
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসর নির্ধারিত সময়ের এক সপ্তাহ পিছিয়ে ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে। শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের জুম মিটিং শেষে বিসিবির পরিচালক ও গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতিখার রহমান মিঠু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ জানুয়ারি।
এর আগে ১৯ ডিসেম্বর টুর্নামেন্ট শুরুর প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হলেও কয়েকটি বাস্তব কারণ এবং বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শেষ পর্যন্ত সূচি পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে মোস্তাফিজুর রহমানসহ বিদেশি লিগে খেলা কয়েকজন ক্রিকেটারকেও পাওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
ধরা–বাঁধা পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে এবারের বিপিএলে প্রথমবারের মতো দল পাচ্ছে নোয়াখালী। ছয় দলের ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত হয়েছে, এর মধ্যে নতুন নাম ‘নোয়াখালী এক্সপ্রেস’। দলসংখ্যা ও নাম ঠিক থাকলেও শুরুর তারিখ নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।
টুর্নামেন্ট শুরুর ভেন্যু নিয়েও ছিল নানা জটিলতা। শুরুতে রাজশাহীতে ম্যাচ আয়োজনের আলোচনা থাকলেও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। এরপর চট্টগ্রামকে প্রথম ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু পানি সরবরাহে সমস্যা এবং সমুদ্র উপকূলীয় লবণাক্ত পানির কারণে ঘাসের মান নষ্ট হওয়ায় মাঠ প্রস্তুত রাখতে সময় প্রয়োজন-এমন প্রতিবন্ধকতা সামনে আসে।
এই সমস্যা সমাধানে বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে নতুন গভীর নলকূপ এবং লবণাক্ততা রোধের মেশিন বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। তবে এসব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আরও সময় লাগবে বলে প্রথম পর্ব চট্টগ্রামে নয়, সিলেটে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিলেটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান না হওয়ার কারণ হিসেবে আয়োজকেরা জানান—একই মাঠে অনুষ্ঠান করলে খেলার উপযোগী করতে অন্তত ৪ দিন সময় লাগে। এজন্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঢাকায় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৩ বা ২৪ ডিসেম্বর ঢাকায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, এরপর ২৬ ডিসেম্বর সিলেটে ম্যাচ দিয়ে বিপিএল শুরু হবে।
পরে সিলেট পর্ব শেষে বিপিএল যাবে চট্টগ্রামে। সেখান থেকে পুরো টুর্নামেন্টের বাকি অংশ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায়।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার তিনটি ভেন্যুতেই খেলা হলেও পূর্বের মতো ঢাকায় দু’দফা খেলার পরিবর্তে একবারই আয়োজন করা হবে।
ইফতিখার রহমান মিঠু বলেন, দলগুলোর পক্ষ থেকে ভ্রমণ কমানোর অনুরোধ ছিল। তাই তিনটি ভেন্যুতেই খেলা হবে, তবে ঢাকায় একাধিকবার ফেরত না আসার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসর নির্ধারিত সময়ের এক সপ্তাহ পিছিয়ে ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে। শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের জুম মিটিং শেষে বিসিবির পরিচালক ও গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতিখার রহমান মিঠু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ জানুয়ারি।
এর আগে ১৯ ডিসেম্বর টুর্নামেন্ট শুরুর প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হলেও কয়েকটি বাস্তব কারণ এবং বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শেষ পর্যন্ত সূচি পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে মোস্তাফিজুর রহমানসহ বিদেশি লিগে খেলা কয়েকজন ক্রিকেটারকেও পাওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
