-1772601664692-376208962.jpg&w=1920&q=75)
সেবাগ্রহণকারী নাগরিকদের সুবিধা, প্রশাসনিক গতিশীলতা ও আন্তঃদপ্তর সমন্বয় বাড়াতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ নিজ অফিস কক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে অবস্থান করতে হবে।
গত ২ মার্চ এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এর আগে ২০১৯ ও ২০২১ সালেও একই বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে আসার পথে সেমিনার, ওয়ার্কশপ, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে অতিথি বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ কিংবা ব্যাংক, হাসপাতাল ও বিদ্যালয়ে গমনের মতো কর্মসূচিতে যুক্ত থাকায় নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকেন না। এতে জনসাধারণ ও অন্যান্য দপ্তরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ব্যাহত হয়, যা নাগরিক সেবা, প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতি ও সরকারের ভাবমূর্তির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত আবশ্যিকভাবে নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে। দাপ্তরিক কর্মসূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রেও এ সময়সীমা বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে দপ্তরে উপস্থিতি ও প্রস্থান নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।
তবে কিছু ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না। যেমন- শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এবং প্রশাসনিক দায়িত্বে নিয়োজিত নন এমন শিক্ষক বা অনুষদ সদস্যরা। হাসপাতাল, জেলখানা, সংবাদ বা নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে রোস্টার ডিউটিতে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। জরুরি গ্রাহকসেবা প্রদানে সরাসরি সম্পৃক্তরা। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সমরূপ সংস্থার সদস্যরা। ভিভিআইপি/ডিআইপি প্রোটোকল, আকস্মিক বৃহৎ দুর্ঘটনা মোকাবিলা, উন্নয়ন সহযোগী বা কূটনৈতিক মিশনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক এবং অনুমোদিত সরকারি সফরের ক্ষেত্রে।
কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না বলেও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি নিয়মিত সচিবালয়ে অফিস করছেন এবং সকাল ৯টার মধ্যেই উপস্থিত হচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
-1772601664692-376208962.jpg&w=1920&q=75)
সেবাগ্রহণকারী নাগরিকদের সুবিধা, প্রশাসনিক গতিশীলতা ও আন্তঃদপ্তর সমন্বয় বাড়াতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ নিজ অফিস কক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে অবস্থান করতে হবে।
গত ২ মার্চ এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এর আগে ২০১৯ ও ২০২১ সালেও একই বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে আসার পথে সেমিনার, ওয়ার্কশপ, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে অতিথি বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ কিংবা ব্যাংক, হাসপাতাল ও বিদ্যালয়ে গমনের মতো কর্মসূচিতে যুক্ত থাকায় নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকেন না। এতে জনসাধারণ ও অন্যান্য দপ্তরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ব্যাহত হয়, যা নাগরিক সেবা, প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতি ও সরকারের ভাবমূর্তির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত আবশ্যিকভাবে নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে। দাপ্তরিক কর্মসূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রেও এ সময়সীমা বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে দপ্তরে উপস্থিতি ও প্রস্থান নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।
তবে কিছু ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না। যেমন- শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এবং প্রশাসনিক দায়িত্বে নিয়োজিত নন এমন শিক্ষক বা অনুষদ সদস্যরা। হাসপাতাল, জেলখানা, সংবাদ বা নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে রোস্টার ডিউটিতে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। জরুরি গ্রাহকসেবা প্রদানে সরাসরি সম্পৃক্তরা। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সমরূপ সংস্থার সদস্যরা। ভিভিআইপি/ডিআইপি প্রোটোকল, আকস্মিক বৃহৎ দুর্ঘটনা মোকাবিলা, উন্নয়ন সহযোগী বা কূটনৈতিক মিশনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক এবং অনুমোদিত সরকারি সফরের ক্ষেত্রে।
কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না বলেও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি নিয়মিত সচিবালয়ে অফিস করছেন এবং সকাল ৯টার মধ্যেই উপস্থিত হচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
