
ফুটবল বিশ্বে পর্তুগালের নাম উচ্চারণ হলে প্রথমেই ভেসে আসে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর কথা। দেশের ফুটবলের পোস্টারবয় বলা হয় তাকে। বিশ্বকাপ ছাড়া প্রায় সব বড় শিরোপাই জিতেছেন এই তারকা। তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যে তরুণ প্রজন্ম ফুটবল খেলতে শুরু করেছিল—সেই প্রজন্মই এবার দেশকে এনে দিলো নতুন ইতিহাস। প্রথমবারের মতো বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলো পর্তুগাল।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে কাতারের দোহায় খালিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব–১৭ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রিয়াকে ১–০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে পর্তুগাল।
ম্যাচের শুরু থেকেই দু’দল আক্রমণ–প্রতিআক্রমণে উত্তাপ ছড়ায় মাঠে। তবে ৩২তম মিনিটেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন আনিসিও কাব্রাল। ডান দিক থেকে কুনহার দুর্দান্ত কাট–ব্যাক পাস ধরে বাঁ পায়ের নরম টোয়ে বল জালে পাঠান তিনি। গোলটির কৃতিত্ব বড় অংশেই কুনহার নিখুঁত পাসের।
৪১তম মিনিটে স্পট–কিক থেকে লিড দ্বিগুণের সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি পর্তুগাল। প্রথমার্ধ শেষে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় দলটি।
দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় অস্ট্রিয়া। ৮০তম মিনিটে হোপম্যানের দূরপাল্লার শট কিংবা নুদুকের হেড লক্ষ্যে থাকলে ম্যাচের চিত্র ভিন্ন হতে পারত। কিন্তু পর্তুগালের শক্তিশালী ডিফেন্সের দেয়ালে বারবার আটকে যায় তাদের সব প্রচেষ্টা।
যোগ করা সময়েও গোল আদায় করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়ে অস্ট্রিয়া।
বল দখলে (৫৮%) এবং আক্রমণেও এগিয়ে ছিল পর্তুগাল। পুরো ম্যাচে দু’দল মিলিয়ে হয়েছে ৪৩টি ফাউল, যা ম্যাচের লড়াই–ভরা পরিবেশকে আরও স্পষ্ট করে। শেষ বাঁশির পর পর্তুগালের তরুণেরা উল্লাসে মাতেন, এটাই তাদের দেশের ইতিহাসে প্রথম অনূর্ধ্ব–১৭ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়।

ফুটবল বিশ্বে পর্তুগালের নাম উচ্চারণ হলে প্রথমেই ভেসে আসে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর কথা। দেশের ফুটবলের পোস্টারবয় বলা হয় তাকে। বিশ্বকাপ ছাড়া প্রায় সব বড় শিরোপাই জিতেছেন এই তারকা। তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যে তরুণ প্রজন্ম ফুটবল খেলতে শুরু করেছিল—সেই প্রজন্মই এবার দেশকে এনে দিলো নতুন ইতিহাস। প্রথমবারের মতো বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলো পর্তুগাল।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে কাতারের দোহায় খালিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব–১৭ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রিয়াকে ১–০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে পর্তুগাল।
ম্যাচের শুরু থেকেই দু’দল আক্রমণ–প্রতিআক্রমণে উত্তাপ ছড়ায় মাঠে। তবে ৩২তম মিনিটেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন আনিসিও কাব্রাল। ডান দিক থেকে কুনহার দুর্দান্ত কাট–ব্যাক পাস ধরে বাঁ পায়ের নরম টোয়ে বল জালে পাঠান তিনি। গোলটির কৃতিত্ব বড় অংশেই কুনহার নিখুঁত পাসের।
৪১তম মিনিটে স্পট–কিক থেকে লিড দ্বিগুণের সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি পর্তুগাল। প্রথমার্ধ শেষে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় দলটি।
দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় অস্ট্রিয়া। ৮০তম মিনিটে হোপম্যানের দূরপাল্লার শট কিংবা নুদুকের হেড লক্ষ্যে থাকলে ম্যাচের চিত্র ভিন্ন হতে পারত। কিন্তু পর্তুগালের শক্তিশালী ডিফেন্সের দেয়ালে বারবার আটকে যায় তাদের সব প্রচেষ্টা।
যোগ করা সময়েও গোল আদায় করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়ে অস্ট্রিয়া।
বল দখলে (৫৮%) এবং আক্রমণেও এগিয়ে ছিল পর্তুগাল। পুরো ম্যাচে দু’দল মিলিয়ে হয়েছে ৪৩টি ফাউল, যা ম্যাচের লড়াই–ভরা পরিবেশকে আরও স্পষ্ট করে। শেষ বাঁশির পর পর্তুগালের তরুণেরা উল্লাসে মাতেন, এটাই তাদের দেশের ইতিহাসে প্রথম অনূর্ধ্ব–১৭ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়।