ধরা–বাঁধা পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে এবারের বিপিএলে প্রথমবারের মতো দল পাচ্ছে নোয়াখালী। ছয় দলের ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত হয়েছে, এর মধ্যে নতুন নাম ‘নোয়াখালী এক্সপ্রেস’। দলসংখ্যা ও নাম ঠিক থাকলেও শুরুর তারিখ নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।
টুর্নামেন্ট শুরুর ভেন্যু নিয়েও ছিল নানা জটিলতা। শুরুতে রাজশাহীতে ম্যাচ আয়োজনের আলোচনা থাকলেও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। এরপর চট্টগ্রামকে প্রথম ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু পানি সরবরাহে সমস্যা এবং সমুদ্র উপকূলীয় লবণাক্ত পানির কারণে ঘাসের মান নষ্ট হওয়ায় মাঠ প্রস্তুত রাখতে সময় প্রয়োজন-এমন প্রতিবন্ধকতা সামনে আসে।
এই সমস্যা সমাধানে বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে নতুন গভীর নলকূপ এবং লবণাক্ততা রোধের মেশিন বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। তবে এসব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আরও সময় লাগবে বলে প্রথম পর্ব চট্টগ্রামে নয়, সিলেটে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিলেটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান না হওয়ার কারণ হিসেবে আয়োজকেরা জানান—একই মাঠে অনুষ্ঠান করলে খেলার উপযোগী করতে অন্তত ৪ দিন সময় লাগে। এজন্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঢাকায় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৩ বা ২৪ ডিসেম্বর ঢাকায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, এরপর ২৬ ডিসেম্বর সিলেটে ম্যাচ দিয়ে বিপিএল শুরু হবে।
পরে সিলেট পর্ব শেষে বিপিএল যাবে চট্টগ্রামে। সেখান থেকে পুরো টুর্নামেন্টের বাকি অংশ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায়।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার তিনটি ভেন্যুতেই খেলা হলেও পূর্বের মতো ঢাকায় দু’দফা খেলার পরিবর্তে একবারই আয়োজন করা হবে।
ইফতিখার রহমান মিঠু বলেন, দলগুলোর পক্ষ থেকে ভ্রমণ কমানোর অনুরোধ ছিল। তাই তিনটি ভেন্যুতেই খেলা হবে, তবে ঢাকায় একাধিকবার ফেরত না আসার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসর নির্ধারিত সময়ের এক সপ্তাহ পিছিয়ে ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে। শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের জুম মিটিং শেষে বিসিবির পরিচালক ও গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতিখার রহমান মিঠু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ জানুয়ারি।
এর আগে ১৯ ডিসেম্বর টুর্নামেন্ট শুরুর প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হলেও কয়েকটি বাস্তব কারণ এবং বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শেষ পর্যন্ত সূচি পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে মোস্তাফিজুর রহমানসহ বিদেশি লিগে খেলা কয়েকজন ক্রিকেটারকেও পাওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
ধরা–বাঁধা পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে এবারের বিপিএলে প্রথমবারের মতো দল পাচ্ছে নোয়াখালী। ছয় দলের ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত হয়েছে, এর মধ্যে নতুন নাম ‘নোয়াখালী এক্সপ্রেস’। দলসংখ্যা ও নাম ঠিক থাকলেও শুরুর তারিখ নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।
টুর্নামেন্ট শুরুর ভেন্যু নিয়েও ছিল নানা জটিলতা। শুরুতে রাজশাহীতে ম্যাচ আয়োজনের আলোচনা থাকলেও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। এরপর চট্টগ্রামকে প্রথম ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু পানি সরবরাহে সমস্যা এবং সমুদ্র উপকূলীয় লবণাক্ত পানির কারণে ঘাসের মান নষ্ট হওয়ায় মাঠ প্রস্তুত রাখতে সময় প্রয়োজন-এমন প্রতিবন্ধকতা সামনে আসে।