-1772601664692-376208962.jpg&w=1920&q=75)
সেবাগ্রহণকারী নাগরিকদের সুবিধা, প্রশাসনিক গতিশীলতা ও আন্তঃদপ্তর সমন্বয় বাড়াতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ নিজ অফিস কক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে অবস্থান করতে হবে।
গত ২ মার্চ এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এর আগে ২০১৯ ও ২০২১ সালেও একই বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে আসার পথে সেমিনার, ওয়ার্কশপ, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে অতিথি বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ কিংবা ব্যাংক, হাসপাতাল ও বিদ্যালয়ে গমনের মতো কর্মসূচিতে যুক্ত থাকায় নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকেন না। এতে জনসাধারণ ও অন্যান্য দপ্তরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ব্যাহত হয়, যা নাগরিক সেবা, প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতি ও সরকারের ভাবমূর্তির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত আবশ্যিকভাবে নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে। দাপ্তরিক কর্মসূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রেও এ সময়সীমা বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে দপ্তরে উপস্থিতি ও প্রস্থান নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।
তবে কিছু ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না। যেমন- শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এবং প্রশাসনিক দায়িত্বে নিয়োজিত নন এমন শিক্ষক বা অনুষদ সদস্যরা। হাসপাতাল, জেলখানা, সংবাদ বা নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে রোস্টার ডিউটিতে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। জরুরি গ্রাহকসেবা প্রদানে সরাসরি সম্পৃক্তরা। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সমরূপ সংস্থার সদস্যরা। ভিভিআইপি/ডিআইপি প্রোটোকল, আকস্মিক বৃহৎ দুর্ঘটনা মোকাবিলা, উন্নয়ন সহযোগী বা কূটনৈতিক মিশনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক এবং অনুমোদিত সরকারি সফরের ক্ষেত্রে।
কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না বলেও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি নিয়মিত সচিবালয়ে অফিস করছেন এবং সকাল ৯টার মধ্যেই উপস্থিত হচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
-1772601664692-376208962.jpg&w=1920&q=75)
সেবাগ্রহণকারী নাগরিকদের সুবিধা, প্রশাসনিক গতিশীলতা ও আন্তঃদপ্তর সমন্বয় বাড়াতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ নিজ অফিস কক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে অবস্থান করতে হবে।
গত ২ মার্চ এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এর আগে ২০১৯ ও ২০২১ সালেও একই বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে আসার পথে সেমিনার, ওয়ার্কশপ, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে অতিথি বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ কিংবা ব্যাংক, হাসপাতাল ও বিদ্যালয়ে গমনের মতো কর্মসূচিতে যুক্ত থাকায় নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকেন না। এতে জনসাধারণ ও অন্যান্য দপ্তরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ব্যাহত হয়, যা নাগরিক সেবা, প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতি ও সরকারের ভাবমূর্তির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত আবশ্যিকভাবে নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে। দাপ্তরিক কর্মসূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রেও এ সময়সীমা বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে দপ্তরে উপস্থিতি ও প্রস্থান নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।
তবে কিছু ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না। যেমন- শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এবং প্রশাসনিক দায়িত্বে নিয়োজিত নন এমন শিক্ষক বা অনুষদ সদস্যরা। হাসপাতাল, জেলখানা, সংবাদ বা নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে রোস্টার ডিউটিতে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। জরুরি গ্রাহকসেবা প্রদানে সরাসরি সম্পৃক্তরা। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সমরূপ সংস্থার সদস্যরা। ভিভিআইপি/ডিআইপি প্রোটোকল, আকস্মিক বৃহৎ দুর্ঘটনা মোকাবিলা, উন্নয়ন সহযোগী বা কূটনৈতিক মিশনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক এবং অনুমোদিত সরকারি সফরের ক্ষেত্রে।
কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না বলেও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি নিয়মিত সচিবালয়ে অফিস করছেন এবং সকাল ৯টার মধ্যেই উপস্থিত হচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!