
ঐতিহাসিক এক মুহূর্তে সরাসরি আলোচনায় বসেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হওয়া এই বৈঠক দুই দেশের দীর্ঘদিনের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা-এর বরাতে জানা গেছে, শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল পাকিস্তানের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে আলোচনা হবে। তবে শেষ পর্যন্ত দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকে অংশ নেন। আলোচনায় পাকিস্তানের কর্মকর্তারাও উপস্থিত রয়েছেন।
মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স-এর বরাতে পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিন পক্ষই মুখোমুখি আলোচনায় অংশ নিয়েছে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ ও জার্ড ক্রুসনার এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও বৈঠকে অংশ নেন।
এই আলোচনা এমন এক সময় শুরু হলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে প্রাণহানির সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি হামলায় দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৩৫৭ জনে। তবে আরও হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবানন ও ইসরাইলের রাষ্ট্রদূতরা ফোনে কথা বলেছেন-যা দুই দেশের মধ্যে বিরল সরাসরি যোগাযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি আলোচনা আয়োজনের কথাও জানা গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসলামাবাদের এই বৈঠক সফল হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস ও কৌশলগত মতপার্থক্যের কারণে সমঝোতা সহজ হবে না বলেও মনে করছেন তারা।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপর টানা ৪০ দিন সংঘর্ষ চলার পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও তা শুরু থেকেই ভঙ্গুর ছিল। এমন পরিস্থিতিতে সরাসরি এই আলোচনা নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঐতিহাসিক এক মুহূর্তে সরাসরি আলোচনায় বসেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হওয়া এই বৈঠক দুই দেশের দীর্ঘদিনের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা-এর বরাতে জানা গেছে, শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল পাকিস্তানের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে আলোচনা হবে। তবে শেষ পর্যন্ত দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকে অংশ নেন। আলোচনায় পাকিস্তানের কর্মকর্তারাও উপস্থিত রয়েছেন।
মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স-এর বরাতে পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিন পক্ষই মুখোমুখি আলোচনায় অংশ নিয়েছে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ ও জার্ড ক্রুসনার এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও বৈঠকে অংশ নেন।
এই আলোচনা এমন এক সময় শুরু হলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে প্রাণহানির সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি হামলায় দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৩৫৭ জনে। তবে আরও হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবানন ও ইসরাইলের রাষ্ট্রদূতরা ফোনে কথা বলেছেন-যা দুই দেশের মধ্যে বিরল সরাসরি যোগাযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি আলোচনা আয়োজনের কথাও জানা গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসলামাবাদের এই বৈঠক সফল হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস ও কৌশলগত মতপার্থক্যের কারণে সমঝোতা সহজ হবে না বলেও মনে করছেন তারা।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপর টানা ৪০ দিন সংঘর্ষ চলার পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও তা শুরু থেকেই ভঙ্গুর ছিল। এমন পরিস্থিতিতে সরাসরি এই আলোচনা নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঐতিহাসিক এক মুহূর্তে সরাসরি আলোচনায় বসেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হওয়া এই বৈঠক দুই দেশের দীর্ঘদিনের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা-এর বরাতে জানা গেছে, শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল পাকিস্তানের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে আলোচনা হবে। তবে শেষ পর্যন্ত দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকে অংশ নেন। আলোচনায় পাকিস্তানের কর্মকর্তারাও উপস্থিত রয়েছেন।
মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স-এর বরাতে পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিন পক্ষই মুখোমুখি আলোচনায় অংশ নিয়েছে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ ও জার্ড ক্রুসনার এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও বৈঠকে অংশ নেন।
এই আলোচনা এমন এক সময় শুরু হলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে প্রাণহানির সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি হামলায় দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৩৫৭ জনে। তবে আরও হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবানন ও ইসরাইলের রাষ্ট্রদূতরা ফোনে কথা বলেছেন-যা দুই দেশের মধ্যে বিরল সরাসরি যোগাযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি আলোচনা আয়োজনের কথাও জানা গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসলামাবাদের এই বৈঠক সফল হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস ও কৌশলগত মতপার্থক্যের কারণে সমঝোতা সহজ হবে না বলেও মনে করছেন তারা।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপর টানা ৪০ দিন সংঘর্ষ চলার পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও তা শুরু থেকেই ভঙ্গুর ছিল। এমন পরিস্থিতিতে সরাসরি এই আলোচনা নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঐতিহাসিক এক মুহূর্তে সরাসরি আলোচনায় বসেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হওয়া এই বৈঠক দুই দেশের দীর্ঘদিনের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা-এর বরাতে জানা গেছে, শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল পাকিস্তানের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে আলোচনা হবে। তবে শেষ পর্যন্ত দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকে অংশ নেন। আলোচনায় পাকিস্তানের কর্মকর্তারাও উপস্থিত রয়েছেন।
মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স-এর বরাতে পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিন পক্ষই মুখোমুখি আলোচনায় অংশ নিয়েছে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ ও জার্ড ক্রুসনার এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও বৈঠকে অংশ নেন।
এই আলোচনা এমন এক সময় শুরু হলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে প্রাণহানির সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি হামলায় দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৩৫৭ জনে। তবে আরও হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবানন ও ইসরাইলের রাষ্ট্রদূতরা ফোনে কথা বলেছেন-যা দুই দেশের মধ্যে বিরল সরাসরি যোগাযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি আলোচনা আয়োজনের কথাও জানা গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসলামাবাদের এই বৈঠক সফল হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস ও কৌশলগত মতপার্থক্যের কারণে সমঝোতা সহজ হবে না বলেও মনে করছেন তারা।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপর টানা ৪০ দিন সংঘর্ষ চলার পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও তা শুরু থেকেই ভঙ্গুর ছিল। এমন পরিস্থিতিতে সরাসরি এই আলোচনা নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!