এই সমস্যা সমাধানে বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে নতুন গভীর নলকূপ এবং লবণাক্ততা রোধের মেশিন বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। তবে এসব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আরও সময় লাগবে বলে প্রথম পর্ব চট্টগ্রামে নয়, সিলেটে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিলেটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান না হওয়ার কারণ হিসেবে আয়োজকেরা জানান—একই মাঠে অনুষ্ঠান করলে খেলার উপযোগী করতে অন্তত ৪ দিন সময় লাগে। এজন্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঢাকায় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৩ বা ২৪ ডিসেম্বর ঢাকায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, এরপর ২৬ ডিসেম্বর সিলেটে ম্যাচ দিয়ে বিপিএল শুরু হবে।
পরে সিলেট পর্ব শেষে বিপিএল যাবে চট্টগ্রামে। সেখান থেকে পুরো টুর্নামেন্টের বাকি অংশ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায়।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার তিনটি ভেন্যুতেই খেলা হলেও পূর্বের মতো ঢাকায় দু’দফা খেলার পরিবর্তে একবারই আয়োজন করা হবে।
ইফতিখার রহমান মিঠু বলেন, দলগুলোর পক্ষ থেকে ভ্রমণ কমানোর অনুরোধ ছিল। তাই তিনটি ভেন্যুতেই খেলা হবে, তবে ঢাকায় একাধিকবার ফেরত না আসার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসর নির্ধারিত সময়ের এক সপ্তাহ পিছিয়ে ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে। শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের জুম মিটিং শেষে বিসিবির পরিচালক ও গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতিখার রহমান মিঠু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ জানুয়ারি।
এর আগে ১৯ ডিসেম্বর টুর্নামেন্ট শুরুর প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হলেও কয়েকটি বাস্তব কারণ এবং বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শেষ পর্যন্ত সূচি পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে মোস্তাফিজুর রহমানসহ বিদেশি লিগে খেলা কয়েকজন ক্রিকেটারকেও পাওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
ধরা–বাঁধা পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে এবারের বিপিএলে প্রথমবারের মতো দল পাচ্ছে নোয়াখালী। ছয় দলের ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত হয়েছে, এর মধ্যে নতুন নাম ‘নোয়াখালী এক্সপ্রেস’। দলসংখ্যা ও নাম ঠিক থাকলেও শুরুর তারিখ নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।
টুর্নামেন্ট শুরুর ভেন্যু নিয়েও ছিল নানা জটিলতা। শুরুতে রাজশাহীতে ম্যাচ আয়োজনের আলোচনা থাকলেও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। এরপর চট্টগ্রামকে প্রথম ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু পানি সরবরাহে সমস্যা এবং সমুদ্র উপকূলীয় লবণাক্ত পানির কারণে ঘাসের মান নষ্ট হওয়ায় মাঠ প্রস্তুত রাখতে সময় প্রয়োজন-এমন প্রতিবন্ধকতা সামনে আসে।
এই সমস্যা সমাধানে বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে নতুন গভীর নলকূপ এবং লবণাক্ততা রোধের মেশিন বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। তবে এসব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আরও সময় লাগবে বলে প্রথম পর্ব চট্টগ্রামে নয়, সিলেটে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিলেটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান না হওয়ার কারণ হিসেবে আয়োজকেরা জানান—একই মাঠে অনুষ্ঠান করলে খেলার উপযোগী করতে অন্তত ৪ দিন সময় লাগে। এজন্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঢাকায় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৩ বা ২৪ ডিসেম্বর ঢাকায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, এরপর ২৬ ডিসেম্বর সিলেটে ম্যাচ দিয়ে বিপিএল শুরু হবে।
পরে সিলেট পর্ব শেষে বিপিএল যাবে চট্টগ্রামে। সেখান থেকে পুরো টুর্নামেন্টের বাকি অংশ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায়।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার তিনটি ভেন্যুতেই খেলা হলেও পূর্বের মতো ঢাকায় দু’দফা খেলার পরিবর্তে একবারই আয়োজন করা হবে।
ইফতিখার রহমান মিঠু বলেন, দলগুলোর পক্ষ থেকে ভ্রমণ কমানোর অনুরোধ ছিল। তাই তিনটি ভেন্যুতেই খেলা হবে, তবে ঢাকায় একাধিকবার ফেরত না আসার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!