
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তাঁর ছেলে মোজতবা হোসেইনি খামেনি। ইসরায়েলি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মোজতবাকে দেশটির পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালে নিজ বাসভবনে হামলায় নিহত হন ৩৬ বছর ধরে ইরান শাসন করা আলী খামেনি। ওই হামলায় তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যও নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মোজতবা খামেনি। খামেনির আকস্মিক মৃত্যুর পর কোনো মনোনীত উত্তরসূরি না থাকায় তিন সদস্যের একটি অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ দায়িত্ব পালন করছিল। পরে ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ চূড়ান্তভাবে মোজতবাকে নির্বাচিত করে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড জানিয়েছে, খামেনিকে পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন করা হবে এবং রাজধানী তেহরানে শোকসভার আয়োজন করা হবে।
তেহরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছে—এমন অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে তেহরানসহ বড় শহরগুলোতে ব্যাপক হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
খামেনি হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, যা দুবাই, আবুধাবি, কাতার ও বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হেনেছে। যুদ্ধের চতুর্থ দিনে দুবাইয়ে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটে ড্রোন হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানানো হয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, হামলায় ভবনে আগুন লাগলেও কর্মীরা নিরাপদ আছেন।
এদিকে তেহরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় ইসরায়েল লেবাননের আরও গভীরে সেনা মোতায়েন করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক কঠোর হুঁশিয়ারিতে বলেছেন, ইরানকে আলোচনায় ফেরার জন্য এখন ‘অনেক দেরি’ হয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে তেল স্থাপনা ও মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় পুরো অঞ্চলটি চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তাঁর ছেলে মোজতবা হোসেইনি খামেনি। ইসরায়েলি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মোজতবাকে দেশটির পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালে নিজ বাসভবনে হামলায় নিহত হন ৩৬ বছর ধরে ইরান শাসন করা আলী খামেনি। ওই হামলায় তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যও নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মোজতবা খামেনি। খামেনির আকস্মিক মৃত্যুর পর কোনো মনোনীত উত্তরসূরি না থাকায় তিন সদস্যের একটি অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ দায়িত্ব পালন করছিল। পরে ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ চূড়ান্তভাবে মোজতবাকে নির্বাচিত করে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড জানিয়েছে, খামেনিকে পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন করা হবে এবং রাজধানী তেহরানে শোকসভার আয়োজন করা হবে।
তেহরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছে—এমন অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে তেহরানসহ বড় শহরগুলোতে ব্যাপক হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
খামেনি হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, যা দুবাই, আবুধাবি, কাতার ও বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হেনেছে। যুদ্ধের চতুর্থ দিনে দুবাইয়ে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটে ড্রোন হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানানো হয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, হামলায় ভবনে আগুন লাগলেও কর্মীরা নিরাপদ আছেন।
এদিকে তেহরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় ইসরায়েল লেবাননের আরও গভীরে সেনা মোতায়েন করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক কঠোর হুঁশিয়ারিতে বলেছেন, ইরানকে আলোচনায় ফেরার জন্য এখন ‘অনেক দেরি’ হয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে তেল স্থাপনা ও মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় পুরো অঞ্চলটি চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তাঁর ছেলে মোজতবা হোসেইনি খামেনি। ইসরায়েলি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মোজতবাকে দেশটির পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালে নিজ বাসভবনে হামলায় নিহত হন ৩৬ বছর ধরে ইরান শাসন করা আলী খামেনি। ওই হামলায় তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যও নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মোজতবা খামেনি। খামেনির আকস্মিক মৃত্যুর পর কোনো মনোনীত উত্তরসূরি না থাকায় তিন সদস্যের একটি অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ দায়িত্ব পালন করছিল। পরে ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ চূড়ান্তভাবে মোজতবাকে নির্বাচিত করে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড জানিয়েছে, খামেনিকে পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন করা হবে এবং রাজধানী তেহরানে শোকসভার আয়োজন করা হবে।
তেহরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছে—এমন অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে তেহরানসহ বড় শহরগুলোতে ব্যাপক হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
খামেনি হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, যা দুবাই, আবুধাবি, কাতার ও বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হেনেছে। যুদ্ধের চতুর্থ দিনে দুবাইয়ে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটে ড্রোন হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানানো হয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, হামলায় ভবনে আগুন লাগলেও কর্মীরা নিরাপদ আছেন।
এদিকে তেহরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় ইসরায়েল লেবাননের আরও গভীরে সেনা মোতায়েন করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক কঠোর হুঁশিয়ারিতে বলেছেন, ইরানকে আলোচনায় ফেরার জন্য এখন ‘অনেক দেরি’ হয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে তেল স্থাপনা ও মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় পুরো অঞ্চলটি চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তাঁর ছেলে মোজতবা হোসেইনি খামেনি। ইসরায়েলি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মোজতবাকে দেশটির পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালে নিজ বাসভবনে হামলায় নিহত হন ৩৬ বছর ধরে ইরান শাসন করা আলী খামেনি। ওই হামলায় তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যও নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মোজতবা খামেনি। খামেনির আকস্মিক মৃত্যুর পর কোনো মনোনীত উত্তরসূরি না থাকায় তিন সদস্যের একটি অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ দায়িত্ব পালন করছিল। পরে ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ চূড়ান্তভাবে মোজতবাকে নির্বাচিত করে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড জানিয়েছে, খামেনিকে পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন করা হবে এবং রাজধানী তেহরানে শোকসভার আয়োজন করা হবে।
তেহরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছে—এমন অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে তেহরানসহ বড় শহরগুলোতে ব্যাপক হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
খামেনি হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, যা দুবাই, আবুধাবি, কাতার ও বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হেনেছে। যুদ্ধের চতুর্থ দিনে দুবাইয়ে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটে ড্রোন হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানানো হয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, হামলায় ভবনে আগুন লাগলেও কর্মীরা নিরাপদ আছেন।
এদিকে তেহরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় ইসরায়েল লেবাননের আরও গভীরে সেনা মোতায়েন করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক কঠোর হুঁশিয়ারিতে বলেছেন, ইরানকে আলোচনায় ফেরার জন্য এখন ‘অনেক দেরি’ হয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে তেল স্থাপনা ও মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় পুরো অঞ্চলটি চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!