
দুই ক্লাবই নিজেদের দেশের লিগের শীর্ষে আছে। তাই এক অর্থে বলা যায় চ্যাম্পিয়নস লিগে দুই সেরার লড়াই। দুই দলেরই সমান ১২ পয়েন্ট। সেই লড়াইয়ে বাড়তি সুবিধাটা আর্সেনালের। কারণ, ঘরের মাঠে খেলা তাদের। তাই বলে অবশ্য সহজ হবে না। প্রতিপক্ষ যে ছয়বারের চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী বায়ার্ন মিউনিখ।
জার্মান চ্যাম্পিয়নরা এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৮ ম্যাচে ১৭টি জিতেছে, বাকি একটি ড্র করেছে। এমন সাফল্যের নেপথ্যে হ্যারি কেইনের দুর্দান্ত ফর্ম। প্রতিটি ম্যাচেই খেলেছেন তিনি। এই মৌসুমেও অবিশ্বাস্য সব পরিসংখ্যান তৈরি করছেন কেইন—বায়ার্নের হয়ে ১৮ ম্যাচে ২৪ গোল, ইংল্যান্ডের হয়ে পাঁচে পাঁচ।
২০২৩-২৪ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্সেনালের মুখোমুখি হয়ে পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন কেইন। বায়ার্ন জয় পেয়েছিল দুই লেগ মিলিয়ে। আর্সেনালের বিপক্ষে ২১ ম্যাচে কেইনের গোল ১৫ টি। তাই গানারদের রক্ষণভাগ ভাঙার ‘চাবি’ থাকবে তাঁর হাতেই।
মিকেল আর্তেতার দল এবারও দুর্দান্ত রক্ষণ সাজিয়েছে—চ্যাম্পিয়নস লিগে এখনো পর্যন্ত একটিও গোল খায়নি তারা। প্রিমিয়ার লিগে তাদের বিপক্ষে গোল হয়েছে মাত্র ছয়টি, ইউরোপের সেরা পাঁচ লিগের মধ্যে সেরা রক্ষণভাগ।
সেই রক্ষণে চিড় ধরাতে কেইনকে নিতে হবে বাড়তি দায়িত্ব। তিনি বলেন, ‘আমি জানি, আমি শুধু গোলস্কোরার নই। পাসিং, এক-অন-এক পরিস্থিতি কিংবা দলের চাপ কমানো—অনেকভাবে দলকে সাহায্য করতে পারি।’
উড়ন্ত ফর্মে থাকলেও বায়ার্ন দুর্বল সেট-পিস ঠেকাতে। আর এটাই আর্সেনালের বড় শক্তি। গত দুই ম্যাচে বায়ার্ন যে চারটি গোল হজম করেছে, সবই এসেছে সেট-পিস থেকে। কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি বলেন, ‘সেট-পিসে আমাদের সমস্যা আছে। এটা লুকানোর কিছু নয়। আর্সেনালের বিশ্লেষকেরাও সেটা দেখবে। আমাদের ব্যক্তিত্ব দেখাতে হবে, এসব প্রতিহত করতে হবে। কিন্তু দলের প্রতি আত্মবিশ্বাসী।’
চ্যাম্পিয়ন পিএসজির আজ মাঠে নামবে কেইনের সাবেক ক্লাব টটেনহামের বিপক্ষে। রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিপক্ষ অলিম্পিয়াকোস। গ্রিক ক্লাবের বিপক্ষে খেলার আগে ধাক্কা খেয়েছে জাবি আলোনসোর দল। চোটের কারণে এই ম্যাচে পাচ্ছে না গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ও ডিন হাউসেনকে।

দুই ক্লাবই নিজেদের দেশের লিগের শীর্ষে আছে। তাই এক অর্থে বলা যায় চ্যাম্পিয়নস লিগে দুই সেরার লড়াই। দুই দলেরই সমান ১২ পয়েন্ট। সেই লড়াইয়ে বাড়তি সুবিধাটা আর্সেনালের। কারণ, ঘরের মাঠে খেলা তাদের। তাই বলে অবশ্য সহজ হবে না। প্রতিপক্ষ যে ছয়বারের চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী বায়ার্ন মিউনিখ।
জার্মান চ্যাম্পিয়নরা এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৮ ম্যাচে ১৭টি জিতেছে, বাকি একটি ড্র করেছে। এমন সাফল্যের নেপথ্যে হ্যারি কেইনের দুর্দান্ত ফর্ম। প্রতিটি ম্যাচেই খেলেছেন তিনি। এই মৌসুমেও অবিশ্বাস্য সব পরিসংখ্যান তৈরি করছেন কেইন—বায়ার্নের হয়ে ১৮ ম্যাচে ২৪ গোল, ইংল্যান্ডের হয়ে পাঁচে পাঁচ।