ফুটবল বিশ্বে পর্তুগালের নাম উচ্চারণ হলে প্রথমেই ভেসে আসে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর কথা। দেশের ফুটবলের পোস্টারবয় বলা হয় তাকে। বিশ্বকাপ ছাড়া প্রায় সব বড় শিরোপাই জিতেছেন এই তারকা। তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যে তরুণ প্রজন্ম ফুটবল খেলতে শুরু করেছিল—সেই প্রজন্মই এবার দেশকে এনে দিলো নতুন ইতিহাস। প্রথমবারের মতো বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলো পর্তুগাল।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে কাতারের দোহায় খালিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব–১৭ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রিয়াকে ১–০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে পর্তুগাল।
ম্যাচের শুরু থেকেই দু’দল আক্রমণ–প্রতিআক্রমণে উত্তাপ ছড়ায় মাঠে। তবে ৩২তম মিনিটেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন আনিসিও কাব্রাল। ডান দিক থেকে কুনহার দুর্দান্ত কাট–ব্যাক পাস ধরে বাঁ পায়ের নরম টোয়ে বল জালে পাঠান তিনি। গোলটির কৃতিত্ব বড় অংশেই কুনহার নিখুঁত পাসের।
৪১তম মিনিটে স্পট–কিক থেকে লিড দ্বিগুণের সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি পর্তুগাল। প্রথমার্ধ শেষে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় দলটি।
দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় অস্ট্রিয়া। ৮০তম মিনিটে হোপম্যানের দূরপাল্লার শট কিংবা নুদুকের হেড লক্ষ্যে থাকলে ম্যাচের চিত্র ভিন্ন হতে পারত। কিন্তু পর্তুগালের শক্তিশালী ডিফেন্সের দেয়ালে বারবার আটকে যায় তাদের সব প্রচেষ্টা।
যোগ করা সময়েও গোল আদায় করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়ে অস্ট্রিয়া।
বল দখলে (৫৮%) এবং আক্রমণেও এগিয়ে ছিল পর্তুগাল। পুরো ম্যাচে দু’দল মিলিয়ে হয়েছে ৪৩টি ফাউল, যা ম্যাচের লড়াই–ভরা পরিবেশকে আরও স্পষ্ট করে। শেষ বাঁশির পর পর্তুগালের তরুণেরা উল্লাসে মাতেন, এটাই তাদের দেশের ইতিহাসে প্রথম অনূর্ধ্ব–১৭ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়।

ফুটবল বিশ্বে পর্তুগালের নাম উচ্চারণ হলে প্রথমেই ভেসে আসে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর কথা। দেশের ফুটবলের পোস্টারবয় বলা হয় তাকে। বিশ্বকাপ ছাড়া প্রায় সব বড় শিরোপাই জিতেছেন এই তারকা। তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যে তরুণ প্রজন্ম ফুটবল খেলতে শুরু করেছিল—সেই প্রজন্মই এবার দেশকে এনে দিলো নতুন ইতিহাস। প্রথমবারের মতো বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলো পর্তুগাল।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে কাতারের দোহায় খালিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব–১৭ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রিয়াকে ১–০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে পর্তুগাল।
ম্যাচের শুরু থেকেই দু’দল আক্রমণ–প্রতিআক্রমণে উত্তাপ ছড়ায় মাঠে। তবে ৩২তম মিনিটেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন আনিসিও কাব্রাল। ডান দিক থেকে কুনহার দুর্দান্ত কাট–ব্যাক পাস ধরে বাঁ পায়ের নরম টোয়ে বল জালে পাঠান তিনি। গোলটির কৃতিত্ব বড় অংশেই কুনহার নিখুঁত পাসের।
৪১তম মিনিটে স্পট–কিক থেকে লিড দ্বিগুণের সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি পর্তুগাল। প্রথমার্ধ শেষে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় দলটি।
দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় অস্ট্রিয়া। ৮০তম মিনিটে হোপম্যানের দূরপাল্লার শট কিংবা নুদুকের হেড লক্ষ্যে থাকলে ম্যাচের চিত্র ভিন্ন হতে পারত। কিন্তু পর্তুগালের শক্তিশালী ডিফেন্সের দেয়ালে বারবার আটকে যায় তাদের সব প্রচেষ্টা।
যোগ করা সময়েও গোল আদায় করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়ে অস্ট্রিয়া।
বল দখলে (৫৮%) এবং আক্রমণেও এগিয়ে ছিল পর্তুগাল। পুরো ম্যাচে দু’দল মিলিয়ে হয়েছে ৪৩টি ফাউল, যা ম্যাচের লড়াই–ভরা পরিবেশকে আরও স্পষ্ট করে। শেষ বাঁশির পর পর্তুগালের তরুণেরা উল্লাসে মাতেন, এটাই তাদের দেশের ইতিহাসে প্রথম অনূর্ধ্ব–১৭ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!