
শিক্ষাকে যুগোপযোগী করতে চলমান পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন ও নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই সংস্কার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন ও নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দলমত বিবেচনা করা হবে না। উচ্চমানের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এ কাজ সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য শারীরিক শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য ও শিল্পকলা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে শুধু পাঠদান নয়, নিয়মিত মূল্যায়ন পরীক্ষাও নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই সৃজনশীল ও স্বাস্থ্যসচেতন হয়ে উঠতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে দেশের উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছেন। তাই শিক্ষার্থীদের হাতে উন্নত ও মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
এনসিটিবির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহবুবুল হক পাটোয়ারী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাকে যুগোপযোগী করতে চলমান পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন ও নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই সংস্কার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন ও নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দলমত বিবেচনা করা হবে না। উচ্চমানের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এ কাজ সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য শারীরিক শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য ও শিল্পকলা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে শুধু পাঠদান নয়, নিয়মিত মূল্যায়ন পরীক্ষাও নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই সৃজনশীল ও স্বাস্থ্যসচেতন হয়ে উঠতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে দেশের উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছেন। তাই শিক্ষার্থীদের হাতে উন্নত ও মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
এনসিটিবির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহবুবুল হক পাটোয়ারী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাকে যুগোপযোগী করতে চলমান পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন ও নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই সংস্কার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন ও নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দলমত বিবেচনা করা হবে না। উচ্চমানের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এ কাজ সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য শারীরিক শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য ও শিল্পকলা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে শুধু পাঠদান নয়, নিয়মিত মূল্যায়ন পরীক্ষাও নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই সৃজনশীল ও স্বাস্থ্যসচেতন হয়ে উঠতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে দেশের উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছেন। তাই শিক্ষার্থীদের হাতে উন্নত ও মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
এনসিটিবির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহবুবুল হক পাটোয়ারী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাকে যুগোপযোগী করতে চলমান পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন ও নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই সংস্কার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন ও নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দলমত বিবেচনা করা হবে না। উচ্চমানের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এ কাজ সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য শারীরিক শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য ও শিল্পকলা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে শুধু পাঠদান নয়, নিয়মিত মূল্যায়ন পরীক্ষাও নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই সৃজনশীল ও স্বাস্থ্যসচেতন হয়ে উঠতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে দেশের উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছেন। তাই শিক্ষার্থীদের হাতে উন্নত ও মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
এনসিটিবির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহবুবুল হক পাটোয়ারী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!