২০২৩-২৪ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্সেনালের মুখোমুখি হয়ে পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন কেইন। বায়ার্ন জয় পেয়েছিল দুই লেগ মিলিয়ে। আর্সেনালের বিপক্ষে ২১ ম্যাচে কেইনের গোল ১৫ টি। তাই গানারদের রক্ষণভাগ ভাঙার ‘চাবি’ থাকবে তাঁর হাতেই।
মিকেল আর্তেতার দল এবারও দুর্দান্ত রক্ষণ সাজিয়েছে—চ্যাম্পিয়নস লিগে এখনো পর্যন্ত একটিও গোল খায়নি তারা। প্রিমিয়ার লিগে তাদের বিপক্ষে গোল হয়েছে মাত্র ছয়টি, ইউরোপের সেরা পাঁচ লিগের মধ্যে সেরা রক্ষণভাগ।
সেই রক্ষণে চিড় ধরাতে কেইনকে নিতে হবে বাড়তি দায়িত্ব। তিনি বলেন, ‘আমি জানি, আমি শুধু গোলস্কোরার নই। পাসিং, এক-অন-এক পরিস্থিতি কিংবা দলের চাপ কমানো—অনেকভাবে দলকে সাহায্য করতে পারি।’
উড়ন্ত ফর্মে থাকলেও বায়ার্ন দুর্বল সেট-পিস ঠেকাতে। আর এটাই আর্সেনালের বড় শক্তি। গত দুই ম্যাচে বায়ার্ন যে চারটি গোল হজম করেছে, সবই এসেছে সেট-পিস থেকে। কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি বলেন, ‘সেট-পিসে আমাদের সমস্যা আছে। এটা লুকানোর কিছু নয়। আর্সেনালের বিশ্লেষকেরাও সেটা দেখবে। আমাদের ব্যক্তিত্ব দেখাতে হবে, এসব প্রতিহত করতে হবে। কিন্তু দলের প্রতি আত্মবিশ্বাসী।’
চ্যাম্পিয়ন পিএসজির আজ মাঠে নামবে কেইনের সাবেক ক্লাব টটেনহামের বিপক্ষে। রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিপক্ষ অলিম্পিয়াকোস। গ্রিক ক্লাবের বিপক্ষে খেলার আগে ধাক্কা খেয়েছে জাবি আলোনসোর দল। চোটের কারণে এই ম্যাচে পাচ্ছে না গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ও ডিন হাউসেনকে।

দুই ক্লাবই নিজেদের দেশের লিগের শীর্ষে আছে। তাই এক অর্থে বলা যায় চ্যাম্পিয়নস লিগে দুই সেরার লড়াই। দুই দলেরই সমান ১২ পয়েন্ট। সেই লড়াইয়ে বাড়তি সুবিধাটা আর্সেনালের। কারণ, ঘরের মাঠে খেলা তাদের। তাই বলে অবশ্য সহজ হবে না। প্রতিপক্ষ যে ছয়বারের চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী বায়ার্ন মিউনিখ।
জার্মান চ্যাম্পিয়নরা এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৮ ম্যাচে ১৭টি জিতেছে, বাকি একটি ড্র করেছে। এমন সাফল্যের নেপথ্যে হ্যারি কেইনের দুর্দান্ত ফর্ম। প্রতিটি ম্যাচেই খেলেছেন তিনি। এই মৌসুমেও অবিশ্বাস্য সব পরিসংখ্যান তৈরি করছেন কেইন—বায়ার্নের হয়ে ১৮ ম্যাচে ২৪ গোল, ইংল্যান্ডের হয়ে পাঁচে পাঁচ।
২০২৩-২৪ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্সেনালের মুখোমুখি হয়ে পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন কেইন। বায়ার্ন জয় পেয়েছিল দুই লেগ মিলিয়ে। আর্সেনালের বিপক্ষে ২১ ম্যাচে কেইনের গোল ১৫ টি। তাই গানারদের রক্ষণভাগ ভাঙার ‘চাবি’ থাকবে তাঁর হাতেই।
মিকেল আর্তেতার দল এবারও দুর্দান্ত রক্ষণ সাজিয়েছে—চ্যাম্পিয়নস লিগে এখনো পর্যন্ত একটিও গোল খায়নি তারা। প্রিমিয়ার লিগে তাদের বিপক্ষে গোল হয়েছে মাত্র ছয়টি, ইউরোপের সেরা পাঁচ লিগের মধ্যে সেরা রক্ষণভাগ।
সেই রক্ষণে চিড় ধরাতে কেইনকে নিতে হবে বাড়তি দায়িত্ব। তিনি বলেন, ‘আমি জানি, আমি শুধু গোলস্কোরার নই। পাসিং, এক-অন-এক পরিস্থিতি কিংবা দলের চাপ কমানো—অনেকভাবে দলকে সাহায্য করতে পারি।’
