক্ত হয়েছে।
ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার চার শরিক দলের মধ্যে বাসদ (মাহবুব) জোটে যুক্ত হতে সম্মতি জানিয়েছে। অন্যান্য শরিক-গণমুক্তি ইউনিয়ন, সাম্যবাদী আন্দোলন ও নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা—পর্যায়ক্রমে যুক্ত হবে বলে জানানো হয়।
কনভেনশনের খসড়া ঘোষণাপত্র পাঠ করেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ কাফী রতন। ঘোষণাপত্রে বলা হয়, দেশপ্রেমিক-গণতান্ত্রিক-প্রগতিশীল রাজনৈতিক শক্তি, বিভিন্ন জাতিসত্তা, নারী সংগঠন, শ্রম ও পেশাজীবী সংগঠন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি তৈরি করা হবে।
ঘোষণায় আরও বলা হয়, পক্ষকালব্যাপী সারা দেশে জনমত সংগ্রহের পর খসড়া কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে। জেলা পর্যায়ের সম্মেলন ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’-এর কার্যক্রম পরিচালনা করবে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর প্রতিনিধি এবং দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে থাকা প্রগতিশীল ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত পরিচালনা কমিটি। এই কমিটি ‘যৌথ নেতৃত্ব’-এর ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে।
কনভেনশনে সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। নৈরাজ্য, দুর্নীতি ও লুণ্ঠনের মধ্যেই দেশ এখনো গভীর সংকটে রয়েছে।
বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, আজ থেকে বাম কর্মীদের পরিচয়—আমরা সবাই গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের মানুষ। জোট গঠনের যৌক্তিকতা তিনি তুলে ধরেন।
সভাপতিত্ব করেন বাম জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ। কনভেনশনে বিভিন্ন বাম রাজনৈতিক দল, নারী, শ্রম, জাতিসত্তা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা সংহতি বক্তব্য দেন।

বাম প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ৯টি দল ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ নামে বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। আন্দোলন ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই জোট একসঙ্গে অংশ নেবে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বামপন্থিদের জাতীয় কনভেনশন থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। কনভেনশনের আয়োজন করে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাংলাদেশ জাসদ।
নতুন জোটে সম্মতি দেওয়া দলগুলোর মধ্যে বাম গণতান্ত্রিক জোটের ছয় শরিক-বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন ও বাসদ (মার্কসবাদী)—রয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ জাসদ এবং প্রয়াত নেতা পংকজ ভট্টাচার্য প্রতিষ্ঠিত ঐক্য ন্যাপ নতুন জোটে যুক্ত হয়েছে।
ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার চার শরিক দলের মধ্যে বাসদ (মাহবুব) জোটে যুক্ত হতে সম্মতি জানিয়েছে। অন্যান্য শরিক-গণমুক্তি ইউনিয়ন, সাম্যবাদী আন্দোলন ও নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা—পর্যায়ক্রমে যুক্ত হবে বলে জানানো হয়।
কনভেনশনের খসড়া ঘোষণাপত্র পাঠ করেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ কাফী রতন। ঘোষণাপত্রে বলা হয়, দেশপ্রেমিক-গণতান্ত্রিক-প্রগতিশীল রাজনৈতিক শক্তি, বিভিন্ন জাতিসত্তা, নারী সংগঠন, শ্রম ও পেশাজীবী সংগঠন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি তৈরি করা হবে।
ঘোষণায় আরও বলা হয়, পক্ষকালব্যাপী সারা দেশে জনমত সংগ্রহের পর খসড়া কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে। জেলা পর্যায়ের সম্মেলন ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’-এর কার্যক্রম পরিচালনা করবে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর প্রতিনিধি এবং দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে থাকা প্রগতিশীল ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত পরিচালনা কমিটি। এই কমিটি ‘যৌথ নেতৃত্ব’-এর ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে।
কনভেনশনে সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। নৈরাজ্য, দুর্নীতি ও লুণ্ঠনের মধ্যেই দেশ এখনো গভীর সংকটে রয়েছে।
বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, আজ থেকে বাম কর্মীদের পরিচয়—আমরা সবাই গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের মানুষ। জোট গঠনের যৌক্তিকতা তিনি তুলে ধরেন।
সভাপতিত্ব করেন বাম জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ। কনভেনশনে বিভিন্ন বাম রাজনৈতিক দল, নারী, শ্রম, জাতিসত্তা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা সংহতি বক্তব্য দেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!