উড়ন্ত ফর্মে থাকলেও বায়ার্ন দুর্বল সেট-পিস ঠেকাতে। আর এটাই আর্সেনালের বড় শক্তি। গত দুই ম্যাচে বায়ার্ন যে চারটি গোল হজম করেছে, সবই এসেছে সেট-পিস থেকে। কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি বলেন, ‘সেট-পিসে আমাদের সমস্যা আছে। এটা লুকানোর কিছু নয়। আর্সেনালের বিশ্লেষকেরাও সেটা দেখবে। আমাদের ব্যক্তিত্ব দেখাতে হবে, এসব প্রতিহত করতে হবে। কিন্তু দলের প্রতি আত্মবিশ্বাসী।’
চ্যাম্পিয়ন পিএসজির আজ মাঠে নামবে কেইনের সাবেক ক্লাব টটেনহামের বিপক্ষে। রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিপক্ষ অলিম্পিয়াকোস। গ্রিক ক্লাবের বিপক্ষে খেলার আগে ধাক্কা খেয়েছে জাবি আলোনসোর দল। চোটের কারণে এই ম্যাচে পাচ্ছে না গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ও ডিন হাউসেনকে।

দুই ক্লাবই নিজেদের দেশের লিগের শীর্ষে আছে। তাই এক অর্থে বলা যায় চ্যাম্পিয়নস লিগে দুই সেরার লড়াই। দুই দলেরই সমান ১২ পয়েন্ট। সেই লড়াইয়ে বাড়তি সুবিধাটা আর্সেনালের। কারণ, ঘরের মাঠে খেলা তাদের। তাই বলে অবশ্য সহজ হবে না। প্রতিপক্ষ যে ছয়বারের চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী বায়ার্ন মিউনিখ।
জার্মান চ্যাম্পিয়নরা এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৮ ম্যাচে ১৭টি জিতেছে, বাকি একটি ড্র করেছে। এমন সাফল্যের নেপথ্যে হ্যারি কেইনের দুর্দান্ত ফর্ম। প্রতিটি ম্যাচেই খেলেছেন তিনি। এই মৌসুমেও অবিশ্বাস্য সব পরিসংখ্যান তৈরি করছেন কেইন—বায়ার্নের হয়ে ১৮ ম্যাচে ২৪ গোল, ইংল্যান্ডের হয়ে পাঁচে পাঁচ।
২০২৩-২৪ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্সেনালের মুখোমুখি হয়ে পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন কেইন। বায়ার্ন জয় পেয়েছিল দুই লেগ মিলিয়ে। আর্সেনালের বিপক্ষে ২১ ম্যাচে কেইনের গোল ১৫ টি। তাই গানারদের রক্ষণভাগ ভাঙার ‘চাবি’ থাকবে তাঁর হাতেই।
মিকেল আর্তেতার দল এবারও দুর্দান্ত রক্ষণ সাজিয়েছে—চ্যাম্পিয়নস লিগে এখনো পর্যন্ত একটিও গোল খায়নি তারা। প্রিমিয়ার লিগে তাদের বিপক্ষে গোল হয়েছে মাত্র ছয়টি, ইউরোপের সেরা পাঁচ লিগের মধ্যে সেরা রক্ষণভাগ।
সেই রক্ষণে চিড় ধরাতে কেইনকে নিতে হবে বাড়তি দায়িত্ব। তিনি বলেন, ‘আমি জানি, আমি শুধু গোলস্কোরার নই। পাসিং, এক-অন-এক পরিস্থিতি কিংবা দলের চাপ কমানো—অনেকভাবে দলকে সাহায্য করতে পারি।’
উড়ন্ত ফর্মে থাকলেও বায়ার্ন দুর্বল সেট-পিস ঠেকাতে। আর এটাই আর্সেনালের বড় শক্তি। গত দুই ম্যাচে বায়ার্ন যে চারটি গোল হজম করেছে, সবই এসেছে সেট-পিস থেকে। কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি বলেন, ‘সেট-পিসে আমাদের সমস্যা আছে। এটা লুকানোর কিছু নয়। আর্সেনালের বিশ্লেষকেরাও সেটা দেখবে। আমাদের ব্যক্তিত্ব দেখাতে হবে, এসব প্রতিহত করতে হবে। কিন্তু দলের প্রতি আত্মবিশ্বাসী।’
চ্যাম্পিয়ন পিএসজির আজ মাঠে নামবে কেইনের সাবেক ক্লাব টটেনহামের বিপক্ষে। রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিপক্ষ অলিম্পিয়াকোস। গ্রিক ক্লাবের বিপক্ষে খেলার আগে ধাক্কা খেয়েছে জাবি আলোনসোর দল। চোটের কারণে এই ম্যাচে পাচ্ছে না গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ও ডিন হাউসেনকে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!